চাঁদপুর, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


২৭। অতঃপর আমি তাহাদের পশ্চাতে অনুগামী করিয়াছিলাম আমার রাসূলগণকে এবং অনুগামী করিয়াছিলাম মারইয়াম তনয় ঈসাকে, আর তাহাকে দিয়াছিলাম ইঞ্জীল এবং তাহার অনুসারীদের অন্তরে দিয়াছিলাম করুণা ও দয়া। আর সন্নাসবাদ-ইহা তো উহারা নিজেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য প্রত্যাবর্তন করিয়াছিল। আমি উহাদের ইহার বিধান দেই নাই; অথচ ইহাও উহারা যথাযথভাবে পালন করে নাই। উহাদের মধ্যে যাহারা ঈমান আনিয়াছিল, উহাদিগকে আমি দিয়াছিলাম পুরস্কার এবং উহাদের অধিকাংশই সত্যত্যাগী।


 


 


assets/data_files/web

অপ্রয়োজনে প্রকৃতি কিছুই সৃষ্টি করে না। -শংকর।


 


 


কবর এবং গোসলখানা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়াই নামাজের স্থান।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
স্বপ্ন ভাঙ্গার শব্দ...
তাহসিন আক্তার তমা
১৭ জুন, ২০১৯ ০৩:০৮:০১
প্রিন্টঅ-অ+


বিতর্ক আমার ভালোবাসার আরেক নাম

এই শব্দটি যখনই শুনি, তখনই মনের ভেতর একটা অন্য রকম অনুভূতি কাজ করে।

মনে পড়ে হাজারো স্মৃতি।

মনে পড়ে সুখময় কিছু মুহূর্তের কথা।

মনে পড়ে কিছু মধুর শব্দ।

কানে ভেসে আসে কিছু পরিচিত কণ্ঠস্বর।



আমার বয়সটা কম হলেও মনে হয় বিতর্ক শব্দটাকে হাজার বছর ধরে চেনা আমার।

আমি স্বপ্নবাজ একজন বিতার্কিক। স্বপ্ন ভাঙ্গার শব্দে আজ চেয়ে গেছে পুরোটা শহর।

এই বছর আমরা অনেক যুদ্ধ করে সেমি-ফাইনালে পর্যন্ত গেছি । সত্যি বলতে কি, ফাইনাল বলতে কোনো কিছুই আমার কাছে নেই। কারণ প্রতিটি বিতর্কই আমার কাছে ফাইনালের মতো। প্রতিটি বিতর্কে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজমান থাকে রোটারী ভবনে, কত আনন্দ কত হাসি, কত ভালো লাগার মানুষগুলোর সাথে দেখা হয়। শুনতে পাই শাহাদাত স্যারের সুন্দর সুন্দর কথা আর রাসেল স্যারের অসাধারণ উপস্থাপনা। সব থেকে বড় পাওয়াটা হলো রাজন দা’র বজ্র কণ্ঠে ফলাফল শোনা। সব মিলে আমার কাছে প্রতিটি পর্বই ফাইনালের মত।

রাতের গভীরে আমি হারিয়ে যাই ভাবনার সাগরে। ভাবি, ইশ! যদি প্রতিদিন বা প্রতি সাপ্তাহে রোটারী ভবনে বিতর্ক করতে পারতাম, হয় তো অনেক আনন্দময় একটা জীবন উপভোগ করতে পারতাম। বড্ড ভালোবাসি রে বিতর্ক তোকে অনেক ভালোবাসি।

যখন মনে পড়ে বিতর্ক নিয়ে জড়ানো হাজারো স্মৃতি তখন একা একা কাঁদি। কেন কাঁদি নিজেই  জানি না। তবে এতোটুকু জানি, বিতর্ক নামক শব্দটি মিশে গেছে আমার রক্তে। যেদিন হেরে গেছি সেদিন কষ্ট অনুভব করিনি। হারার যন্ত্রণাটা কত ভয়ঙ্কর আমি অনুভব করিনি সেদিন।

এখন ইস্কুলে গেলে কেউ আর বলে না, তমা বিতর্কের ক্লাসে আসো। কেউ আর বলে না, তমা এই পর্বে জিততে হবে। সহপাঠীরা আর বলে না, জয়টা আমাদের জন্যও হলেও নিয়ো।

মেমরা আর ‘মা’ বলে আদর করেন না।

হেডমাস্টার স্যার আর ডাকেন না, দেন না কোনো উৎসাহ। নিজের কাছে মনে হয় সব থেকেও কী যেনো একটা নেই আমার-

একটা হার

এত কষ্ট দিবে

এত চোখের জল ফালাবে এটা ভাবিনি।

আমি কাঁদছি না জয়ের জন্যে।

আমি কাঁদছি বিতর্কের জন্যে।

এখানে হারলে আর বিতর্ক করার সুযোগ নেই।

তাই কষ্ট হয়, কাঁদছি আরো কাঁদবো

ভালোবাসার জিনিসটির জন্যে চোখের দু ফোঁটা জলও কি ফালানোর অধিকার নেই?

একটা হার এতো ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা দিবে আগে জানতাম না! দুঃস্বপ্ন আর দুঃস্বপ্ন রাতের ঘুম চোখ থেকে কেড়ে নিবে জানতাম না!

আমি থাকতে চাই বিতর্কের সাথে

হারিয়ে যেতে চাই বিতর্ক নামক সেই সাগরের গহীন অতলে। হাজারো রঙ্গিন মাছের ন্যায় রঙ্গিন বিতর্কিকের সাথে খেলা করতে চাই। সাগরে উতলা ঢেউয়ে জয় পরাজয় নিয়ে থাকতে চাই।

যদি লিখতে যাই সব

বিতর্ক নিয়ে মনের কথা

শেষ হয়ে যাবে আমার আছে যত খাতা

দিন শেষে আমি একা

আবার কবে পাবো বিতর্ক তোমার দেখা।

লেখক : তাহসিন আক্তার তমা, বিতার্কিক, হামানকর্দ্দী পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮৮৯৪
পুরোন সংখ্যা