চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭১-সূরা নূহ্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


১৩। তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করিতে চাহিতেছ না!


১৪। অথচ তিনিই তোমাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছেন পর্যায়ক্রমে,


 


 


assets/data_files/web

সবচেয়ে ছোট আনন্দগুলো সবচেয়ে মধুর।


-ফারকুহার।


 


 


 


পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।


 


ফটো গ্যালারি
বাবুরহাটে সম্ভব, পালবাজারে কেন নয়?
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত বাবুরহাট শুধু চাঁদপুর শহর নয়, চাঁদপুর জেলার অন্যতম প্রসিদ্ধ বাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পাশে বাজারটির মূল অবস্থান হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ বাজারটি বাকি তিন দিকেই বর্ধিত হয়েছে। চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী, আশিকাটি ও কল্যাণপুর ইউনিয়ন অভিমুখী রাস্তাগুলো এই বাবুরহাট বাজার থেকে শুরু হয়েছে। এছাড়া চাঁদপুর থেকে ঢাকা অভিমুখী সংক্ষিপ্ত রাস্তাটিও এই বাবুরহাট বাজারের পূর্ব দিক থেকে শুরু হয়েছে। এই বাজারের পূর্ব-দক্ষিণ দিকে বিসিক শিল্পনগরী ও চাঁদপুর জেলা কারাগার, পশ্চিম-উত্তর দিকে জেলা পরিষদ, পুলিশ লাইন্স ও সরকারি শিশু সদন এবং পশ্চিম-দক্ষিণ দিকে জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় অবস্থিত। এছাড়া স্কুল-কলেজ সহ আরো অনেক উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উল্লেখ করার মতো বিষয় হচ্ছে, বাবুরহাট বাজারকেন্দ্রিক উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। আবার নিকটবর্তী স্থান সমূহে মাদকের বিস্তার ও কিছু দখলদারিত্ব দুঃখজনক। সকল কিছু ছাপিয়ে প্রশংসনীয় বিষয় হচ্ছে, বাবুরহাট বাজারটি একটি নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। সেমতে বলা যায়, বাবুরহাট বাজারটির অভিভাবক আছে।



কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, চাঁদপুর শহরের নূতনবাজার এলাকার সবচে' প্রসিদ্ধ বাজার 'পালবাজার' অভিভাবকহীনভাবে চলছে। ফলে এ বাজারটিতে নেই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, কঙ্ক্ষিত উন্নয়ন, শৃঙ্খলা সহ অনেক কিছুই। অথচ চাঁদপুর পৌরসভা কার্যালয়ের অনতিদূরে এই বাজারটি অবস্থিত। একটা হ-য-ব-র-ল চিত্র নিয়ে বাজারটি অবস্থান করছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংস্থার সাথে মধ্যস্থতা করে এ বাজারটির উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কারো কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা যে যার মতো চলছে এবং যে যার মতো করছে, কোনো জবাবদিহিতা দৃশ্যমান হয় না।



পালবাজারের সামগ্রিক পরিবেশ ক্রেতাবান্ধব করতে অবকাঠামোগত কিছু উন্নয়ন যেমন প্রয়োজন, তেমনি এর ব্যবস্থাপনাগত উন্নয়নও প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব বের করে আনতে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে নির্বাচন দেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মেয়র মহোদয়ের পক্ষ থেকে চাপ কিংবা নির্দেশনা প্রদান বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়েছে বলে শহরের সুধীজন এবং পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন। আমরাও সহমত পোষণ করছি।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭১৪৩২২
পুরোন সংখ্যা