চাঁদপুর। শনিবার ১৯ আগস্ট ২০১৭। ৪ ভাদ্র ১৪২৪। ২৫ জিলকদ ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত


৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৩। এবং যখন আমার প্রেরিত ফিরিশতাগণ লূতের নিকট আসিল, তখন তাহাদের জন্য সে বিষন্ন হইয়া পড়িল এবং নিজকে তাহাদের রক্ষায় অসমর্থ মনে করি। উহারা বলিল, ‘ভয় করিও না, দুঃখও করিও না; আমরা তোমাকে ও তোমার পরিবারবর্গকে রক্ষা করিব, তোমার স্ত্রী ব্যতীত; সে তো পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত;


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

বিপদকে বিপদ দিয়েই অতিক্রম করা যায়।



-টমাস ফুলার।


মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।।  


ফটো গ্যালারি
দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের সাক্ষাৎকার : মানিক সরকার
বর্তমানে আমার ক'জন বিতার্কিক দেশের বিভিন্ন ভার্সিটিতে বিতর্ক করছে
১৯ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বিতর্কায়ন প্রতিবেদন সাংবাদিক মানিক সরকার, সহকারী শিক্ষক, ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়, পোঃ পালাখাল, কচুয়া, চাঁদপুর। তিনি তাঁর বিদ্যালয়ের বিতর্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বিতর্ক-প্রতিভা উন্মেষে অত্যন্ত সফল একজন ব্যক্তি। 'বিতর্কায়নে'র পক্ষ থেকে তাঁর সাথে কথা বললে তিনি মন খুলে বলেন কিছু কথা, যা নিম্নে পত্রস্থ করা হলো :-



বিতর্কায়ন : ছাত্রজীবনে কি বিতর্ক করেছেন, না পেশাগত জীবনে এসে অর্পিত দায়িত্বের কারণে বিতর্ককে ভালোবেসে ফেলেছেন?



মানিক সরকার : আমি ১৯৮৬ সালে কচুয়ায় হযরত শাহ্ নেয়ামত শাহ্ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণিতে ভর্তি হই। তখন সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবারে অনুষ্ঠিত ডিবেটিং ক্লাস থেকে আমার বিতর্ক শুরু।



বিতর্কায়ন : বিতর্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে আনন্দ ও বেদনার অভিজ্ঞতা কী কী ?



মানিক সরকার : বিদ্যালয়ে বিতার্কিকদের প্রশিক্ষণ দেয়া, আমার জানাটুকু শেয়ার করা, আমার শিখানোটুকু বিতার্কিকদের প্রকাশের মাধ্যমে আনন্দ পাই। বিতর্কে আমার প্রতিষ্ঠান যখন হেরে যায়, পরবর্তী পর্বের বিষয়ে প্রস্তুতি নেয়া দফ করে যেনো বন্ধ হয়ে যায়, ফেরার পথে গাড়িতে সবার বদনখানি মলিন থাকে-এসব বেদনাতো স্বাভাবিক।



বিতর্কায়ন : নিজ বিতর্ক দল হেরে গেলে যৌক্তিকভাবে তা মেনে নেন, না অন্য কিছু ভাবেন?



মানিক সরকার : হ্যাঁ, না মানার কিছুই নেই। তবে ভাবি, সেটা হলো কোথায় আমার বিতার্কিকরা ফল্ট করলো।



বিতর্কায়ন : 'যে আসে বিতর্কে সে হারে না' আপনি কি এ কথা বিশ্বাস করেন?



মানিক সরকার : হ্যাঁ।



বিতর্কায়ন : আমাদের বিতর্কের বিচারকার্য নিয়ে আপনার কোনো গঠনমূলক পরামর্শ বা ইতিবাচক সমালোচনা আছে কি ?



মানিক সরকার : বিচারকের আসনে বসে পরস্পর আলোচনা করলে বিতার্কিকরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যায় বলে আমি মনে করি। ইতিবাচক কোনো সমালোচনা আমার নেই।



বিতর্কায়ন : আপনার বিতর্ক দলকে নিয়ে আপনি কী কী স্বপ্ন দেখেন এবং তা বাস্তবায়নে কী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন?



মানিক সরকার : আমার বিতর্ক দলকে বিভিন্ন সেক্টরে-সভায় গুছিয়ে কথা বলা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার যোগ্যতা ও জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক করার যোগ্যতা সম্পন্ন করে গড়ে তোলার স্বপ্ন আমার ছিল এবং আছে। বর্তমানে আমার ক'জন বিতার্কিক দেশের বিভিন্ন ভার্সিটিতে বিতর্ক করছে। আমি সে উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়ে ডিবেট ক্লাবও গঠন করি।



বিতর্কায়ন : উপরোক্ত প্রশ্নমালার বাইরে আপনার কোনো বক্তব্য থাকলে বা নিজ জীবন সম্পর্কে কিছু বলতে পারেন।



মানিক সরকার : ১৯৯২ সালে হযরত শাহ্ নেয়ামত শাহ্ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় হাতেখড়ি ও শিক্ষকতার স্বপ্ন দেখি। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে রহিমানগর হাজী চাঁদ মিঞা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ডিসেম্বর ২০০৭ সালে ওই প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করে ১ জানুয়ারি ২০০৮ সালে একই উপজেলার ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ে সমপদে যোগদান করে অদ্যাবধি কর্মরত আছি। আমার সাংবাদিকতা ১৯৯৭ সাল থেকে শুরু। আমি সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ, দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ, দৈনিক জনতা, অনলাইন দৈনিক কুমিল্লা, দৈনিক আজকের কাগজ, দৈনিক যোগাযোগ প্রতিদিন পত্রিকায় কচুয়া উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলাম। আমি সাংবাদিকতায় আসার পরে এক যুগেরও বেশি সময় কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। কচুয়া উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, কচুয়া উপজেলা মানবাধিকার কাউন্সিলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কচুয়া উপজেলা সমবায় সমিতির ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত ছিলাম।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪১৮০৬৩
পুরোন সংখ্যা