চাঁদপুর, বুধবার ৯ অক্টোবর ২০১৯, ২৪ আশ্বিন ১৪২৬, ৯ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


assets/data_files/web

সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
অনুপ্রবেশকারী ও ভুঁইফোঁড়রা বিপজ্জনক
০৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমরা অনেক দরজা বা ফটকের সামনে কিংবা বিভিন্ন স্থানে লেখা দেখি 'প্রবেশ নিষেধ'। এটা ঠিক নয়। কারণ, প্রবেশ শব্দের অর্থ ঢোকা বা ভিতরে যাওয়া। এই ঢোকা বা ভিতরে যাওয়ার মধ্যে বৈধতা আছে, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অনুমোদন আছে। শুধু 'প্রবেশ নিষেধ' লিখলে যারা এমনটি লিখে তাদেরও নিজের জায়গায় প্রবেশের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। এমনটি যারা বুঝেন, তারা কিন্তু শুধু 'প্রবেশ নিষেধ' না লিখে 'বিনা অনুমতিতে প্রবেশ নিষেধ' লিখেন কিংবা লিখেন 'থামুন, পরিচয় দিন ও প্রবেশ করুন'। কোথাও পূর্ব অবগতি, অবহিতি কিংবা অনুমতি ছাড়া প্রবেশকেই মূলত বলা হয় অনুপ্রবেশ। 'অনুপ্রবেশ'-এর আভিধানিক অর্থ অন্যায়ভাবে প্রবেশ, অনধিকার প্রবেশ। সেজন্যে প্রয়োজনীয় সকল স্থানে 'অনুপ্রবেশ নিষেধ' লিখাটাই উত্তম।



আমাদের দেশে যে কোনো নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার প্রাক্কালে দল পরিবর্তনের এবং যে কোনো দলে যোগদানের হিড়িক লাগে। এ সময় একটি দলে যারা ভিড়ে তারা আদর্শিক চেতনার চেয়ে মনোনয়ন প্রাপ্তির লোভটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। এর ফলে একটি দলে সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে বা প্রবেশ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে আদর্শের ধ্বজা উড্ডীন রেখে অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে, তাদের সাথে নূতনভাবে দলে ভিড়া লোকদের তথা অনুপ্রবেশকারীদের কম-বেশি দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। আবার ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কেউ কেউ দলীয় আদর্শ বিসর্জন দিয়ে নিজের গ্রুপকে শক্তিশালী করার জন্যে এবং অবৈধভাবে অর্থায়ন ও দুর্বৃত্তায়নের প্রয়োজনে দলের মধ্যে নির্বাচন ছাড়াও অন্যান্য উপলক্ষে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বাড়ায়। এমন অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে রয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত ব্যক্তি সম্রাট, জিকে শামীম, ফিরোজ গং। এরা যে একটা দলের জন্যে কতোটা বিপজ্জনক সেটা এখন আর কাউকে বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না।



'ভুঁইফোঁড়' বলতে বোঝায় হঠাৎ গজিয়ে উঠা কোনো কিছু। আমাদের দেশে যখন যে বড় দল ক্ষমতায় গেছে তখন সে দলের কিছু নেতার আশীর্বাদে পদলোভী বা পদবঞ্চিত নেতা-কর্মী কিংবা সুবিধাবাদী ও সুযোগসন্ধানী অনুপ্রবেশকারীরা কিছু স্পর্শকাতর নামে চালায় নানা ভুঁইফোঁড় সংগঠন, যেগুলো মূল দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি পায় না। তবে তদবির বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন সুবিধাপ্রাপ্তি ও সুবিধা আদায়ে দলের মধ্যকার আশীর্বাদ প্রদানকারীদের প্রচ্ছন্ন স্বীকৃতি ও মৌন সমর্থন পায় এবং পেতে থাকে। কোনো কোনো শীর্ষনেতা ও সরকারপ্রধান এ বিষয়টি উপলব্ধি করে দ্রুত কিংবা অনেক বিলম্বে। এতে দল ও সরকারের যতোটুকু ক্ষতি হবার সেটি কিন্তু হয়ে পায়।



সময় এসেছে যে কোনো দলে অনুপ্রবেশকারী ও ভুঁইফোঁড়দের নিয়ে সতর্ক হবার। যারা সরকারে বা ক্ষমতায় আছেন, কেবল তারা সতর্ক হলে এবং অন্যরা হাততালি দিলে চলবে না। সচেতন সকলকেই যার যার অবস্থান থেকে সতর্ক হয়ে অনুপ্রবেশকারী ও ভুঁইফোঁড়দের ঠেকাতে হবে, তাদের প্রতি তীক্ষ্ন নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, সর্ব বিবেচনায় এরা বিপজ্জনক।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৬৪৯৫
পুরোন সংখ্যা