চাঁদপুর, বুধবার ৯ অক্টোবর ২০১৯, ২৪ আশ্বিন ১৪২৬, ৯ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭। কাফিররা ধারণা করে যে, উহারা কখনও পুনরুত্থিত হইবে না। বল, 'নিশ্চয়ই হইবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হইবে। অতঃপর তোমরা যাহা করিতে তোমাদিগকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হইবে। ইহা আল্লাহর পক্ষে সহজ।'


 


 


assets/data_files/web

একজন জ্ঞানী এবং ভালো লোক কখনো হতাশায় ভোগে না।


-ক্যারয়িাস ম্যক্সিমাস।





 


 


যারা ধনী কিংবা সবলকায়, তাদের ভিক্ষা করা অনুচিত।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রিয় গোলাম কবির স্যার
আমিনুল ইসলাম
০৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমি আজীবন ছাত্র। আক্ষরিক অর্থেই 'বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র'। যা পড়ি, যা দেখি, যা শুনি সবকিছু থেকেই আমি কিছু না কিছু শিখি। কিন্তু শেষপর্যন্ত তেমন কিছুই শেখা হয় না। এই বিশ্বম-ল এতো বড় যে একজন মানুষের পক্ষে তার একজীবনে এর কণামাত্র জানাও সম্ভব নয়। সেজন্যেই হয়তো হযরত মুহম্মদ বলেছেন, দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত বিদ্যা অর্জন করো।



এইচএসসিতে আমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিলো বিখ্যাত রাজশাহী কলেজ। সেটা ১৯৭৯-৮০ সাল। রাজশাহী কলেজে ক্লাস করতে এসে কিছুদিনের মধ্যেই দুজন শিক্ষকের ক্লাস-লেকচারে মুগ্ধ হয়ে উঠি। দুজনই বাংলার শিক্ষক। আহাদ আলী মোল্লা স্যার পড়াতেন শরৎচন্দ্রের 'বিলাসী' গল্প এবং 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস। গোলাম কবির স্যার পড়াতেন সৈয়দ মুজতবা আলীর 'বইকেনা' ছোটগল্প, সৈয়দ আলী আহসানের 'আমার পূর্ববাংলা' কবিতা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' নামক ছোটগল্প এবং কবিতা। আজ কয়েকজন শিক্ষকের মধ্য থেকে আমি গোলাম কবির স্যারকেই বেছে নিয়েছি আমার সবেচেয়ে প্রিয় শিক্ষক হিসেবে।



 



আহাদ আলী মোল্লা স্যার 'শ্রীকান্ত' পড়ানোর সময় এতো রস পরিবেশন করতেন, মনে হতো তিনি আখমাড়াইয়ের কল, তাঁর মুখ থেকে বের হয়ে আসছে আখের রস। তাঁর ক্লাস কখন যে শেষ হয়ে আসতো, আমরা টেরই পেতাম না। মনে হতো খেয়ে-না খেয়ে সারাদিন তাঁর বক্তৃতা শোনা যায়। অন্যদিকে গোলাম কবির স্যার হচ্ছেন জ্ঞানের বিশ্বকোষ। তিনি মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস। অতঃপর বাংলা লাইন। ইন্টারমেডিয়েটে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করেন। অতঃপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে অনার্স এবং মাস্টার্স। সব পরীক্ষাতেই সোনালি রেজাল্ট। বাংলা সাহিত্যে তাঁর দুর্দান্ত দখল। একইভাবে তিনি আরবি-ফারসি-উর্দু সাহিত্যেও সুপ-িত। তিনি বাংলা ছাড়াও ইংরেজি, আরবি, উর্দু ভাষায় কথা বলতে পারতেন। তিনি যখন পড়াতেন, তখন সারা দুনিয়া এসে ভর করতো তাঁর উচ্চারণে। তিনি রবীন্দ্রনাথ পড়াতে গিয়ে কালিদাস, ইমরুল কায়েস, মাওলানা রুমী, লালনশাহ প্রমুখদের থেকে উদ্ধৃতি দিতেন। তাঁর মুখস্থ রাখার শক্তি দেখে আমি বিস্মিতবোধ করতাম।



 



