চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর ২০১৯, ২৫ আশ্বিন ১৪২৬, ১০ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্‌কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৭। 'হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত!


২৮। 'আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।


২৯। 'আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।'


 


 


assets/data_files/web

শ্রেষ্ঠ বইগুলি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।


-লর্ড চেস্টারফিল্ড।


 


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
এমন মামলায় ভয় থাকলেও অগৌরব নেই
১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


    ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ভিডিও গেম ও ওয়েবসাইট ইত্যাদি অর্থাৎ ভার্চুয়াল জগতে বেশি ব্যস্ত থাকার কারণে আমাদের তরুণ-কিশোররা পূর্বের ন্যায় প্রতিবাদী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায় না। আবার গ্যাং কালচার, ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসে সংশ্লিষ্টতাসহ বহুমুখী বিপথগামিতার কারণে এই তরুণ-কিশোরদের ভালো কাজের পক্ষে থাকার দৃষ্টান্তও পূর্বের চেয়ে হ্রাস পেয়েছে। আগে এই বয়সী শিক্ষার্থীরা যে কোনো অন্যায় দেখামাত্র যেভাবে ফুঁসে উঠতো, এখন তাদেরকে সেভাবে তেমন দেখা যায় না। নিজের মা ও সহোদররা ইভটিজিংয়ের শিকার হলেও অনেক কিশোর-তরুণ চুপচাপ থাকে, কেউ কেউ তো লুকিয়ে থাকারও চেষ্টা করে। এমন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কিছু কিশোর-তরুণ প্রতিবাদ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এজন্যে তাদেরকে মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। যদিও এমন মামলার আসামী হওয়াতে অগৌরবের কিছু নেই। তবুও গর্ভধারিণী মায়েরা তাদের এই সন্তানদের শিক্ষাজীবন বিপন্ন হবার চিন্তায় ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে মামলা থেকে পরিত্রাণ চেয়েছে।

    গতকাল বুধবার চাঁদপুর কণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় বক্স আইটেমে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে সংবাদ সম্মেলনটির সংবাদ ছাপা হয়। যার শিরোনাম হয়েছে : ‘ফরিদগঞ্জে মিথ্যা মামমায় জড়িত আট শিক্ষার্থীর মায়েদের সংবাদ সম্মেলন, মামলার ভয়ে বিপন্ন ওদের শিক্ষাজীবন, মায়ের সাথে দোকান কর্মচারীর অশ্লীল আচরণের প্রতিবাদ করাই যাদের অপরাধ!’ এ সংবাদে লিখা হয়েছে, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১২নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়নের বিরামপুর বাজারে ব্যবসায়ী তোফায়েল হোসেন তার দোকানে কর্মচারী হিসেবে রেখেছেন তার এক শ্যালক আব্বাছ হাওলাদারকে, যে কিনা একজন ইভটিজার। তার ইভটিজিংয়ের শিকার হন বিরামপুর এলাকার জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী রোশনারা বেগম ও টিটু বেপারীর স্ত্রী নাছরিন আক্তার। এতে প্রতিবাদী হয় তাদের দু সন্তান নাঈম ও রিয়াজসহ ক’জন বন্ধু। তারা সদলবলে গত ১ অক্টোবর প্রতিবাদ করতে গেলেও ইভটিজার আব্বাছ তাদের মারধর করে আটকে রাখে। পরে স্থানীয় যুবক সালাউদ্দিন মিঠু তাদেরকে উদ্ধার করে। কিন্তু দোকানের মালিক তোফায়েল হোসেন উক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তার দোকানে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে-এমন মিথ্যা অভিযোগ এনে গত ৩ অক্টোবর থানায় মামলা দায়ের করেন। শুধু তা-ই নয়, রাজনৈতিক ইন্ধনে এই ব্যবসায়ী ও তার লোকজন এসব শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলছে। এর ফলে এরা পালিয়ে থাকায় কেউ কেউ হালনাগাদ ভোটার তালিকার জন্যে ছবি তুলতে পারছে না, কেউ কেউ অনার্সে ভর্তি হবার আবেদন করতে পারছে না। এতে তাদের শিক্ষাজীবন বলা যায় বিপন্ন।

    আমরা মনে করি, থানায় অনেক মামলাই হয়। কিন্তু মামলার বিষয় সত্য না মিথ্যা সেটা সঠিক তদন্তেই বেরিয়ে আসে। আমরা ফরিদগঞ্জে আট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটির তদন্তের সঠিকতা রক্ষায় সম্মানীয় পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল)-এর পর্যবেক্ষণ ও হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছি। অন্যায়ভাবে কোনো মামলায় যদি এ সকল শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হয়, এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হতে পারে বলে আমাদের ধারণা।  

 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫১৯০৬
পুরোন সংখ্যা