চাঁদপুর। রোববার ১৩ মার্চ ২০১৬। ৩০ ফাল্গুন ১৪২২। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে লোহাগড়ের অত্যাচারী জমিদার বনাম সকদিরামপুরের জনকল্যাণমুখী জমিদার এবং তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি
জিয়াউর রহমান বেলাল
১৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

বিশ্ব ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় উপ-মহাদেশের আধুনিক যুগের ঐতিহাসিক পরিক্রমায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনামলে গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন। এই 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে এই উপ-মহাদেশে 'জমিদারি প্রথা' চালু হয়। যদিও মধ্য যুগের 'জমিদারি প্রথা' এবং আধুনিক যুগের 'জমিদারি প্রথা'র মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে। গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ ইংল্যান্ডে অভিজাত জমিদার পরিবারের সদস্য ছিলেন। তিনি সুষ্ঠু ভূমি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এবং তৎকালীন সরকারের সুনির্দিষ্ট রাজস্ব আয়ের উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডের অনুরূপ একটি অভিজাত জমিদার শ্রেণি বাংলায় গড়ে তোলার জন্য 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন। 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত'র মাধ্যমে সৃষ্ট অভিজাত জমিদার শ্রেণি বাংলার অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন।

এক্ষেত্রে বৃটিশ শাসনকে ধরে রাখার জন্যে বেশির ভাগ জমিদারকেই শাসন ও শোষণের উদ্দেশ্যে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেশপ্রেমিক ভালো জমিদারও ছিলেন। সে সময়কার সাবেক চাঁদপুর পরগণার অধীন ফরিদগঞ্জ সার্কেলের লোহাগড় এবং সকদিরামপুরে অবস্থিত পাশাপাশি দু'জন জমিদারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বর্ণনা করছি। এদের মধ্যে লোহাগড় নামক স্থানের জমিদার মানিক সাহা ও রূপক সাহা তারা উভয়েই সহোদর দু'ভাই। ইতিহাসের কালের পরিক্রমায় অত্যাচারী জমিদার হিসেবেই তারা সাধারণ মানুষের কাছে আজও ঘৃণিত ও নিন্দিত । তারা ছিল প্রচুর অর্থশালী। বিশালাকার জমিদার বাড়ি, একটি নাটমন্দির ও একটি গুপ্তগুহা (আন্ধার মানিক) সহ একুশটি দ্বার এই বাড়িটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল। তাদের অর্থের এতই প্রাচুর্য ছিল যে, বৃটিশ সাম্রাজ্যের সময় ডাকাতিয়া নদীর দু'পাড় মুদ্রার সাহায্যে বেঁধে দেয়ার জন্য দম্ভোক্তি করেছিলো। ইতিহাসে অত্যাচারী জমিদার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত মানিক সাহা ও রূপক সাহা ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে সাতটি সুউচ্চ স্তম্ভ নির্মাণ করেছিলো। সুউচ্চ স্তম্ভের ওপর একটি স্বর্ণের কুলা ও পতাকা স্থাপন করেন। তাদের অর্থের গরমের অসংখ্য অত্যাচারের ইতিহাসের মধ্যে মাত্র দুটি অত্যাচারের উদাহরণ আমি নিম্নে তুলে ধরছি।

এলাকায় আজও বহুল প্রচলিত আছে যে, সেই সময় তাদের গর্ভধারিণী মাতা আম ও দুধ খাওয়ার জন্য তাদের (জমিদার মানিক সাহা ও রূপক সাহা) কাছে বাসনা জানান। মায়ের সেই ইচ্ছা পূরণে তারা তাদের বাড়ির কাছে বিশালাকৃতির একটি পুকুর খনন করে ঢোল সহরতের মাধ্যমে এলাকার সকল আম ও দুধ বিক্রি বন্ধ করে দিয়ে পুকুরে ফেলার জন্যে নির্দেশ প্রদান করে। গ্রামবাসী ভয়ে তাদের সকল আম ও দুধ উক্ত পুকুরে নিক্ষেপ করতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে তারা তাদের মা'কে পুকুর পাড়ে নিয়ে 'কত আম ও দুধ খাবে!' বলে পুকুরে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। ওই আম ও দুধের পুকুরে তাদের সামনেই তাদের মায়ের করুণ মৃত্যু ঘটে। এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত গ্রামবাসীর চোখে পানি এলেও অত্যাচারী জমিদার মানিক সাহা ও রূপক সাহা অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।

