চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৫ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৪। তাহাদিগকে বলা হইবে, ‘শান্তির সহিত তোমরা উহাতে প্রবেশ কর; ইহা অনন্ত জীবনের দিন।’

৩৫। এখানে তাহারা যাহা কামনা করিবে তাহাই পাইবে এবং আমার নিকট রহিয়াছে তাহারও অধিক।


assets/data_files/web

একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি সাদা কাকের মতোই দুর্লভ। -জুভেনাল।


 


 


মানুষ যে সমস্ত পাপ করে আল্লাহতায়ালা তার কতকগুলো মাপ করে থাকেন, কিন্তু যে ব্যক্তি মাতা-পিতার অবাধ্যতাপূর্ণ আচরণ করে, তার পাপ কখনো ক্ষমা করেন না।


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রধানমন্ত্রীকে গ্রন্থাগারিকদের চিঠি
তৃপ্তি সাহা
২১ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, 'অত্যাবশ্যক শিক্ষার সহিত স্বাধীন পাঠ না মিশাইলে ছেলে ভালো করিয়া মানুষ করা যায় না-বয়প্রাপ্ত হইলেও বুদ্ধিবৃত্তি সম্বন্ধে সে অনেকটা পরিমাণে বালক থাকিয়াই যায়।'



 



আমরা সরকারি কলেজ গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিকগণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবর্ে্বাচ্চ ডিগ্রিধারী হয়েও একযুগ পেরিয়ে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত এবং আমাদের দীর্ঘ বাইশ বছরের চাকুরিজীবনে মাত্র একটি পদোন্নতি নিয়ে দুঃখসাগরে দিন অতিবাহিত করছি। পদোন্নতি হচ্ছে কারো ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া এবং যোগ্যতাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেখানে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে একই যোগ্যতা নিয়ে এবং একই পরিপত্রে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে যারা প্রদর্শক পদে যোগদান করেছেন তারা ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান হতে পারেন। অথচ আমরা সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং গ্রন্থাগারিকগণ যারা একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত তারা সীমাহীন লজ্জা, গ্লানি আর হতাশা নিয়ে বছরের পর বছর পদমর্যাদাবিহীন বস্নক পদে চাকরি করে যাচ্ছি। একই পরিবারের সমান যোগ্যতাসম্পন্ন দুই সন্তানের প্রতি ভিন্নরকম আচরণ আমাদেরকে মৃত্যুর কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন।



 



বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের একটি গল্পের কথা উল্লেখ করতে চাই। তিনি তখন খ্যাতির তুঙ্গে। একবার একজন মা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আমি চাই আমার সন্তান বড় হয়ে যেন সফল বিজ্ঞানী হতে পারে। তাকে কী ধরনের বই পড়ানো উচিত?' আইনস্টাইন জবাব দিলেন, 'সন্তানকে রূপকথা পড়ান।' মা নাছোড়বান্দা। বললেন, 'আর কী পড়াবো?' আইনস্টাইন হেসে বললেন, 'আরো আরো রূপকথার বই। কারণ একজন প্রকৃত বিজ্ঞানীর বুদ্ধিবৃত্তিক হাতিয়ার হলো সৃজনশীল কল্পনা। রূপকথা পড়ার মধ্য দিয়ে শৈশবেই একজন মানুষ সেই গুণ অর্জন করতে পারে।' বলার অপেক্ষা রাখে না একজন গ্রন্থাগারিক সেসব রূপকথা বইয়ের খোঁজ দিতে পারেন এবং মানুষের সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।



 



কোনো জাতির মেধা-মননের উৎকর্ষ, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবিকতা বৃদ্ধিতে গ্রন্থাগারের অবদান কতটা অর্থপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রাচীনকাল থেকে গ্রন্থাগারের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। গ্রন্থাগারের বইগুলো গ্রন্থাগারিকের প্রজ্ঞাপ্রসূত হয়ে থাকে। তিনি প্রজ্ঞাপ্রসূত বই শুধু সংগ্রহ করেন না, তিনি বইগুলো পিতামাতার মত আলগে রাখেন। পরম মমতায় সুপাঠ্য বই পেঁৗছে দেন পাঠকের কাছে। একজন গ্রন্থাগারিক জাতির সত্যিকারের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, মূল্যবোধ পাঠককে পেঁৗছে দিতে বদ্ধপরিকর। বর্তমানে কলেজগুলোর বইয়ের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে গেছে। পাশাপাশি গ্রন্থাগারিকদের শিক্ষার মানও বেড়েছে, বেড়েছে কাজের পরিধিও। রবীন্দ্রনাথ একজন গ্রন্থাগারিক সম্পর্কে বলেছেন এভাবে, 'গ্রন্থাগারিক হবেন যথার্থ সাধক, নির্লোভ, শেলফ ভর্তি অহংকার তাকে ত্যাগ করতে হবে। এখানে ভোজের আয়োজন যা থাকবে সমস্তই সাদরে পাঠকদের পাতে দেবার যোগ্য; আর গ্রন্থাগারিকের থাকবে গুদাম রক্ষকের যোগ্যতা নয়, আতিথ্য পালনের যোগ্যতা'।