তিনি প্রায়শ রবীন্দ্রসঙ্গীত গুণগুণাতেন এবং পড়ানোর সময় রবীন্দ্রসঙ্গীতের লাইন উদ্ধৃত করে বক্তব্যবিষয়কে পরিষ্কার করে দিতেন। উল্লেখ্য, তিনি শুধু রবীন্দ্রসঙ্গীতের গভীর ভক্তই ছিলেন না, একইসাথে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুগায়কও ছিলেন। তিনি যখন রবীন্দ্রনাথের 'হৈমন্তী' ছোটগল্পটি পড়াতেন, আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর কথা শুনতাম। আমাদের জ্ঞান হতো যতোখানি, তার চেয়ে বেশি হতো আনন্দ। তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানপিপাসাকে উষ্কে দিতেন এবং জ্ঞানসমুদ্রের সন্ধান বাতলে দিতেন। সেটা আনন্দের ব্যঞ্জনায় করতেন বলে তা তথ্য প্রদানের নীরস ব্রিফিং না থেকে হয়ে উঠতো সরস ও সফল উদ্বুদ্ধকরণ। তাঁর ক্লাসে কেউ অমনোযোগী হতো না, টু শব্দটি করার তো প্রশ্নই ওঠে না। আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য, স্যার আমাদের মধ্যে প্রগতিশীলতা ও শৈল্পিক সৌন্দর্যের ধারণা এবং বিশেষত রবীন্দ্রপ্রেম সঞ্চারিত করে দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতেন তাঁর ক্লাসের লেকচারের ফাঁকে ফাঁকে। তিনি যতখানি শেখাতেন, তার চেয়ে অনেক বেশি অনুপ্রেরণা জোগাতেন। শিক্ষকতাকে তিনি শুধু চাকরি হিসেবে গ্রহণ করতেন না, আদর্শ প্রতিষ্ঠার ব্রত হিসেবেও দেখতেন।



 



গোলাম কবির স্যার শিক্ষকতাকে কেবল 'চাকরি' হিসেবে দেখতেন না; দেখতেন মানুষ গড়ার মহান কারিগরিত্ব হিসেবে এবং সেভাবেই কাজ করতেন। সেজন্য স্যারকে শ্রদ্ধা ও সমীহ করতো সবাই। তিনি ছিলেন নির্লোভ, নির্ভীক এবং কঠোরভাবে সংযমী চরিত্রের মানুষ। কোনো প্রকার লোভ অথবা প্রলোভের কাছে আত্মসমর্পণ করতেন না। ক্ষমতার মোহ, অর্থলিপ্সা অথবা রমণীঘেঁষা স্বভাব কোনোটাই ছিলো না তাঁর। সাহিত্যঘেঁষা, সঙ্গীতমনস্ক জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠিত মানুষদের অনেকের জীবনেই অন্তত প্রেমঘটিত/যৌনতাবিষয়ক বদনাম রটে। কিন্তু তাঁর জীবনে এসেবের কিছুই রটেনি এবং ঘটেনি। তিনি মোটেও দরবেশেদের মতো জীবনযাপন করতে না; তাঁর মধ্যে কোনো সন্ন্যাস ছিলো না। বরং 'বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়/অসংখ্য বন্ধন মাঝে মহানন্দময়/লভিব মুক্তির স্বাদ'...এমন ছিলো তাঁর জীবনদর্শন। কিন্তু তিনি কখনো ভুলে যেতেন না যে তিনি শিক্ষকতার মতো মহান একটি পেশার সাথে জড়িত এবং কোনো প্রকার কলঙ্কের কালি স্পর্শ করতে পারেনি তাঁর স্বভাবের শুভ্রতা। তিনি জীবনকে উপভোগ করতেন তার সবটুকু স্বাদে ও শুভ্রতায়, মাধুর্যে ও মহত্বে, গন্ধে ও গরিমায়। কিন্তু যেখানে হীনতা, যেখানে নীচতা, যেখানে অগৌরবের মোহ, সেখানে পা দিতেন না কখনোই। একারণেই তাঁর মাথা উঁচু থাকতো সর্বদায়। এখন যখন পত্রিকার পাতায় অথবা ফেসবুকে মাদ্রাসা-হাইস্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কিছু শিক্ষক সম্পর্কে জঘন্য প্রকৃতির খারাপ কাজে জড়িয়ে যাওয়ার খবর দেখি, তখন খুবই কষ্ট হয়।



