ঢাকা। রোববার ২০ জানুয়ারি ২০১৯। ৭ মাঘ ১৪২৫। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, কিংবদন্তীতুল্য সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ এম এ গফুর আর বেঁচে নেই। আজ ভোর ৪টায় ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।বাদ জুমা পৌর ঈদগাহে জানাজা শেষে বাসস্ট্যান্ড গোর-এ-গরিবা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৬-সূরা আহ্কাফ

৩৫ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী১। হা মীম।

২। এই কিতাব পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর নিকট হইতে অবতীর্ণ;

৩। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুই আমি যথাযথভাবে নির্দিষ্টকালের জন্য সৃষ্টি করিয়াছি। কিন্তু কাফিররা, উহাদিগকে যে বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছে তাহা হইতে মুখ ফিরাইয়া লয়।

 


assets/data_files/web

যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও। -টেনিসন।


 


 


যারা ধনী কিংবা সবকালয়, তাদের ভিক্ষা করা অনুচিত।


 


 


ফটো গ্যালারি
সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রসঙ্গ
২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের জেলা ও উপজেলা সদরে সরকারি হাসপাতালে রোগীরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকাটা উদ্বেগজনক। আরো বেশি উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে যখন চিকিৎসক ও নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। কোথাও দুপক্ষের সংঘর্ষের কারণে সরকারি হাসপাতালে আহতরা ভর্তি হয়েও কখনো কখনো নিরাপদে থাকতে পারে না। কারণ, বিক্ষুব্ধ প্রতিপক্ষ সেখানে এসেও আহত ব্যক্তি/ব্যক্তিদের ওপর হামলা চালাবার চেষ্টা করে। অথচ এ হামলা ঠেকাবার মতো হাসপাতালে থাকে না আনসার বা নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী। ভুল চিকিৎসায় কোনো রোগীর মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ উত্থাপিত হলে বিক্ষুব্ধরা মাঝে মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর হামলা চালাবার চেষ্টা করে কিংবা হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলার মতো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব জনবল না থাকার কারণে রোগীদের মাঝে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে এবং হামলার টার্গেটকৃতরা চরম অসহায়ত্ব বোধ করে। খবর পেয়ে থানার পুলিশ আসার আগেই অঘটন যা ঘটার তা ঘটে যায়, কারোরই আর করার কিছু থাকে না।



সরকারি হাসপাতালে ধনী, উচ্চ মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্তরা চিকিৎসার প্রয়োজনে আসে না বললেই চলে। নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র-হত দরিদ্ররাই সাধারণত তাদের চিকিৎসার প্রয়োজনে আসে। কিন্তু ভিড়ের কারণে এমন রোগীরা পকেটমার ও চোরের কবলে পড়ে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন হারায়। এ যেনো মড়ার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়ায়। রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েও চুরির শিকার হয়। করার কিছুই থাকে না। উপর্যুপরি রোগীরা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকের দালাল দ্বারা প্রতারিত এবং নারীরা উত্ত্যক্তের শিকার হয়। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের প্রকৃত চিত্র এমনই। পকেটমার, চোর, বাটপার, দালাল ও উত্ত্যক্তকারীদের এক অবাধ চারণ ভূমি যেনো এই হাসপাতাল। এখানে বিদ্যমান ন্যায্যমূল্যের ঔষধের দোকানে সুষ্ঠু নিয়মে ঔষধ বিক্রি হয় না, সুযোগ বুঝে কোনো কোনো রোগীর নিকট ঔষধ বিক্রিতে ন্যায্যমূল্য তো দূরের কথা, বাড়তি মূল্যই আদায় করে। এই দোকানের মালিকের দৌরাত্ম্যের কাছে এই হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছোট-বড় সকলেই যেনো জিম্মি।



আমরা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল সহ সকল সরকারি হাসপাতালে রোগী, চিকিৎসক সহ সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী, আনসার/পুলিশ নিয়োগের বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বের সাথে ভেবে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় রোগীরা সরকারি হাসপাতালে গিয়ে রোগের চিকিৎসা পেয়ে শারীরিক স্বস্তি অনুভব করবে, তবে চোরসহ অন্য দুর্বৃত্তদের কারণে মানসিক অস্বস্তিতে ভুগবে-যেটা কক্ষণোই কারো কাম্য নয়।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭০৮৯২৭
পুরোন সংখ্যা