চাঁদপুর, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩২। উহারাই বিরত থাকে গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কার্য হইতে, ছোটখাট অপরাধ করিলেও। তোমার প্রতিপালকের ক্ষমা অপরিসীম ; আল্লাহ তোমাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত, যখন তিনি তোমাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছিলেন মৃত্তিকা হইতে এবং যখন তোমরা মাতৃগর্ভে ভ্রূণরূপে ছিলে। অতএব তোমরা আত্ম-প্রশংসা করিও না, তিনিই সম্যক জানেন মুত্তাকী কে।


 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


ফটো গ্যালারি
আজ আমাদের ইতিহাস গড়ার দিন
১৭ জুন, ২০১৯ ০২:৪৬:১০
প্রিন্টঅ-অ+


আজ ১৭ জুন। এ তারিখটি, এ দিনটি আমাদের জন্যে অনেক বেশি আবেগের। ১৯৯৪ সালের এইদিনে চাঁদপুর জেলাবাসীর বলিষ্ঠ কণ্ঠ হিসেবে ‘চাঁদপুর কণ্ঠে’র আত্মপ্রকাশ ঘটে। দিনটি ছিল শুক্রবার। মুহুর্মুহু বজ্রপাতে বিপজ্জনক বর্ষণমুখর রাতের অবসান শেষে দেখা মিলে এমন এক আষাঢ়ে সকালের, যাতে ছিলো প্রত্যাশিত রোদের ঝিলিক। মনে হলো কোনো কিছু প্রাপ্তির জন্যে অপেক্ষার যন্ত্রণা শেষে রোদের উজ্জ্বলতায় প্রকৃতি প্রাণ খুলে হাসছে। তৎকালীন ২৪ লক্ষাধিক জেলাবাসীর জন্যে এই প্রাপ্তি ছিলো ‘চাঁদপুর কণ্ঠে’র রাজসিক আবির্ভাব।

    কোনোরূপ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে নয়, চাঁদপুর জেলায় শতাব্দীর সেরা সন্তান হিসেবে স্বীকৃত ‘সওগাত’ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘চাঁদপুর কণ্ঠে’র যাত্রা। এই যাত্রা যে হবে অবিরাম, নিরবচ্ছিন্ন সেটা সেদিন আন্দাজও করা যায়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এবং নিরপেক্ষ সম্পাদকীয় নীতিতে মানুষের স্বার্থের অনুকূলে চললে একটি সংবাদপত্র যে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে দীর্ঘস্থায়িত্ব লাভ করে, ‘চাঁদপুর কণ্ঠে’র পঁচিশ বছরপূর্তির মধ্য দিয়ে আজ যেনো তার প্রমাণ মিললো।

    কোনোরূপ রাজনৈতিক সমর্থনে নয়, অবৈধ উপার্জনের ভিতে দাঁড়িয়ে নয়, পাঠকের কাছে ২-৩ টাকায় পত্রিকা বিক্রি করে কচ্ছপ গতিতে কোনোরূপ বিরতি ছাড়াই ‘চাঁদপুর কণ্ঠ’ তার প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছে। নিয়মিত প্রকাশনাকে যে সকল শ্রেণীর পাঠক আন্তরিকভাবে গ্রহণ করে সেটা পঁচিশ বছরপূর্তির প্রাক্কালে অধিকাংশ পাঠকের ব্যক্ত করা অনুভূতিতে প্রমাণিত হয়েছে। সাথে সাথে ‘বস্তুনিষ্ঠতাই আমাদের মূলনীতি, পাঠকপ্রিয়তাই আমাদের মূলধন’ শ্লোগানটির সত্যতার প্রতিফলন ঘটেছে।

    সাপ্তাহিক হিসেবে ‘চাঁদপুর কণ্ঠে’র যাত্রার ৪ বছর  ৫ মাস ২৯ দিনের মাথায় ১৯৯৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে দৈনিক হিসেবে নবযাত্রাতেই সৃষ্টি হয় এক ইতিহাস। কারণ, এর আগে চাঁদপুরের কোনো ধরনের পত্রিকাই ‘পিরিওডিসিটি অ্যাক্টে’ দৈনিকে রূপান্তরিত হতে পারেনি। একমাত্র ‘চাঁদপুর কণ্ঠ’ই সেটি পেরেছে এবং জেলাবাসীর প্রথম দৈনিক মুখপত্র হবার মর্যাদা অর্জন করেছে। তারপর ২০ বছর ৬ মাস ১ দিনের অবিরাম পথচলায় আজ আরেকটি ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে এবং সেটি হচ্ছে পঁচিশ বছরপূর্তি।

ইতিহাস গড়ার এইদিনে আমরা প্রথমেই মহান ¯্রষ্টার নিকট কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই এবং সাথে সাথে পাঠকদের নিকট অপরিশোধ্য ঋণে আবদ্ধ থাকার সরল স্বীকারোক্তি করতে চাই। এই ঋণের দায়ে বিন¤্র চিত্তে এমন অঙ্গীকার করতে চাই যে, পাঠকের প্রত্যাশা পূরণে যা যা করণীয় আমরা ক্রমশ তার সবটুকুনই করার সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাবো। তবে এজন্যে তাদের দোয়া-আশীর্বাদ এবং কাক্সিক্ষত সহযোগিতা কামনা করছি নিরন্তর।

 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৮৮৯১
পুরোন সংখ্যা