 



শ্রদ্ধেয় শিক্ষক গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে আমাদের বহুদিনের একটা চাপা ক্ষোভ ছিলো যে তিনি ব্যাপক অভিজ্ঞতা ও অগাধ পা-িত্বের অধিকারী কিন্তু সেই তুলনায় লেখালেখি করেন না। আনন্দের কথা এই যে তিনি চাকরি থেকে অবসরগ্রহণের পর সেই ক্ষতি পূরণ করে দিচ্ছেন। সাহিত্যসমালোচনা, সঙ্গীতবিষয়ক প্রবন্ধ, স্মৃতিচারণ গদ্য ছাড়াও তিনি সংবাদপত্রের জন্য বিভিন্ন আর্টিকেল লিখে চলেছেন। ইতোমধ্যে তাঁর চারটি গবেষণাগ্রন্থ এবং একটি আত্মজীনীমূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে (১) বাংলা কথাসাহিত্যে নজরুল; (২) কালিদাস ইমরুল কায়েস রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য; (৩) রবীন্দ্র অনুভব; (৪) বিচিত্র কথা; এবং (৫) আমার যে দিন ভেসে গেছে। প্রতিটি গ্রন্থই তাঁর গভীর মননশীলতা, মুক্তমন এবং সাহিত্যে বিশ্বপর্যটনের অভিজ্ঞানের অবদানে সমৃদ্ধ।



 



গোলাম কবির স্যার নিজ ছাত্রছাত্রীদের হাইলাইট করে লিখে থাকেন। স্যারের স্মৃতিকথামূলক বইয়ে সেই বিবরণ পাওয়া যায়। তিনি আমার কবিতা নিয়ে ২০১০ সালে একটি চমৎকার প্রবন্ধ লিখেছিলেন যা আমার লেখকজীবনের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। এতো উদারতা কয়জনের থাকে!



 



অধ্যাপক গোলাম কবির আমার বেশি প্রিয় শিক্ষক হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে তাঁর নির্মোহ ও নিরপেক্ষ বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক অবস্থান। তাঁর সমাজচিন্তা গভীর এবং নিবিড়। তিনি চিরদিনই বিশুদ্ধ প্রগতিশীল মানুষ। কোনো ধান্দাবাজিতে ছিলেন না কখনোই। এককথায় তিনি সাদা মনের উচ্চশিক্ষিত মানুষ। রবীন্দ্রনাথ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এই তিনটি হচ্ছে তাঁর সবচেয়ে প্রিয়ভাবনাবিষয়। কিন্তু তবু তাঁর কাছে সবকিছুর ঊধর্ে্ব দেশ ও জাতি। তিনি যখন কথা বলেন, দেশ-জাতির স্বার্থকে সবার ওপরে রেখে কথা বলেন। রাজশাহীতে তাঁর অবসর-উত্তর স্থায়ী বসবাস। সেখানকার প্রায় সকল সাহিত্য-সংস্কৃতিমূলক আয়োজনে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকে। তিনি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন কিন্তু শিক্ষকতার-সৃজনশীলতার-আলোবিতরণের কাজ থেকে এতটুকু অবসর গ্রহণ করেননি। তিনি ভগ্নপ্রায় শরীর নিয়েও অাঁধার রাতের আয়ুক্ষীণ মাটির প্রদীপের মতো আলো বিতরণ করে চলেছেন।



 



গোলাম কবির স্যারের ব্যক্তিত্ব কোমলে-কঠোরে সম্মোহনময়। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের একজন ভালো শিল্পী। রসিকতা তাঁর মজ্জাগত গুণ। তিনি কখনই রাশভারী ভাব নিয়ে চলাফেরা করেন না। হালকা-পাতলা শরীর। মনটাও গতিশীল। তাঁর সাথে রসিকতায় অংশগ্রহণ করা যায় নির্ভয়ে। কিন্তু তাঁর সামনে হালকেমি করা অথবা কোনো স্থূল রুচির অবতারণা অসম্ভব ব্যাপার। ছ্যাবলেমি তাঁর ধারেকাছেও ভিড়তে পারে না। তাঁর চোখদুটিই স্থূলতা প্রতিরোধ করার জন্যে যথেষ্ট। পরিমিতিবোধ তাঁর প্রধান অস্ত্র। সবকিছু মিলিয়ে এক অদ্ভুতসুন্দর ব্যক্তিত্ব। গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি করা, লেকচার দেয়া, লেখালেখি করা প্রভৃতির সাথে স্যারের আরেকটি বড় গুণ আছে তিনি যখন যে-জেলায় চাকরি করেছেন সেই জেলার ভাষায় হুবহু কথা বলতে পারেন।