এছাড়া তারা দুভাই প্রায়শঃই ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে বসে থাকতো। সেই সময় গহনা নৌকায় যাওয়া নারীদের জোরপূর্বক ধরে এনে দুভাই অত্যাচার করতো। এমনি একটি গহনা নৌকা থেকে গর্ভবতী মহিলাকে ধরে এনে তারা তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক ভাই বলে, 'ওর পেটে ছেলে আছে' এবং আরেক ভাই বলে, 'ওর পেটে মেয়ে রয়েছে'। এমতাবস্থায় তারা উভয়েই বলে, 'মেয়েটির পেট ফেড়ে দেখি-ছেলে না মেয়ে'। তৎক্ষণাৎ গর্ভবতীর মেয়েটির পেট ফাড়া হয় এবং এক ভাই জয়ী হয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ে। এ ধরনের অজস্র নির্মম অত্যাচারের ইতিহাস রয়েছে তাদের জীবনে। তবে মহান আল্লাহতাআলা'র বিচারে অর্থাৎ নিয়তির নির্মম পরিহাসে তাদের বংশে বাতি জ্বালাবার মতো আজ আর কেউই জীবিত নেই। অবশ্য সেই সময় কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেশপ্রেমিক ভালো জমিদারও ছিলেন।

এবারে আমরা কুল কুল রবে বয়ে যাওয়া ডাকাতিয়া নদীর পাশে অবস্থিত সুশাসন ও জনকল্যাণমুখী জমিদার মরহুম আরমান গাজী পাটওয়ারীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। বঙ্গীয় প্রজাস্বত্বের আদি ইতিহাস অনুযায়ী, সাবেক চাঁদপুর পরগণার অধীন ফরিদগঞ্জ সার্কেলে অবস্থিত সকদিরামপুরের জমিদার মরহুম আরমান গাজী পাটওয়ারী মুর্শিদাবাদের জমিদারের একজন একনিষ্ঠ নায়েব ছিলেন। তাঁর পূর্ব পুরুষ ধর্মীয় যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ায় তিনি 'গাজী' উপাধিতে ভূষিত হন। পরে ওই জমিদারের সাথে মতপার্থক্য দেখা দেয়ায় অষ্টাদশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে তিনি কোলকাতায় কালেক্টরেট হিসেবে সূর্যাস্ত আইনের আওতায় সর্বোচ্চ নিলামকারী হয়ে তৎকালীন ত্রিপুরা জেলার চাঁদপুর পরগণার ফরিদগঞ্জ সার্কেলের সকদিরামপুর ৩নং ডিক্রির জমিদারি ক্রয় করে পাট্টা কবুলিয়ত প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেন এবং তৎকালীন বৃটিশ সরকার কর্তৃক 'পাটওয়ারী' উপাধিতে বিশেষভাবে ভূষিত হন। তিনি ছিলেন বৃটিশ সরকারের বড় লাট লর্ড মাউন্টের কোষাগারে অত্র এলাকার প্রজাদের সমুদয় খাজনাদি সরাসরি প্রদানকারী জমিদার।