 



আমরা যারা শত প্রতিকূলতার মাঝেও গ্রন্থাগারের সেবামূলক কর্মকা-ের সাথে নিজেদের জড়িত করে রেখেছি, যারা বিশ্বাস করি প্রধান খাদ্য উপাদান শর্করা, আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাদ্যকে হজম করার জন্য যেমন এনজাইমের প্রয়োজন তেমনি শ্রেণিকক্ষের পাঠক্রম আত্মস্থ, পরিপুষ্ট করার জন্য শুধু রেফারেন্স বই নয়, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই, গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, জীবনী ও ভ্রমণকাহিনীর বইগুলো পড়া অতীব প্রয়োজনীয়। এতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মেধা, নৈতিকতা, মানবিকতা, সৃজনশীলতা সর্বোপুরি জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে। সুতরাং একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীর মানবিকতা, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, সুশিক্ষিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার জন্য শ্রেণি শিক্ষকের পাশাপাশি দক্ষ গ্রন্থাগারিকের বা গ্রন্থাগার কর্মকর্তার অতীব প্রয়োজন।



আমরাই ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গভীরভাবে ছড়িয়ে দিতে পারি। নৈতিকতা সৃজনশীলতা বা দেশপ্রেমে আমরাই উজ্জীবিত করতে পারি। শিক্ষার্থীদের পড়তে উৎসাহিত করতে পারি 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা', 'শেখ মুজিব আমার পিতা', 'তোমার মুক্তি আলোয় আলোয়', 'আমি বিজয় দেখেছি', 'ওরা টোকাই কেন?' বেবী মওদুদের ছোটদের শেখ মুজিবুর রহমান, মংপুতে রবীন্দ্রনাথসহ হাজার হাজার বই। শুধু কি তাই! রেফারেন্স বইগুলো যেন সত্যিকার দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয় সেজন্যে সাহিত্য, ইতিহাস এবং বিজ্ঞানভিত্তিক যথাযথ বই আমরাই নির্বাচন করি। কোন্ পত্রিকা পড়ে সঠিক তথ্য পাবে সেটা আমরা ঠিক করে তাদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করি। নিরবে আমরা মনোজগতে প্রভাব বিস্তার করি। বিভিন্ন জাতীয় দিবস, বির্তক, রচনা প্রতিযোগিতায় আমরাই তাদের সঠিক বইয়ের মাধ্যমে তথ্য দিয়ে বাংলাদেশের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করি। মোঃ আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, 'একজন গ্রন্থাগারিকের কাজ হলো নিজে পড়া, অপরকে পড়ায় সাহায্য করা ও লিখা। তার লক্ষ্য পাঠক তৈরি করা। তিনি নিজে না পড়লে অপরকে পড়ায় তেমন সাহায্য করতে পারে না এবং নিজে না লিখলে বইয়ের প্রকৃত মূল্য বুঝে না। তাই তাকে লেখক, গবেষক, পাঠক ও সাহায্যকারী বন্ধু হতে হবে। বইপত্র কেনার ব্যাপারে ব্যবসায়ী, কর্মচারী চালাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পাঠক ও করদাতাদের ব্যাপারে একজন পাবলিক রিলেশন অফিসার, তাছাড়া ঘরবাড়ি, বইপুস্তক ইত্যাদির তিনি কোষাধ্যক্ষ। এমনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী না হলে একজনকে সার্থক গ্রন্থাগারিক বলা চলে না।



আমরা অনেকেই এ ধরনের প্রায় সমস্ত কাজ করে থাকি। কিন্তু কি পেলাম! সেই প্রশ্ন তো এসে যায়! আর তাই একবুক কষ্ট বেদনা আর হতাশা নিয়ে আমরা আজ মিলিত হয়েছি।



 



জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পোড়া মাটির উপর দাঁড়িয়ে সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে প্রত্যেকটি সরকারি স্কুল কলেজে গ্রন্থাগার তৈরি এবং পদ সৃষ্টি করে গেছেন। যা কিনা স্বৈরশাসক এরশাদ ক্ষমতায় বসে ইতিহাস বিকৃতির লক্ষ্যে গ্রন্থাগারের কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীরদের পদমর্যাদা নিচের দিকে টেনে ধরেছে। কলেজগুলোর পরিবর্তন পরিবর্ধন হলো। অনার্স, মাস্টার্স শ্রেণি চালু হলো। শিক্ষকদের পদমর্যাদা এবং সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। কিন্তু গ্রন্থাগারটির দিকে কেউ নজর দিল না। সৃজনশীলতাকে উপড়ে ফেলে প্রাইভেটনির্ভর হলো শিক্ষাব্যবস্থা। পিয়ননির্ভর হলো অধিকাংশ গ্রন্থাগার। গ্রন্থাগারের গুরুত্ব কমে গেল ধীরে ধীরে, পাঠাভ্যাস ধীরে ধীরে রহিত হলো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে বাঙালি জাতিকে সরিয়ে আনা হলো। ছাত্রছাত্রীদের মাঝে মূল্যবোধ, নৈতিকতা, জাতীয়তাবোধ, দেশপ্রেম রহিত হলো। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর মতে, 'এসব বইয়ের ভেতর ওই লেখকদের ভেতরকার স্বপ্ন, সৌন্দর্য, আলো, মূল্যবোধ-সবকিছু বিচূর্ণিত অবস্থায় মণিমুক্তার মতো ছড়িয়ে রয়েছে। ছেলে-মেয়েরা সেগুলো পড়লে সেই জ্যোতির্ময় জিনিসগুলো তাদের ভেতর সরাসরি চলে আসে। এতে তাদের জীবন পূর্ণ হয় আলোকিত হয়।' এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ কলেজ গ্রন্থাগারিকের বা গ্রন্থাগার কর্মকর্তার পদ নেই। আবার যেসব কলেজে আছে সেগুলোর বেশির ভাগেই শূন্যপদ।



 



বর্তমান সরকারপ্রধান আলোয় আলোকিত মাননীয় প্রধানমনন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর। এই পেশায় মেয়েদের সংখ্যা বেশি বলেই কি এর দিকে কারো নজর নেই? বর্তমান সরকার সুশিক্ষানির্ভর। যার জন্য আজ দিকে দিকে শিক্ষা-সংস্কৃতি, খেলাধুলা বিভিন্ন অঙ্গনে পাখা মেলছে। প্রথমবার দেশ পরিচালনায় এসেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কলেজ গ্রন্থাগারগুলোতে সহকারী গ্রন্থাগারিক ও ১ম শ্রেণির গ্রন্থাগারিক নিয়োগ দিয়েছেন। কিন্তু এটি পদমর্যদাবিহীন বস্নক পোস্ট। আমরা প্রথম শ্রেণির গ্রন্থাগারিকগণ আশায় বুক বেঁধে আছি আমাদের কান্না, আমাদের ব্যথা নিশ্চয়ই আমাদের অভিভাবক প্রাণপ্রিয় মহাপরিচালক স্যার এবং পরিষদের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী এবং সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রীর হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। কলেজ গ্রন্থাগারগুলোতে আগে এইচএসসি ও ডিগ্রি (পাস) কোর্স পর্যায়ের মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগের বই ছিল। বর্তমানে কলেজ গ্রন্থাগারগুলোতে এছাড়াও ১৭/১৮ টি বিভাগের অনার্স, মাস্টার্স পর্যায়ের বই, বিভিন্ন ধরনের সুপাঠ্য বই মিলিয়ে গ্রন্থাগারগুলোতে প্রায় ২০-৩০ হাজার বই সংগ্রহ করা আছে। যা ব্যবস্থাপনার জন্য জনবল এবং পদমর্যাদা উভয়ই প্রয়োজন। প্রয়োজন যথযথ সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ।



 



তাই আমাদের আকুল আবেদন, খুব শীঘ্রই কলেজগুলোতে লাইব্রেরি উন্নয়ন কর্মকর্তার পদ সৃষ্টি করে আমাদের বিদায়কালে পদোন্নতি দিয়ে দীর্ঘদিনের হতাশা-বেদনা-যন্ত্রণা থেকে কিছুটা হলেও মুিক্ত দিবেন। এছাড়া ভবিষ্যতে বর্তমানে যেভাবে কলেজগুলোতে প্রদর্শকদের পদোন্নতির প্রথা চালু আছে, সেই প্রথা অনুযায়ী আমাদের পদোন্নতি দিলে আমরা শিক্ষাকে সুশিক্ষায় পরিণত করতে আনন্দের সাথে কাজ করে যাবো।



 



উল্লেখ্য, এই পদোন্নতি দিলে সরকারকে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে না। আমরা আমাদের কর্মপদ্ধতি দ্বারা সমাজ থেকে ইভটিজিং, মাদকনেশা পরিহার, মূল্যবোধ জাগ্রত করা, আমাদের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করার ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবো। তাই মাননীয় ডিজি মহোদয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, একুশ শতকের চেলেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে সুশিক্ষিত করে, আলোকিত, অসম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ গড়ার জন্যে কলেজের অবহেলিত গ্রন্থাগারকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতেই হবে। কারণ কলেজের হৃদপি- বলে পরিচিত গ্রন্থাগারটির রক্ত সঞ্চালন এখন সময়ের দাবি।



 



সকল গ্রন্থাগারিকের পক্ষে, তৃপ্তি সাহা, গ্রন্থাগারিক, চাঁদপুর সরকারি কলেজ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪০১২২৫
পুরোন সংখ্যা