চাঁদপুর , শুক্রবার ২৪ জানুয়ারি ২০২০, ১০ মাঘ ১৪২৬, ২৭ জমাদউিল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৭-সূরা মুল্ক


৩০ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৬। যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি, উহা কত মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল।


 


 


assets/data_files/web

আমার নিজের সৃষ্টিকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি।


-ফার্গসান্স।


 


 


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


 


ফটো গ্যালারি
শিক্ষা অফিসারদের কেউ কেউ যখন নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত
২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



চাঁদপুর সদর আসনের এমপি ডাঃ দীপু মনি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী পদে সুনামের সাথে অধিষ্ঠিত থাকার পরও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত ক'জন শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি করেও বহাল তবিয়তে অধিষ্ঠিত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এরা স্থানীয় এমপির আশীর্বাদপুষ্ট বলে দাবি করে রাজনৈতিক তদবিরে তাদের অধিষ্ঠান ঠিক রেখেছে বলে শোনা যাচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যান পদে চাঁদপুরের কৃতী সন্তান ইকবাল মাহমুদ সুনামের সাথে দায়িত্বপালন করলেও তাঁর নিজের উপজেলা ফরিদগঞ্জের এ আর মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষা সনদ জালিয়াতিসহ নানা আর্থিক অনিয়ম করেও নির্বিঘ্ন আছেন। কারণ, দুদকে অভিযোগ দায়েরের পর শিক্ষা অফিসারদের মধ্যে যাদেরকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে তারাই হয় তদন্তে কালক্ষেপণ করছেন, নতুবা বিভিন্ন চাপে ও প্রভাবে চুপসে যাচ্ছেন। একই অবস্থা শাহরাস্তির একটি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও। এরই মধ্যে ফরিদগঞ্জের ফিরোজপুর জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। যে অভিযোগের আলোকে ২২ জানুয়ারি তদন্ত অনুষ্ঠিত হবার খবর চাঁদপুর কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে। দেখার অপেক্ষা, এই তদন্ত নিয়ে কী হয়।



দুদক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক কিংবা উপজেলা প্রশাসন যেখান থেকেই কোনো উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসায় সংঘটিত অনিয়মের ব্যাপারে তদন্তের দায়িত্ব কোনো শিক্ষা অফিসারকে দেয়া হয়, সেই অফিসার চাপে-প্রভাবে সাধারণত ঠিক থাকতে পারেন না। তার নৈতিকতা যদি সবল হয়, তাহলে তিনি তদন্ত ঠিকভাবেই করেন এবং রিপোর্টও দেন যথাসময়ে। আর যদি অনৈতিকতায় ভারাক্রান্ত হন তাহলে তদন্তের নামে নাটক করেন, খাম নেন এবং তদন্ত রিপোর্ট দিতে অহেতুক কালক্ষেপণ করেন, যাতে অভিযোগের শিকার প্রধান শিক্ষক বা অন্য কেউ নিজেকে রক্ষা করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন।



আমাদের দেশে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, তদারকি ও জবাবদিহিতাপূর্ণ করার জন্যে জেলা-উপজেলা-বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষা অফিসারগণ নির্দিষ্ট মর্যাদায় নিযুক্ত আছেন। এদের কেউ কেউ এতোটাই দুর্নীতিগ্রস্ত যে, যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রদানদেরকে দুর্নীতি কীভাবে করতে হয় সেটাই তাগিদ দিয়ে শেখান, দুর্নীতি প্রতিহত করা দূরে থাক। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার (এইউইও), যারা এটিইও নামে বহুল পরিচিত, তাদের অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনে গিয়ে ভালোভাবে সব কিছু না দেখে তো প্রধান শিক্ষকদেরকে খাম তথা নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দেয়ার জন্যেই বেশি তাগিদ দেন। আর উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ইউইও), যারা টিইও নামে পরিচিত, তাদের অধিকাংশজন তো সপ্রাবির শিক্ষকদের অনিয়ম নিয়ে ঘুষ খেতে দরকষাকষির জন্যে দালাল নিয়োগ করেন।



বিভিন্ন পর্যায়ে নিযুক্ত শিক্ষা অফিসারদের কেউ কেউ, বলা যায় অধিকাংশজন যখন দুর্নীতিতে ভারাক্রান্ত, তখন তাদেরকে দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্ত করানো ঠিক নয় বলে আমাদের অভিমত। বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও পুরস্কৃত তাদেরকে দিয়ে উক্ত দুর্নীতির তদন্ত করানো উচিত বলে আমরা মনে করি।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৫৯৮৫২
পুরোন সংখ্যা