চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৯ ভাদ্র ১৪২৫। ২ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৩। তোমাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের এই ধারণাই তোমাদের ধ্বংস এনেছে। ফলে তোমরা হয়েছো ক্ষতিগ্রস্ত।

২৪। এখন তারা ধৈর্যধারণ করলেও জাহান্নামই হবে তাদের আবাস এবং তারা অনুগ্রহ চাইলেও তারা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হবে না।

২৫। আমি তাদের জন্যে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম সহচর যারা তাদের সম্মুখ ও পশ্চাতে যা আছে তা তাদের দৃষ্টিতে শোভন করে দেখিয়েছিল এবং তাদের ব্যাপারেও তাদের পূর্ববর্তী জি¦ন ও মানবদের ন্যায় শাস্তির কথা বাস্তব হয়েছে। তারা তো ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


সব সমস্যার প্রতিকার হচ্ছে ধৈর্য ও চেষ্টা।

-প্লুটাস।


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহ’র শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।



 


ফটো গ্যালারি
টানা ৮ বছর কর্মস্থলে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি!
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


উপজেলা বা থানা সদর থেকে অনেক দূরবর্তী বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ওপর গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বৃহদাংশের স্বাস্থ্য সেবা নির্ভরশীল। কিন্তু জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথ তদারকি, মনিটরিং ও পরিদর্শনের অভাবে প্রান্তিক পর্যায়ের উক্ত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে পারে না। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অধিকাংশ গরহাজিরা, খামখেয়ালিপনাসহ বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করেও নিরাপদ থাকে, নির্বিঘ্ন থাকে। কারণ, এখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কেউ বছরে একবার পরিদর্শনে আসা তো দূরের কথা, পাঁচ বছরে একবার আসার ঘটনাও ঘটে না। সেজন্যে স্বেচ্ছাধীন থেকে স্বেচ্ছাচারিতা প্রদর্শন করাই এসব গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভ্যাসে পরিণত হয়।



হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের শ্রীপুরে অবস্থিত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ষাটের দশকে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এখানে সরকারিভাবে ৪টি পদের বিপরীতে কাগজে-কলমে ১ জন এমবিবিএস ডাক্তার, ১ জন মেডিকেল অ্যাসিস্টেন্ট, ১ জন ফার্মাসিস্ট ও ১ জন এমএলএসএস নিয়োগপ্রাপ্ত আছেন। কিন্তু বাস্তবে 'কাজীর গরু কেতাবে আছে তো গোয়ালে নেই' অবস্থা বিরাজ করছে। এখানে নিয়োগকৃত এমবিবিএস চিকিৎসক টানা ৮ বছর ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন। মেডিকেল এসিস্টেন্ট তাপস চন্দ্র দাস আসেন না অনেকদিন ধরে। নামমাত্র দায়িত্ব পালন করছেন ফার্মাসিস্ট গোপাল দাস আর এমএলএসএস আঃ বারেক। মূলত ফার্মাসিস্টই ডাক্তার সেজে আগত রোগীদেরকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।



হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আনোয়ারুল আজিম জানান, ২০১০ সাল থেকে শ্রীপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া আছে। সেই চিকিৎসকের অনুপস্থিতির ব্যাপারে আমরা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। সেই চিঠির আলোকে মন্ত্রণালয় এই পোস্ট শূন্য দেখালে নূতন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।



শুধু হাজীগঞ্জের শ্রীপুর নয়, চাঁদপুর জেলাসহ বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত অনেক উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জেলা সদর থেকে সিভিল সার্জন এবং উপজেলা সদর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কিংবা তাঁদের অধীনস্থ কর্মকর্তারা যথানিয়মে পরিদর্শনে যান না। আবার কেউ কেউ পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম দেখলেও ম্যানেজ্ড হয়ে যান, আবার কেউ কেউ অফিসে বসে অনিয়মের কথা জানলেও ম্যানেজ্ড হয়ে থাকেন। ডিজিটাল যুগে স্মার্ট ফোনের ব্যবহার করে মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অনেক অনিয়ম দূর করা সম্ভব। কিন্তু সেটি করতেও ঊধ্বর্তন কিছু কর্মকর্তা অবহেলা করেন, অনীহা প্রদর্শন করেন, অপারগতা প্রকাশ করেন, আলস্য দেখান। কথা হলো : এমনটি চলবে আর কতোদিন?



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৭৫৩৪১
পুরোন সংখ্যা