উল্লেখ্য, এই বংশের জমিদারির নেতৃত্ব প্রদানকারী পরবর্তী প্রজন্মরা কোলকাতায় বড় লাটের ডাকা প্রিবি কাউন্সিলে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে অত্র এলাকার প্রজাদের স্বার্থ নিয়ে তথা তাঁদের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে আলোচনা করতেন। ১৯৫৪ সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করায় তা প্রজাবিলিতে চলে যায়। জমিদার মরহুম আরমান গাজী পাটওয়ারী দখলীয় বিশাল খাস জমিতে মিঠা পানির আধার হিসেবে অত্র এলাকার প্রজাদের পানির সমস্যা সমাধানের বৃহত্তর স্বার্থে বিশাল আকৃতির ২৭টি পুকুর খনন করেন।

তিনি কোলকাতা থেকে জমিদারি ক্রয় করে নিজ এলাকা ফরিদগঞ্জের সকদিরামপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের উদ্দেশ্যে আসেন। তিনি অত্র এলাকার হিন্দু প্রজাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তথা নিয়মিত ধর্মকর্ম করার জন্য দেইচর মৌজায় ২৯ শতাংশ সম্পত্তি নাট মন্দির স্থাপনের জন্য দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে দান করেন। এই বংশের পূর্ব পুরুষদের জমিদারির রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস ও ঐতিহ্য ছিল কৃষি ও পাট ব্যবসা। এছাড়া তৎকালে তাঁদের সুখ্যাতির মানদ- ছিল হাতী, ঘোড়া, গাদা বন্দুক পরিচালনা, শিক্ষা বিস্তার এবং প্রজাদের আন্তরিক ও অকুন্ঠ সমর্থন। বাঘ মারা, পাখি শিকার ও উৎসব অনুষ্ঠানে ফাঁকা আওয়াজ দেয়ার জন্য তাঁরা তাঁদের ঐতিহ্যের নিদর্শন স্বরূপ গাদা বন্দুক ব্যবহার করতেন। বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর সাথে তাঁদের পাট ব্যবসা ছিল স্থানীয় চান্দ্রা বাজার থেকে কোলকাতার বেলিয়া ঘাট পর্যন্ত। এই বংশের পূর্ব পুরুষরা ডেভিট কোম্পানীর বিশ্বস্ত এজেন্টও ছিলেন। চান্দ্রা বাজারের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত ছিল ডাকাতিয়া নদী এবং দক্ষিণ পাশ দিয়ে ভরাডোলের খাল। বর্ষাকালে এই খাল জলযান চলাচলে খুব ব্যস্ত থাকতো। ঊনবিংশ শতাব্দীর ঊষালগ্নে অত্র এলাকায় শিক্ষার আলো বিস্তারের মহান লক্ষ্যে স্থাপন করা ঐতিহ্যবাহী চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মসজিদ এবং সামাদিয়া মাদ্রাসা ইতিহাসের কালের সাক্ষী হিসেবে সকলকে জানান দিয়ে চলেছে। প্রকৃতির নয়নাভিরাম পরিবেশে স্থাপিত এসব ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দৃষ্টি নন্দন আকর্ষণের মাধ্যমে আজও সকলের মন জুড়ায়। এছাড়া এই বংশের পূর্ব পুরুষরা সকদিরামপুর বড় পাটওয়ারী বাড়ি সংলগ্ন ঈদগাহ্ ময়দান স্থাপন, নদীপথে যাতায়াত, এলাকার কৃষক ভাইদের কৃষি উন্নয়নে পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধার জন্য সকদিরামপুর বড় পাটওয়ারী বাড়ির সামনে থেকে ডাকাতিয়া নদী পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার খাল খনন, আষ্টা থেকে গল্লাক পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ, বাড়ির সামনের অংশে কর্মচারী ও পথচারীদের বিশ্রাম ও থাকা-খাওয়ার সুবিধার জন্য দুটি সরাইখানা ও একটি কাচারী, ইমাম ও মোয়াজ্জেনের জন্য একটি এবং জমিদারি পরিচালনা করার জন্য পশ্চিম দিকের বাংলো নির্মাণ করেন।

