চাঁদপুর, শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৭-সূরা মুল্ক


৩০ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৬। যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি, উহা কত মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল।


 


 


assets/data_files/web

আমার নিজের সৃষ্টিকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি।


-ফার্গসান্স।


 


 


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


 


ফটো গ্যালারি
এবারের একুশ হোক মুজিবময়
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের যে চূড়ান্ত রূপ আমরা ইতিহাসের পাতায় প্রত্যক্ষ করি, তার ভিত্তি রচনায় মুখ্য ভূমিকা পালনকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আর মাত্র ২৫ দিন বাকি। চলছে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা। এমন আমেজে আমাদের দ্বারে সমাগত ঐতিহাসিক ২০২০ সালের মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। সঙ্গত কারণেই এবারের একুশ পালিত হবে মুজিববর্ষের আবেগে এবং কর্মসূচিগুলো হবে মুজিবময়।



একুশে ফেব্রুয়ারি আজ শুধু মহান শহীদ দিবস হিসেবেই পালিত হচ্ছে না, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের ১৮৮টি দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলো, তারা ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পূর্বে ২১ বছর পর্যন্ত ইতিহাস বিকৃতির চর্চায় লিপ্তদেরকে নানাভাবে প্রণোদনা দিয়ে আসছিলো। তারা ভাষা আন্দোলনের গোড়াপত্তনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাকে গৌণ করে স্বাধীনতাবিরোধী কুখ্যাত এক জামাত নেতাকে মুখ্য করার প্রয়াসে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ইন্ধন দিয়ে আসছিলো। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারে এসেই ইতিহাস বিকৃতিতে ছেদ টানে। ভাষা আন্দোলনে তাঁর পিতার ঐতিহাসিক অবদান বিভিন্ন লেখক তাঁদের বইতে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রামাণ্য দলিলসহ তুলে ধরেন। শুধু তা-ই নয়, শেখ হাসিনা সরকারের দক্ষ এবং আন্তরিক কূটনৈতিক তৎপরতায় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে রফিক, শফিউর, বরকত, সালাম ও জব্বারসহ নাম না জানা শহীদদের আত্মত্যাগের যথার্থ স্বীকৃতি আদায়ে সক্ষম হয়। যে স্বীকৃতির ফলস্বরূপ প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও পালিত হচ্ছে। এটা যে কতো বড় অর্জন ও সাফল্য সেটা বাঙ্ময় করা সত্যিই কঠিন।



মুজিববর্ষের প্রাক্কালে এবার চাঁদপুর জেলা সদরে মহান একুশ উদ্যাপনে গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। অন্যান্য বছর যেখানে চাঁদপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে 'অমর একুশে বইমেলা' হতো ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫ দিন, এবার সেটি করা হয়েছে ৮ দিন। সেজন্যে একুশ উদ্যাপনকে মুজিবময় করার যথেষ্ট সুযোগ তৈরি হয়েছে। চাঁদপুরের জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগসহ স্বাধীনতার সপক্ষের রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠনগুলোও এবারের একুশ উদ্যাপনকে মুজিবময় করলে সেটা যথার্থ হবে বলে আমরা মনে করি।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৬৮১৪
পুরোন সংখ্যা