চাঁদপুর, শনিবার ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬, ১৫ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৫। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৭৬। উহারা হেলান দিয়া বসিবে সবুজ তাকিয়ায় ও সুন্দর গালিচার উপরে।


৭৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৭৮। কত মহান তোমার প্রতিপালকের নাম যিনি মহিমময় ও মহানুভব!


 


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


কাহারো উপর অত্যাচার করা হইলে সে যদি সবর করিয়া চুপ থাকিতে পারে, আল্লাহ তাহার সম্মান বৃদ্ধি করিয়া দেন।


 


ফটো গ্যালারি
আনন্দ ও শোকের পর এবার কাটুক আতঙ্ক
১৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সদ্য উদ্যাপিত ঈদুল আযহায় ছোটখাট নাশকতামূলক ঘটনা হয়তো ঘটতে পারে। আল্লাহর অশেষ রহমতে সম্ভাব্য নাশকতাকারীরা পুলিশের জালে ধরা পড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা ব্যতীত অন্য কোনো ধরনের দুর্ঘটনায় ঈদের আনন্দ মস্নান হয়নি। মাঝখানে ছিলো দুদিন। তারপর সারাদেশে উদ্যাপিত হলো জাতীয় শোক দিবস। এ দিবসের সকল কর্মসূচি ভালোয় ভালোয় সম্পন্ন হয়েছে।



ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু কোরবানিদাতারা চামড়ার ন্যায্যমূল্য পাওয়াতো দূরের কথা, অনেকে ক্রেতার অভাবে চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটি চাপা দিয়েছে। অপরদিকে মৌসুমী চামড়া ক্রেতারা আড়তদারের নিকট লোকসান দিয়ে চামড়া বিক্রি করেছে কিংবা মোটেও বিক্রি করতে না পেরে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে বাড়ি চলে গেছে। এভাবে কোরবানির পশুর চামড়াকেন্দ্রিক অসন্তোষ জনমনে খানিকটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর চাইতে জনমনে যে আতঙ্কটি বাসা বেঁধে বসে আছে, সেটি হচ্ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক।



মশা নামক ক্ষুদ্র একটি প্রাণী এই ডেঙ্গু রোগের বাহক। এডিস নামক মশার একটি প্রজাতি ড্রেনসহ অন্যান্য ময়লা-নোংরাযুক্ত পানিতে জন্মায় না। এটি জন্মায় ঘরের কোনো পাত্রে বা আশেপাশে তিনদিনের বেশি জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে। এই মশার মধ্যে যেটি স্ত্রী, সেটিই পেটের ডিমের পুষ্টতার জন্যে মানুষসহ অন্যান্য রক্তবাহী প্রাণীকে কামড়ায় এবং ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব ঘটনায়। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতন থেকে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা উদ্যোগী হয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এই মশার জন্ম-বিস্তার রোধ করা যায়। এজন্যে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হয় পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার। কিন্তু আমাদের দেশের রাজধানীস্থ দুটি সিটি কর্পোরেশন মুখ্য ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হওয়ায় এডিস মশার প্রজনন হয়েছে অবাধ এবং ডেঙ্গুজ্বর হয়ে গেছে অনেকটা মহামারী। বেসরকারি হিসেবে এই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা একশ' অতিক্রম করলেও তথ্য অধিদফতর দাবি করেছে এই সংখ্যা এখনও অর্ধ শত অতিক্রম করেনি। তবে ডেঙ্গুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকসহ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকদের ঈদের ছুটিতেও পালাক্রমে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।



সরকার ডেঙ্গুকে মহামারী হিসেবে ধরে নিয়ে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা না দিলেও ডেঙ্গুকেন্দ্রিক আতঙ্ক বিরাজ করছে দেশের সর্বত্র। মশাকে তুচ্ছ প্রাণী ভেবে একে দমনের বিষয়টিকে সরকার যতোটা সহজ ভাবুক না কেনো কিন্তু এটি যে সহজ প্রাণী নয়, সেটি ইতিহাস থেকেই জানা যায়। এই মশার কারণেই ম্যালেরিয়ার মতো মহামারীতে সারা বিশ্বে লক্ষ-কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই মশার একটিই হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-এর আমলে খোদাদ্রোহী নমরুদের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে তার মৃত্যু ঘটিয়েছে। অতএব, মশা মারতে কামান দাগানোর মতো ঘটনা না ঘটালেও মশার বংশ নির্বংশ করতে সর্বাত্মক কর্মসূচি গ্রহণ করে সারা বছরই সেটি বাস্তবায়নে সরকারকে আন্তরিক থাকতে হবে, প্রয়োজনে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৭৩৮৩৩
পুরোন সংখ্যা