জমিদার মরহুম আরমান গাজী পাটওয়ারীর জনহিতকর কাজের ধারাবাহিকতার ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধরে রেখেছে তাঁরই পরবর্তী প্রজন্মের সুযোগ্য উত্তরসূরিরা। শিক্ষা-দীক্ষা, দেশে-বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্মানজনক চাকুরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে তাঁদের জুড়ি মেলা ভার। এই বংশের সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে জনাব মোঃ মাকসুদুর রহমান পাটওয়ারী তাঁর কর্মদক্ষতায় সততা ও নিষ্ঠা দিয়ে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের পদ অলঙ্কৃত করে চলেছেন। সেই সাথে অদম্য সেবার মানসিকতা নিয়ে এই বংশের আরও একজন সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ মেধা-যোগ্যতার পরীক্ষা বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসে উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসনে যোগদান করেছেন। এছাড়া এই জমিদার বংশের সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে কবির পাটওয়ারী, ফাতেমা বেগম স্বপ্নাসহ তাঁদের পরিবারের বেশ ক'জন সদস্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। এঁদের মধ্যে কবির পাটওয়ারী সুদূর আমেরিকায় একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তাঁকে দেশে-বিদেশে অধিকতর জনহিতকর কাজে আন্তরিকভাবে উৎসাহ-অনুপ্রেরণা যুগিয়ে চলেছেন তাঁরই সহধর্মিণী মিসেস কবির পাটওয়ারী। কবির পাটওয়ারীর অত্র এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজের মধ্যে বিগত বছরগুলোতে এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ইউনিফর্ম প্রদান, এলাকার দরিদ্রদের মাঝে কম্বলসহ শীতবস্ত্র, রিক্সা, সেলাই মেশিন, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধপত্র বিতরণ সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া সকদিরামপুর বড় পাটওয়ারী বাড়ির প্রবেশমুখে মনোমুগ্ধকর বিরাট গেইট, পারিবারিক কবরস্থান পাকাকরণ, অত্যাধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন কাচারী ঘর নির্মাণসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে। সেই সাথে বাড়ির নয়নাভিরাম ও শৈল্পিক কারুকার্য খচিত মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে এবং প্রতি বছর বাড়িতে প্রজন্ম মিলন মেলার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তাঁর সিংহভাগ আন্তরিক সহযোগিতার অবদান অবশ্যই অনস্বীকার্য। একই সাথে দিলরুবা রত্না, দিল আফরোজ নার্গিসসহ বাড়ির ছোট-বড় নারী-পুরুষ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং ঐতিহ্যবাহী পাটওয়ারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গৃহীত বিভিন্ন গঠনমূলক কর্মসূচিও এখানে বিশেষভাবে প্রাণিধানযোগ্য।

লেখক পরিচিতি:

জিয়াউর রহমান বেলাল

সিনিয়র সাংবাদিক, কলাম লেখক, গবেষক, সংগঠক, মানবাধিকার কর্মী।

হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২২-সূরা : হাজ্জ

৭৮ আয়াত, ১০ রুকু, মাদানী

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৬৮। উহারা যদি তোমার সহিত বিত-া করে তবে বলিও, ‘তোমরা যাহা কর সে সম্বন্ধে আল্লাহ্ সম্যক অবহিত।’

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


সংগীতের ভাষাই সকল মানুষের ভাষা।

- লং ফেলো।


যার হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ অহঙ্কার আছে সে কখনো বেহেস্তে প্রবেশ করতে পারবে না।


-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৬,৪৪,৪৩৯ ১৩,২১,৯৪,৪৪৭
সুস্থ ৫,৫৫,৪১৪ ১০,৬৪,২৬,৮২২
মৃত্যু ৯,৩১৮ ২৮,৬৯,৩৬৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩১৩০৭৪
পুরোন সংখ্যা