চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৪ আগস্ট ২০১৮। ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫। ২ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৩। এতে সন্দেহ নেই যে, তোমরা আমাকে যার দিকে দাওয়াত দাও, ইহকালে ও পরকালে তার কোন দাওয়াত নেই! আমাদের প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে এবং সীমা লঙ্ঘনকারীরাই জাহান্নামী।

৪৪। আমি তোমাদেরকে যা বলছি, তোমরা একদিন তা স্মরণ করবে। আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয়ই বান্দারা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


মনের বেদনা দৈহিক বেদনা থেকে আরও খারাপ।                           


-সাইরাস।


ধনের যদি সদ্ব্যবহার করা হয় তবে তা সুখের বিষয় এবং সদুপায়ে ধন বৃদ্ধির জন্যে সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করতে পারে।


ফটো গ্যালারি
বই, প্রযুক্তি ও কিছু কথা
তৃপ্তি সাহা
১৪ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পড়া দুই রকমের আছে। একটি সিলেবাসভুক্ত পড়ার বই। অন্যটি আনন্দ প্রদানকারী ভালো লাগার বই। বই তো পড়ছেই, তবে তা জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্যে পড়ছে। এর বাইরে শিক্ষার্থীরা অন্য বই পড়ার তেমন সুযোগ পায় না। স্কুল, প্রাইভেট, কোচিং শেষ করে শিক্ষার্থীর হাতে সময় কই? তবে কেবল প্রযুক্তির কারণে শিক্ষার্থীরা বই বিমুখ হচ্ছে-এর সাথে আমি একমত নই। অনেকগুলো কারণ এর পেছনে দায়ী। প্রযুক্তি তার একটি। যখন শুধু প্রেক্ষাগৃহ ছিলো তখন স্কুল কলেজ থেকে পালিয়েও তিন ঘণ্টার সিনেমা দেখতো এই শিক্ষার্থীরা। তারপর টেলিভিশন, টেলিফোন সব ছিলো। ছিলো না মোবাইল। মোবাইল আসার পর হৈ-হৈ রব উঠলো 'গেলো গেলো' বলে।



আমি প্রথমে বলবো, বর্তমান সময়ে পরিবারগুলোর শক্ত ভিত নেই। আগে বেশিরভাগ পরিবারে পারিবারিক গ্রন্থাগার ছিলো। ঘরের মধ্যে বই পড়ার প্রচলন ছিলো। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, অতুলপ্রসাদ, শরৎচন্দ্র, বঙ্কিম চন্দ্র, নীহার এসব বেশিরভাগ ঘরে ছিলো। বাবাকে দেখেছি পড়তে, শিক্ষককে দেখেছি পড়তে, মাকে দেখেছি পড়তে। দেখে নিজের মনের অজান্তে একটি বই হাতের নাগালে এলো এবং ভালো লেগে গেলো। আর যাই কোথায়! বহু শিক্ষার্থীর পড়ার বইয়ের নিচে গল্পের বই রেখে পড়ার কথা আমরা কে না জানি? শিক্ষকদের টিউশানিপ্রীতি কমাতে হবে। শিক্ষার্থীদের উপর আস্থা রাখতে হবে, ওরা যেনো রেফারেন্স বই পড়ার সুযোগ পায়। তবেই তাদের মাঝে সৃজনশক্তি জন্মাবে।



জিপিএনির্ভর ফলাফল নয়, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। পিঠের বোঝা কমাতে হবে। তার মানে বইয়ের বোঝা কমাতে হবে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিক্ষার্থীর সামনে তুলে ধরতে হবে। যেভাবে প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে যাচ্ছে সবকিছু, সেখানে বেঁধে রাখার উপায় নেই। বরং খোলামেলা আলাপের মাধ্যমে বোঝাতে হবে জীবনের বিভিন্নতা ও নানাদিক। মা-বাবাকে প্রত্যাশা কমাতে হবে। সারাদিন শিক্ষক, কোচিং, ক্লাস হলে পড়বে কখন?



শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে হলে স্কুল-কলেজগুলোতে ভালো মানের গ্রন্থাগার তৈরি করতে হবে। এ গ্রন্থাগারগুলো যেনো শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। সহজেই তার কাঙ্ক্ষিত বইটি যেনো পায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা চাই বইমুখী মননশীল সুন্দর একটি প্রজন্ম গড়ে উঠুক-যে প্রজন্ম অনেক বেশি মানবিক হবে।



লেখক : গ্রন্থাগারিক।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩১৬০১
পুরোন সংখ্যা