চাঁদপুর, বুধবার ৬ নভেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। তোমরা অগ্রণী হও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা ও সেই জান্নাত লাভের প্রয়াসে যাহা প্রশস্ততায় আকাশ ও পৃথিবীর মত, যাহা প্রস্তুত করা হইয়াছে তাহাদের জন্য যাহারা আল্লাহ ও তাঁহার রসূলগণে ঈমান আনে। ইহা আল্লাহর অনুগ্রহ, যাহাকে ইচ্ছা তিনি ইহা দান করেন; আল্লাহ মহাঅনুগ্রহশীল।


 


 


 


 


 


যারা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হতে চায় না, তারা কোনোদিন লাভবান হতে পারে না। -ডেভিড জেফারসন।


 


 


নামাজ হৃদয়ের জ্যোতি, সদকা (বদান্যতা) উহার আলো এবং সবুর উহার উজ্জ্বলতা।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
স্নাতক ছাড়া ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নয়
শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক
০৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করার বিষয়ে শিগগিরই আদেশ জারি হবে। গত বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিকে এ তথ্য জানিয়েছেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন।



 



প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির (এসএমসি) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে সভাপতি প্রার্থীর সন্তানকে অবশ্যই ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হবে বলে স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করেছে বলেও সভায় জানানো হয়েছে। বৈঠকে আরও জানানো হয়, ১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলমান। নব্য জাতীয়করণকৃত স্কুলে এ সব শিক্ষককে পদায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।



 



বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, কমিটির আগের সুপারিশ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে দেশের ৬৪ জেলায় চলমান মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রমের সাথে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে তদারকির মাধ্যমে মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর কমিটির আগের বৈঠকে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কর্মকা- নিয়ে কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি সাব কমিটি গঠন করা হয়। ওই সাব কমিটিকে দেশের চলমান মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রম ও নিকটস্থ প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী রিডিং পড়তে পারে কী না সেই বিষয়ে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।



 



মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের অধীনে দেশের ৬৪ জেলার ১৩৪টি উপজেলার ২১ লাখ শিক্ষার্থীকে সাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করে তোলার কথা রয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর তত্ত্বাবধায়নে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো (এনজিও) এসব শিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করে। বৈঠকে কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার প্রসঙ্গ তোলেন। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চেয়েছেন বলেও সভাপতি এ সময় উল্লেখ করেন। জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সচিব এর সর্বশেষ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, আপতত প্রধান শিক্ষকদের ১১তম আর সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড দেয়া হবে। আমরা নতুন নিয়োগ বিধির সুপারিশ করেছি। ওই নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন হলে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের পদটি ৯ম গ্রেডে উন্নীত হবে। সেটা হলেই আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের স্কেল আপগ্রেড করে ১০ গ্রেড করতে পারবো।



 



প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নন ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বিধি ১৯৮৫ সংশোধনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নতুন বিধিমালায় সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নবম গ্রেড দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এ পদে সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে পদায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিতে উপজেলা শিক্ষা শিক্ষা অফিসারের পদ ৭ম গ্রেড করা হয়েছে। পদটি পুরোপুরি পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বিধিতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পদও আপগ্রেড করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ বিধিমালায় প্রধান শিক্ষককে ১০ম গ্রেড করার প্রস্তাব করা হয়েছে।



 



বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য আলী আজম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল নিয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়ছে এটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিবেচনাধীন আছে। শিগগিরই এর একটা সুরাহা হবে।



এদিকে বৈঠকে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোপূর্বে গঠিত সংসদীয় সাব কমিটির সর্বশেষ কার্যক্রম কমিটিতে তুলে ধরা হয়েছে। জানা গেছে, বৈঠকে সাব কমিটির একাধিক সদস্য মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষাবঞ্চিত ১৫+ বয়সীদের ৬ মাস ব্যাপী শিক্ষাদানের মাধ্যমে নিজের স্বাক্ষর প্রদানসহ সাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন (পত্রিকা পড়া)করে তোলার কথা থাকলেও সেটা আদৌ হচ্ছে না। কাঙ্ক্ষিত ফল লাঘ না হলেও চলমান প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ ইতোমধ্যে ছাড় হয়েছে। বাকি অর্থ ছাড়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।



 



জানা গেছে, সাব কমিটি এসব প্রকল্প এলাকার শিক্ষা কেন্দ্রগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেবে তার আগে অর্থ ছাড় না দেয়ার বিষয়ে বৈঠকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন, মেহের আফরোজ, নজরুল ইসলাম বাবু, ইসমাত আরা সাদেক প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪৯৫৫১
পুরোন সংখ্যা