ঢাকা। রোববার ১৩ জানুয়ারি ২০১৯। ৩০ পৌষ ১৪২৫। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী

২৯। এই আমার লিপি, ইহা তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে সত্যভাবে। তোমরা যাহা করিতে তাহা আমি লিপিবদ্ধ করিয়াছিলাম।

৩০। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে দাখিল করিবেন স্বীয় রহমতে। ইহাই মহাসাফল্য

 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


ফটো গ্যালারি
অবৈধ দখলদার শনাক্তে যেনো অবৈধ কাজ না হয়
১৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোঃ বোরহান উদ্দিন চাঁদপুরের রেল এলাকায় অবৈধভাবে কোয়ার্টার দখলকারী ও অবৈধভাবে নির্মিত শত শত স্থাপনার তালিকা প্রণয়নের জন্যে স্থানীয় রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ প্রদান করেছেন। তালিকা অনুযায়ী রেলওয়ের পোষ্য ছাড়া সকল অবৈধ দখলদারকে পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। তিনি গত বুধবার চাঁদপুরে তাঁর পরিদর্শন চলাকালে এ নির্দেশ প্রদান করেন।

ডিআরএম বোরহান উদ্দিনের মতো এমন নির্দেশ অতীতে বহু রেল কর্মকর্তা বহুবার প্রদান করেছেন। কিন্তু অবৈধ দখলদারদের নিকট থেকে সুবিধাভোগী অধস্তন রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারসাজিতে উক্ত নির্দেশ বারবার মাঠে মারা পড়েছে। এ সুবাদে চাঁদপুর রেল এলাকায় অবৈধ দখলদারিত্ব ক্রমশ জোরদার হয়েছে এবং দখলদারদের দৌরাত্ম্য সীমাহীন হয়ে গেছে। এর ফলে বৈধ দখলদাররা অবৈধ দখলদারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। অবৈধ দখলদাররা তাদের দখলদারিত্বের পরিধি শুধু বাড়াচ্ছে না, রীতিমত দখলকৃত জায়গা বিক্রি পর্যন্ত করছে। এ বিষয়টি অবসরপ্রাপ্ত রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও সংক্রমিত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ অবৈধ দখলদারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রেল এলাকার খালি জায়গা অবৈধভাবে দখল করছে, স্থাপনা গড়ছে এবং অর্বাচীন ক্রেতা পেয়ে হয় বিক্রি করছে কিংবা ভাড়া দিচ্ছে। রেলওয়ের ভূমি দেখভালের দায়িত্ব যাদের ওপরে, তারা ঢাল নাই তলোয়ার নাই নিধিরাম সর্দারের মতো। তাই সব কিছু কেবলই দেখছে, কিন্তু প্রতিরোধ গড়তে পারছে না। আবার গোপন চুক্তিতে প্রতিরোধের শক্তি থাকলেও তা প্রয়োগ করছে না।

চাঁদপুরের রেল এলাকার অবৈধ দখলদারের তালিকা প্রণয়নে ডিআরএমের নির্দেশ নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে এই নির্দেশ পালনকারীদের মধ্যে থাকতে হবে অখ- সততা। সরষের মধ্যে ভূত থাকলে সরষে দিয়ে যেমন ভূত তাড়ানো যায় না, তেমনি স্থানীয় রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী বিশেষ করে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সততা না থাকলে ডিআরএমের নির্দেশ অতীতের মতোই পালিত হবে না। এক্ষেত্রে ডিআরএমের তাগিদ ও পুনঃতাগিদ থাকতে হবে। এমন তাগিদে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎপর হবেন। আর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরিতে স্থানীয় প্রভাব, চাপ কিংবা অবৈধ লেনদেনের মুখোমুখি হতে পারেন। এটি বলা যায় আমাদের দেশের গতানুগতিক চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার বিষয়টিও ডিআরএম মহোদয়কে মাথায় রাখতে হবে। অন্যথায় তাঁর নির্দেশ শেষ পর্যন্ত লোক দেখানো ও প্রহসনে পরিণত হতে পারে বলে অভিজ্ঞজন ও পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৯৩৯৭
পুরোন সংখ্যা