চাঁদপুর। শুক্রবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৭। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৩-সূরা আহ্যাব

৭৩ আয়াত, ৯ রুকু, মাদানী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১২। আর স্মরণ কর, মুনাফিকরা ও যাহাদের অন্তরে ছিল ব্যাধি, তাহারা বলিতেছিল, ‘আল্লাহ এবং তাঁহার রাসূল আমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়াছিলেন তাহা প্রতারণা ব্যতীত কিছুই নহে।’

১৩। আর উহাদের এক দল বলিয়াছিল, ‘হে ইয়াছরিববাসী! এখানে তোমাদের কোন স্থান নাই, তোমরা ফিরিয়া চল’ এবং উহাদের মধ্যে একদল নবীর নিকট অব্যাহতি প্রার্থনা করিয়া বলিতেছিল, আমাদের বাড়িঘর অরক্ষিত; অথচ ওইগুলো অরক্ষিত ছিল না, আসলে পলায়ন করাই ছিল উহাদের উদ্দেশ্য।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


একজন লোকের জ্ঞানের পরিধি তার অভিজ্ঞতা দ্বারা খ-ায়িত করা যায় না।

-জনলক।


যে সব ব্যক্তি নিন্দুক এবং যারা অপমানকারী, তাদের সর্বনাশ, অর্থাৎ তারা কষ্টদায়ক পরিণতি প্রাপ্ত হবে।


আশ্রয়ণ প্রকল্পে উপকারভোগী নির্ধারণ প্রসঙ্গে
০৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৮:৪৮:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+


ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ঋণ প্রদান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা এবং আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যে ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশে ‘আশ্রয়ণ’ প্রকল্পের যাত্রা শুরু। সম্পূর্ণ বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনটি ধাপে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ ধাপ বা ফেজগুলো হচ্ছে : আশ্রয়ণ প্রকল্প (১৯৯৭-২০০২), আশ্রয়ণ প্রকল্প ফেজ-২ (২০০২-২০১০) ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প (২০১০-২০১৭)। এ তিন ধাপে ১ হাজার ৭শ’ ৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ১ লক্ষ ৪০ হাজার ১২৮ টি পরিবারকে পুনর্বাসনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তন্মধ্যে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ৮৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৪,২১৫ টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। বর্ণিত প্রকল্পের সাফল্য ও ধারাবাহিকতায় ২০১০-২০১৭ (সংশোধিত) মেয়াদে ৫০ হাজার গৃহহীন, ছিন্নমূল পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গ্রামাঞ্চলে ব্যারাক হাউজ এবং বিভাগীয় সদর ও রাজউক, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন এলাকা, জেলা ও উপজেলা সদর এবং পৌরসভা এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২শ’ কোটি টাকা।

    বলা দরকার, উদ্দেশ্য এক হলেও আশ্রায়ণ প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামের মধ্যে পার্থক্য আছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পে ব্যারাক হাউজ থাকে এবং প্রতিটি ব্যারাকে ১০টি পরিবার বসবাস করে। গুচ্ছগ্রামে প্রতিটি পরিবারের জন্যে পৃথক পৃথক ঘর থাকে। আশ্রয়ণ ও গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার দেশের সকল গৃহহীন মানুষকে আশ্রয় ও পুনর্বাসনের আওতায় এনে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার মহান লক্ষ্য স্থির করেছে। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে বাছাই করে এসব প্রকল্পের জন্যে উপকারভোগী নির্ধারণ এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের ব্যারাকে ওঠার পরবর্তী তিন মাস ভিজিএফ প্রদান, প্রশিক্ষণ প্রদান, ঋণ প্রদান ইত্যাদি প্রকল্পের প্রধান কার্যাবলি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কিন্তু তারপরও রাজনৈতিক প্রভাবে একটি অসাধু চক্র উপকারভোগী নির্ধারণে চাঁদাবাজি বা অর্থ আদায়ের হীন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে। প্রায়শই গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। যেমনটি গত বুধবার চাঁদপুর কণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে। এ সংবাদটির শিরোনাম হয়েছে ‘মতলব উত্তরের গাজীপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর বরাদ্দে অনিয়ম ॥ ঘর বরাদ্দ না দেয়ার নির্দেশসহ ঘর তালাবদ্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন’।

    চাঁদপুর কণ্ঠের উক্ত সংবাদটিতে লিখা হয়েছে, গাজীপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর বরাদ্দ পেতে আগ্রহীদের প্রতিজন থেকে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা করে নিয়েছে প্রভাবশালী মহল। অভিযোগ পেয়ে মতলব উত্তরের ইউএনও শারমিন আক্তার সরজমিনে আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে যান এবং ঘর বরাদ্দ না দেয়ার নির্দেশসহ ঘর তালাবদ্ধ করে চাবি নিজ হেফাজতে নিয়ে আসেন। আমরা তাৎক্ষণিক এ উদ্যোগ নেয়ার জন্যে ইউএনওকে ধন্যবাদ জানাই। সাথে সাথে এই প্রকল্পে চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অনিয়মের সাথে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি (যদি থাকে)সহ

সরকারি-বেসরকারি লোকদের চিহ্নিত করে তাদেরকে সতর্ক বা শায়েস্তা করার এবং গৃহীত চাঁদা ফেরৎদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানাই।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৫২৫৫৮
পুরোন সংখ্যা