 



গোলাম কবির স্যারের দুটি সন্তান-দুজনই সুশিক্ষিত এবং সুপ্রতিষ্ঠিত। স্যারের আরেকটি বিরলতম গুণ হচ্ছে এই যে তিনি তাঁর ছাত্র-ছাত্রীদের মঙ্গলকামনায় অক্লান্ত, অনিঃশেষ। শিক্ষাজীবন শেষ মানেই প্রত্যক্ষ সম্পর্ক শেষ। কিন্তু তিনি সেই সম্পর্ককে ধরে রাখেন, বাঁচিয়ে রাখেন পিতৃসুলভ অভিভাবকত্বে, মাতৃসুলভ মঙ্গলকামনায়। তিনি তাঁর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের প্রায়শ ফোন করেন এবং তাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ হচ্ছে কি না, সে ব্যাপারে খোঁজ নেন। আমি এখানে বিশেষ করে আমার কথাই বলবো। কিন্তু তাঁর অনেক ছাত্র-ছাত্রীর জীবনেও এটি সমানভাবে সত্য। স্যার প্রায় প্রতি সপ্তাহে আমার বাসায় ফোন করেন। আমি না থাকলে লীনা ধরে। তিনি আমার লেখালেখি এবং চাকরি-বাকরির খোঁজখবর নেন। আর আমার দুটি ছেলে-মেয়ের খুঁটিনাটি জিজ্ঞাসা করেন। আমার মেয়ে লুবনাকে আদর করে 'ম্যাডাম' সম্বোধন করেন। তার সাথে সরাসরি মোবাইল ফোনে কথা বলেন। বিভিন্ন পরামর্শ দেন। লুবনা সমপ্রতি কুয়েট থেকে বিএসসি ইঞ্জনিয়ারিং সম্পন্ন করে এসেছে। বাবার চাকরির হাল হকিকত দেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলো, সে সরকারি চাকরি করবে না। কিন্তু গোলাম কবির স্যার তাকে মোটিভেট করে ফেলেছেন। লুবনা এখন সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের লক্ষ্য নিয়ে বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্যারের পচ্ছন্দ হলো, লুবনা পররাষ্ট্র ক্যাডারে চাকরি করবে। লুবনা স্যারের কথা মেনে নিয়ে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছে। আমার ছেলে সজন একটি সরকারি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। সেও সরকারি চাকরির প্রতি বিমুখ ছিলো। স্যার তাকেও চেঞ্জ করে ফেলেছেন।



 



আমার আব্বা-আম্মা দুজনই মারা গেছেন। তাঁদের শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। তবে স্যার যা করছেন, সেটাও আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। কত শিক্ষকেরই তো ছাত্র হয়েছি। কিন্তু গোলাম কবির স্যারের মতো কেউ সারাজীবনের প্রত্যক্ষ অভিভাবক হতে পারেননি। মূলত এই একটি বিষয় অন্যান্য স্বনামধন্য শিক্ষকের সঙ্গে তাঁর উজ্জ্বল পার্থক্য রচনা করেছে। তিনি হয়ে উঠেছেন আমার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক এবং আমার পরিবারের সকল সদস্যের একান্ত আপনজন।



 



সবকিছু মিলিয়ে গোলাম কবির স্যার একজন সফল শিক্ষক, সফল পিতা এবং মহৎ মানুষ। অনেক শিক্ষকই আমার প্রিয়। গোলাম কবির স্যার তাঁদের শিরোমণি। স্যারকে আমার একটি কবিতার বই 'পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি' উৎসর্গ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করেছি। ভালো থাকুন স্যার! গোলাম কবির স্যারের মতো শিক্ষককে আবারও ভরে উঠুক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এই-ই প্রার্থনা।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮০৬৪২৩
পুরোন সংখ্যা