চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৪ জুন ২০১৯, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৯ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্


৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, 'এই বৃদ্ধা-বন্ধ্যার সন্তান হইবে?'


৩০। তাহারা বলিল, 'তোমার প্রতিপালক এই রূপই বলিয়াছেন; তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।


 


 


 


assets/data_files/web

একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি সাদা কাকের মতোই দুর্লভ। -জুভেনাল।


 


 


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে (অর্থাৎ মুসলমান বলে দাবি করে) সে ব্যক্তি যেনো তার প্রতিবেশীর কোনো প্রকার অনিষ্ট না করে।


 


ফটো গ্যালারি
সাক্ষাৎকার : মোঃ শাহ্ আলম
শৈশবে ঈদগাহ থেকে বাঁশি ও খেলনা কিনে বাড়ি ফিরতাম
০৪ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মোঃ শাহ আলম চাঁদপুর সিইআই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮০ সালের শেষভাগে তিনি মাইক্রো কম্পিউটার স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এটিই চাঁদপুরের প্রথম কম্পিউটার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও ১৯৯৮ সালে চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুরস্থ ফরিদগঞ্জ ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ২০০৯ সালে চাঁদপুরের প্রথম বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। সম্প্রতি তাঁর সাথে কথা হয় চাঁদপুর কণ্ঠের। সাক্ষাৎকারটি আজ প্রকাশিত হলো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : ছাত্রজীবনে আপনার ঈদ কেমন ছিল? ঈদে কী কী করতেন?



মোঃ শাহ আলম : ঈদ মানেই আনন্দ। আর সেটা যদি হয় সবাই মিলে তবেই তা পরিপূর্ণতা পায়। ঈদে সহপাঠীদের সাথে বাড়ি বাড়ি, ঘরে ঘরে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতাম।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : সালামি পাওয়া ঈদ আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ। ঈদে কেমন সালামি পেতেন? বিশেষত কারা আপনাকে সালামি দিতো?



মোঃ শাহ আলম : এটা ১৯৭০ সালের দিকের ঘটনা। তখন গ্রামে ওইভাবে সালামির প্রচলন খুব কম ছিলো। ১৯৮৯ সালের দিকে ২ টাকার নোট পেতাম সালামি হিসেবে। যা দিয়ে ঈদগাহ ময়দান থেকে বাঁশি ও অন্য খেলনা কিনে বাড়ি ফিরতাম। সালামি দিতেন বাবা-মা এবং বাড়ির মুরুবি্বরা।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : চাঁদরাত নিয়ে বিশেষ কোন পরিকল্পনা কি থাকতো?



মোঃ শাহ আলম : চাঁদরাতে বন্ধুদের নিয়ে নির্জন পরিবেশে একান্তে গল্পের আসর বসতো। যা আমাদের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : শৈশব ও কৈশোরের ঈদ নিয়ে মজার কোনো স্মৃতি সম্পর্কে আমাদের বলুন।



মোঃ শাহ আলম : ওই সময় সিনিয়র-জুনিয়র গ্রুপকে সবসময় তাড়া করতো। কীভাবে ছোটরা ঈদ আনন্দ উদ্যাপন করতো তার দিকে বড়দের সজাগ দৃষ্টি থাকতো। ছোটরা কোনো খারাপ কাজ করলো কি না সেদিকে তারা দৃষ্টি রাখতো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : এখন আপনি অধ্যক্ষ। এখন ঈদের আনন্দ আপনার কাছে কেমন?



মোঃ শাহ আলম : এখন ঈদের আনন্দ দায়িত্বের সাথে সম্পর্কিত। পরিবার ও অধীনস্থ সবাইকে সন্তুষ্ট রাখতে পারার মধ্যেই আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : বর্তমানে ঈদে কী কী করেন? আসছে ঈদ নিয়ে আপনার কী কী পরিকল্পনা রয়েছে?



মোঃ শাহ আলম : ছোট-বড় সবার সাথে নতুন পোশাক পরে ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় শেষে সকল কালিমা ভুলে গিয়ে একে অন্যের সাথে কোলাকুলি করি। এই ঈদে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। পরিবার-পরিজনকে নিয়ে মধুমাস উপভোগের জন্যে রাজশাহী যাবো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : অতীত ও বর্তমানের ঈদ_দুটির মধ্যে কোনটি আপনার কাছে সেরা মনে হয়?



মোঃ শাহ আলম : অতীতের ঈদ ছিলো একান্তই আবেগের। বর্তমানের ঈদ আনন্দই দায়িত্বশীলতার। আমার কাছে বর্তমানের ঈদই সেরা। কারণ এখন ঈদের আনন্দ সবার সাথে ছড়িয়ে দিতে পারা যায়।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৩২১৮৩
পুরোন সংখ্যা