চাঁদপুর, বুধবার ৯ অক্টোবর ২০১৯, ২৪ আশ্বিন ১৪২৬, ৯ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


assets/data_files/web

সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
এ আমার আজন্মের ঋণ
রতন কুমার মজুমদার
০৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমার মতো সৌভাগ্যবান আর কজন আছে। ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর ডাঃ দীপু মনি আপা আমার উপর এক গুরুদায়িত্ব দিয়েছিলেন পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিয়ে। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন। কিন্তু সময় বহমান। বলতে বলতে তিনটি বছর শেষ হয়ে আজ চতুর্থ বছর শুরু হলো। মনে পড়ে ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর সংসদ ভবনে আপার অফিসে যোগদান করেছিলাম। আমার যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করে তিনি বলেছিলেন, 'কলেজের জন্য এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কাজ করুন'। সেই যে আদেশ দিলেন সেটার কতটুকু মর্যাদা রাখতে পেরেছি জানি না তবে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে। পর মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম কী পরিমাণ বিশ্বাস রেখে তিনি আমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন। ঠিক তিন বছর পর আজকে আপার হাত থেকে একটি অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম। এ এক বিরল সৌভাগ্য আমার।



 



আজকে যে আমার তিনবছর পূর্ণ হয়েছে সেটা আমাকে স্মরণ করে দিয়েছে সহকর্মী হাবিবুর রহমান শুভেচ্ছা জানিয়ে।



 



এই তিনটি বছর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাকে তিনি যেভাবে ছায়ার মতো আগলে রেখেছেন সে ঋণ শোধ করবার নয়। প্রতিনিয়ত নির্দেশনা দিয়েছেন কীভাবে কলেজটির ভালো করা যায়, কীভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, কীভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা যায়। যখনই কলেজের, ছাত্র-ছাত্রীদের, শিক্ষকদের সমস্যা নিয়ে গিয়েছি না চাইতেই যেনো বৃষ্টি পেয়েছি। এমন একজন অভিভাবক পেলে চোখ বুঝে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা যায়। এ আমার জন্মের সৌভাগ্য। এটি আমার কাছে গর্বেরও।



বিগত ১১ বছর পর্যন্ত শিক্ষা নিয়ে অনেক ভাবনা ছিলো আপার। যখনই একট সুযোগ পেতেন তখনই শিক্ষার খুঁটিনাটি বিষয় জানতে চাইতেন। আমরাও সমস্যাগুলো অকপটে বলতাম। আমাদের কি সৌভাগ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপাকেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। বিগত নয় মাসে তিনি যেভাবে শিক্ষা নিয়ে কাজ করছেন তা নিকট অতীতে কোনোদিন হয়েছে কি না জানি না।



 



বিগত তিন বছরে কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং সহকর্মীরা যেভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের কাছেও আমি ঋণী।



 



লেখক : অধ্যক্ষ, পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৩০১৬
পুরোন সংখ্যা