চাঁদপুর, শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি সাদা কাকের মতোই দুর্লভ। -জুভেনাল।


 


 


মানুষ যে সমস্ত পাপ করে আল্লাহতায়ালা তার কতকগুলো মাপ করে থাকেন, কিন্তু যে ব্যক্তি মাতা-পিতার অবাধ্যতাপূর্ণ আচরণ করে, তার পাপ কখনো ক্ষমা করেন না।


 


 


ফটো গ্যালারি
ধোপা ও তার পুত্র
ওয়ারিয়া বিনতে কামরুল
২৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এক দেশে এক গরিব ধোপা ছিলেন। প্রতিদিন তিনি নদীর তীরে মানুষের কাপড় চোপড় ধুতে যেতেন। গরিব হওয়ার কারণে ছেলেকে স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য ছিলো না। এজন্যে ছেলেকে সঙ্গে নিয়েই নদীর পাড়ে যেতেন। এক দিন ধোপা নদীর পানিতে কাপড় ধুচ্ছিলেন। এমন সময় ছেলেটি নদীতে সাঁতার কেটে সময় কাটাতে চাইলো। তাকে সাঁতার কাটতে অনুমতি দেয়ার জন্যে বাবাকে বারবার অনুরোধ করতে লাগলো। কিন্তু ধোপা তাকে সাঁতার কাটতে দিলো না, কারণ নদীর স্রোত ছিল খুব প্রবল। কিন্তু ছেলেটি খুব দুষ্টু। বারবার সাঁতার কাটার অনুমতির জন্যে বাবাকে পীড়াপীড়ি করতে লাগল। এক সময় ছেলের পীড়াপীড়িতে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকটা বাধ্য হয়ে অনুমতি দিলেন। তবে নদীর পাড় ঘেঁষে সাঁতার কাটার শর্ত জুড়ে দিলেন। অনুমতি পেয়ে ছেলেটি বেজায় খুশি হলো। সে নদীর পানি ছিটাতে লাগল। কিন্তু আস্তে আস্তে সে তীর থেকে দূরে যেতে লাগলো। বড় বড় স্রোতের কারণে সে সাঁতার কাটতে পারছিল না, ভয়ে চিৎকার করতে লাগল ছেলেটি। ছেলের চিৎকার শুনে ধোপা নদীর পানিতে ঝাঁপ দিলেন ছেলেকে বাঁচানোর জন্যে। নদীর স্রোত বড় হলেও ধোপা ছিলেন ভালো সাঁতারু। তাই স্রোত বড় হওয়া সত্ত্বেও খুব তাড়াতাড়িই ছেলের কাছে পেঁৗছাতে পারলেন। তারপর ছেলেকে ধরে নদীর তীরের দিকে আসতে লাগলেন। যখন তারা নদীর তীরে পেঁৗছালেন তখন স্বস্তির কান্না শুরু করে দিলো ছেলেটি। এরপর সুস্থির হয়ে ছেলেটি প্রতিজ্ঞা করলো, আর কখনোই সে বাবার কথা অমান্য করবে না।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬৩৫২৫
পুরোন সংখ্যা