চাঁদপুর, শুক্রবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২ ভাদ্র ১৪২৬, ৬ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • শাহরাস্তিতে ডাকাতি মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৫। তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি তো পরীক্ষা বিশেষ; আর আল্লাহ, তাঁহারই নিকট রহিয়াছে মহাপুরস্কার।


১৬। তোমরা আল্লাহকে যথাসাধ্য ভয় কর, এবং শোন, আনুগত্য কর ও ব্যয় কর তোমাদের নিজেদেরই কল্যাণের জন্য; যাহারা অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত তাহারাই সফল কাম।


 


 


 


assets/data_files/web

সাহসহীন কোনো ব্যক্তিই সাফল্য অর্জন করতে পারে না।


-কাও ন্যাল গিবন।


 


 


 


 


 


নিরপেক্ষ লোকের দোয়া সহজে কবুল হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
আমার প্রিয়জন
নাজমুল হোসেন
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পিনপতন নিরবতা, চারিদিকেই শুনসান। আমি হাঁটছি তো হাঁটছি। আমাকে সঙ্গ দিচ্ছে শহরের রাস্তার পাশে জ্বালানো সোডিয়ামের লাইটগুলো। কী করব আমি? কোন পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একধরনের মানসিক অশান্তি আমাকে ঘিরে ধরেছিল। আমি কতবার যে গুমরে গুমরে কেঁদেছি তা গণনা করা হয়নি। আমার জীবন চলা পাল্টে গিয়েছিল। একটা অশুভ ছায়া আমাকে ঘিরে ধরেছিল। সেই মুহূর্তে আমি আমার একজন বন্ধুকে সব বলেছিলাম। কিন্তু কেউ বুঝেনি। সবাই হাসি ঠাট্টাতে মত্ত ছিল। আমার জীবন চলার পথে নেমে এল এক ঘন কালো অন্ধকার। কেউ বুঝেনি আমাকে। শুধু একজনই বুঝেছিল, যে বারবার আমাকে জিজ্ঞেস করত। আমার জন্য যার মুখ শুকিয়ে গিয়েছিল। বাসার চার দেয়ালের মাঝে যার প্রতিটা নিঃশ্বাস আমাকে জানার জন্য পায়চারি করত। কিন্তু আমি তখনো বুঝিনি। সে এদিক সেদিক ছুটে বেড়াতো। বারবার আমার কাছে ব্যর্থ জানার চেষ্টা করতো। কিন্তু এতই ভেঙে গিয়েছিলাম সেই বন্ধুকে সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারি নি। যে বন্ধু আমার দুর্দিনে নিকষ কালো অন্ধকারে পবিত্র একটা জায়গায় বসে অশ্রু ঝরিয়েছে। হ্যাঁ সেই বন্ধু আমার সেরা বান্ধবী যাকে আমি ভাবি আমার হার্ট যে আমার ভালোবাসা আমার চরম প্রিয়জন। যাকে ছাড়া এক মুহূর্ত খুব অসহায় লাগে সে আমার জান্নাত। সেই আমার প্রিয় মা।



১০৪ ডিগ্রি জ্বর। জীবনে আর কখনো এত জ্বর একসাথে উঠে নি। শুয়ে আছি চার দেয়ালের মাঝে ছোট্ট একটি বিছানায়। আমার জন্য পুরো সেবা শুশ্রুষা চলছে। কোনো ঘাটতি নেই। মোটামুটি আমার জন্য আলিশান একটা ঘর। খাবার দাবারেরও কমতি নেই। এতকিছুর পরেও কিসের যেন একটা শূন্যতা আমার মনে ভর করছিল। যা আমাকে এই আলিশান চার দেয়াল থেকে বের হয়ে গাঁয়ের ভাঙ্গা ঘরে আসার জন্য তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু জীবনের নদীস্রোতে একধরনের দুর্বলতা আমাকে বের হতে দেয় নি। বারবার কিসের যেন অভাব হচ্ছিল যে সবচেয়ে বড় ডাক্তার। যার কাছে এমবিবিএস রা ফেল করবেই। হ্যাঁ সেই আমার প্রিয়জন আমার মা।



বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই পৃথিবীর সেরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক, সেরা বিজ্ঞানী সবার প্রিয়জন ভালোবাসার মানুষ প্রিয় মা কে।



ভালো থাকুক সুস্থ থাকুক তারা।



মা.মা..মা...



প্রভুর দান



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮২১৯৩৫
পুরোন সংখ্যা