চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ৮ আগস্ট ২০১৯, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ৬ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

ভালোবাসার কোনো অর্থ নেই, কোনো পরিমাপ নেই।


-সেন্ট জিরোমি


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
একটি কলমের জন্য
নাজমুল হোসেন
০৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

অাঁকা-বাঁকা পথ। দুই পাশে বড় বড় দিঘি ও খাল-বিল। বিশাল বড় ও সৌন্দর্যের এলাকা সুবর্ণপুর। সুবর্ণপুরে ছিলো খুব বড় একটা বন। গ্রামের চারপাশে বাড়ি-ঘর। তবে বড় এলাকাতো, বাড়ি ঘর থাকা সত্ত্বেও গ্রামটি শান্তিপূর্ণ। গ্রামের মধ্যে মোহাম্মদ আজিজ মিয়া এক কালে খুব ধনী ছিলেন। কিন্তু সমেয়র কারণে আজ তিনি কুলি মজুর। দিন এনে দিন খান। আজিজ মিয়া তার ছেলের নাম দিলেন মাহমুদ হাসান লাবিব। লাবিব খুব সুন্দর ফর্সা। এলাকার মধ্যে যেনো ওর মতো সুন্দর ফর্সা আর কেউই নেই। লাবিব আস্তে আস্তে একটু বড় হয়ে উঠল। তার কণ্ঠটাও খুব সুন্দর ছিলো। তার যখন পাঁচ বছর, গ্রামের দোকানের কাছে মানুষদেরকে গান শুনাতো। তার চরিত্রও ছিলো খুব ভালো। তার মতো এমন ছেলে ৫ গ্রামেও ছিলো না। লাবিবকে তাই গ্রামের লোক ভালোবাসত।

লাবিব এ বছর তার বাবাকে সাথে নিয় স্কুলে ভর্তি হলো। লাবিবের বাবা লাবিবের মতো ছেলে পেয়ে গর্বিত। লাবিবের শুরু হলো পড়াশোনার জীবন। শিক্ষকরা যেদিন যে পড়া দিতো সে পড়াই লাবিব সবার আগে শিখে আসতো। লাবিব ছিলো ক্লাসে শিক্ষকদের সবচেয়ে ভালোবাসার ছাত্র। তার বাবা তার কষ্টের টাকা দিয়ে তাকে লালন পালন করেছেন। পড়ার খরচ দিয়েছেন। লাবিব ক্লাস ওয়ান থেকে পরীক্ষা দিয়ে ক্লাস টুতে উঠলো। তার রোল ০১ হলো। তার পড়াশোনা আরো বেড়ে গেলো। বছরের তিন মাস না যেতেই তার বই পড়া শেষ হয়ে গেলো। স্কুলের পাঠাগার থেকে লাবিব সুন্দর সুন্দর গল্পের বই, সাধারণ জ্ঞানের বই এনে পড়া শুরু করলো। এখন থেকে স্কুলে কোনো প্রতিযোগিতা হলে লাবিব গিয়ে হাজির। একবার সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় লাবিব জেলা পর্যায়ে গিয়ে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছিলো। এতে করে সুবর্ণপুরের সম্মান বেড়ে গেলো। তারপর একবার একটি বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বড় ভাইদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো। কিন্তু এবার আর লাবিব পড়ালেখায় কেমন যেনো অমনোযোগী। পড়ালেখা করছে না। কলমও ঠিকমত নিচ্ছে না। তার বাবা অসুস্থ, কাজে যেতে পারছে না। টাকা পয়সাও নেই। একদিন ক্লাসে স্যার একটি লেখা দিলো। সবাই লিখলো। কিন্তু লাবিব লিখতে পারলো না। লাবিবের এমন অমনোযোগিতা দেখে অনিক স্যার তাকে ধমক দিয়ে বললো, তোমার এমন অমনোযোগিতা থাকলে তুমি পড়ালেখা করতে পারবে না। লাবিবের বাবার অসুস্থতায় লাবিবের ভেঙ্গে পড়াটাই ছিলো দুর্বলতা।

লাবিব ভাবলো, তার বাবা মরে গেলে তার আর কোনোদিন পড়ালেখা হবে না। ছোট মনে নানান ভাবনা। পরের দিন লাবিব কলম নেয় নি। সেটি দেখে স্যার লাবিবকে স্কুল থেকে বের করে দিলো। আর বললো, তোমার লেখা পড়ার কোনো দরকার নেই। অন্যদিকে লাবিবের বাবা বেশি অসুস্থ হয়ে উঠল। লাবিবের বাবার অসুস্থতার জন্যে ঔষধের প্রয়োজন। লাবিবদের ঘরে টাকা-পয়সা নেই। লাবিব স্যারের কথায় অভিমান করে কাজ করতে গেলো ঝালাই মেশিনের দোকানে। দু'দিন লাবিব খুব ভালো কাজ করে টাকা আনলো। কিন্তু আজকে লাবিব কাজ করতে এসে বৈদ্যুতিক শক খেয়ে মারা গেলো। নিভে গেলো একটি ফুল। অনিক স্যারও বুঝলেন না লাবিব কেনো কলম আনে নি। একটি কলমের জন্যে ঝরে গেলো যেনো একটি কচি পাতা।

মেঘের দল

নাজমুল হোসেন

আকাশ কালো ঘুরছে দেখো

ইয়া বড় মেঘের দল

ঝিরি হাওয়া বইছে দেখো

আহা কি নির্মল।

গুঁড়ি গুঁড়ি পানির ফোঁটা

ভিজিয়ে দিচ্ছে মন

বর্ষার সেই মিষ্টি ছোঁয়ায়

আনন্দিত কাশ বন।

জল কনেরা করছে দেখো

উল্লাসে হইচই

নদীর পানি তীরে এসে

করছে যে থইথই।

কবিতা আজ উল্লাসে হাসে

একলা মেঘের দিনে

প্রকৃতিরা এতই বোকা যে

ওরা কবিতাকে চিনে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৫৪৬১০
পুরোন সংখ্যা