নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
চাঁদপুর, বুধবার ১২ নভেম্বর ২০১৪, ২৮ কার্তিক ১৪২১, ১৮ মহররম ১৪৩৬
প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক : রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডঃ ইকবাল-বিন-বাশার, পিএইচএফ
প্রধান সম্পাদক : রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত, পিএইচএফ
 
"সঙ্গীতে জনপ্রিয়তা অর্জনের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে
অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে ক্লাসিক্যাল চর্চার বিকল্প নেই
দীর্ঘ ফোনালাপে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী অলকা দাশ
বর্তমানে সঙ্গীত চর্চা ক্রমশ বেড়ে চলছে ঠিকই, কিন্তু রাগ সঙ্গীতের চর্চা অনেকটা বিলুপ্তির পথে। তবে সাথে সাথে চলছে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জনের লড়াই। অথচ বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী হতে গেলে এবং সঙ্গীতকে দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হলে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাসিক্যাল চর্চার বিকল্প নেই। এ কথা আমরা ভুলেই গেছি। যদিও সভ্যতার ক্রমোন্নতির সাথে সাথে নানা রকম বাদ্যযন্ত্র ও নূতন নূতন সুরের মূর্ছনা আমাদের মানবিক সত্তাকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করে তুলছে এবং সঙ্গীতকে সহজে আয়ত্তে আনার বিভিন্ন কৌশলও দিন দিন উদ্ভাবিত হচ্ছে, তবুও এটা সর্বজনস্বীকৃত যে, 'সঙ্গীত' গুরুমুখী বিদ্যা। এ বিদ্যায় পারদর্শী হতে হলে তত্ত্বীয় শিক্ষার সাথে সাথে ব্যবহারিক শিক্ষার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ গুরুর আদেশ নির্দেশানুসারে শিক্ষার্থীকে প্রচুর অনুশীলন করতে হয়। দীর্ঘ ফোনালাপে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী অলকা দাশের সাথে শুরুটা ছিলো নিম্নরূপঃ

তরুণ শিল্পীদের সম্পর্কে কিছু বলুন।

আমি আপনার প্রশ্নের উত্তরে এ প্রজন্মের সঙ্গীতশিল্পীদের ক্লাসিক্যাল শিক্ষার উপরই বেশি গুরুত্ব দিয়ে তাদের উৎসাহিত করবো। মূলতঃ ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসার এবং সকল সৃজনশীল সঙ্গীতের অনুশীলনে যেনো তাদের সঙ্গীত চর্চা আরো সহজ ও সাবলীল হয় সে জন্যেই এ প্রজন্মের শিল্পীদের উদ্দেশ্যে বলবো, যত বেশি পারো ক্লাসিক্যাল চর্চা করো। তাতে উন্নতি সুনিশ্চিত।

বর্তমান সময়ে তরুণ শিল্পীদের বড় একটি অংশ ব্যান্ড সঙ্গীতে ঝুঁকছে, তাদেরকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

দেখুন, ব্যান্ড সঙ্গীত মূলতঃ মূল সঙ্গীতেরই একটা অংশ বিশেষ। এক্ষেত্রে তাদের প্রতি আমার উপদেশ থাকবে, ক্লাসিক্যাল চর্চা করলে ব্যান্ড সঙ্গীত আরো শ্রুতিমধুর হবে। সুতরাং সঙ্গীত শিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করতে হবে, না শিখে কখনো নয়।

সুপ্রিয় পাঠক, উপমহাদেশের বিখ্যাত বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও সঙ্গীতবোদ্ধা প্রয়াত মান্নাদের একটি গানের প্রথম পংক্তি উল্লেখ প্রয়োজন বোধ করছি।

'চাঁদ দেখতে গিয়ে আমি তোমায় দেখে ফেলেছি

কোন্ জোছনায় বেশি আলো এই দোটানায় পড়েছি।'

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের এই বিশিষ্ট শিল্পী অলকা দাশকে নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেকটা মান্নাদের গাওয়া গানের মতোই আমিও গোলক ধাঁধায় পড়েছি। কারণ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের এই অন্যতম 'নক্ষত্র' অলকা দাশের সঙ্গে আমার পরিচয় হয় চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমীতে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের অনুষ্ঠানে। ফলে তখন থেকেই তাঁকে নিয়ে লিখতে মনে প্রবল বাসনা জাগলো। দিন কয়েক আগে যখন তাঁর সাথে মুঠোফোনে আমার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়, তখন নমস্কার জানিয়ে আমার মনোবাসনার কথা অকপটে বললাম। তিনি হাসি মুখে সম্মতি দিলেন। প্রথম প্রশ্নই ছিলো এ প্রজন্মের শিল্পীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন। আমার প্রশ্নোত্তরে তিনি বললেন উপরোক্ত কথাগুলো। আমি তা উদ্ধৃত করলাম। তাঁর পূর্বসূরিগণ কেউ সঙ্গীত জগতে ছিলেন কি না আমার এমন প্রশ্নে তিনি অকপটে তাঁর পূর্বসূরিদের ইতিহাস বলতে লাগলেন। তাঁর পিতার সঙ্গীত জগতের অপরিসীম অবদানের কথা শুনে আমার মান্নাদের গানের কথা মনে পড়লো। এখন তাঁর চেয়ে তাঁর বাবা সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমার বেড়ে গেলো। আমি পড়লাম শ্যাম রাখি না কূল রাখি অবস্থায়। দীর্ঘক্ষণ কথা বলায় মোবাইলের ব্যালেন্সও শেষ হয়ে গেলো। এবার ফোন করলেন অলকা দাশ নিজেই। তিনি আমায় পরামর্শ দিলেন তাঁর রাগ মঞ্জুষা পড়লে কিছু তথ্য পাবো তাঁর পিতার সম্পর্কে। আমি খুঁজতে লাগলাম 'রাগ মঞ্জুষা' বইটি। ইউনিক লাইব্রেরীতে বইটি পাওয়া গেলো বটে, কিন্তু দাম প্রায় ৫শ' টাকা। ফলে মিনিট দশকের জন্যে বইটি পড়ার সুযোগ দিলেন ইউনিট লাইব্রেরীর মালিক। বইটিতে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। বইটির আংশিক ও আমার উদ্ধৃত করা অলকা দাশের বক্তব্য নিম্নে তুলে ধরলাম।

অলকা দাশের পূর্বসূরিগণের আদি নিবাস ছিলো তৎকালীন বৃহত্তর ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। ব্যবসার সুবিধার্থে পিতামহ কুমিল্লায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। অলকা দাশের পিতামহ নিশিকান্ত দাশের দশ সন্তান। তার মধ্যে সাত পুত্র ও তিন কন্যা। তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সন্তান অলকা দাশের পিতা সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ। তাঁর জন্ম ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লার তালপুকুরস্থ পিতামহ নিশিকান্ত দাশের বাসভবনে। ছোট বেলা থেকেই তাঁর সঙ্গীতের প্রতি আকর্ষণ ছিলো লক্ষণীয়। শিক্ষা জীবন শুরু কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঈশ্বর চন্দ্র পাঠশালায়। ঈশ্বর চন্দ্র পাঠশালা থেকে সুরেন্দ্র নারায়ণ ১৯২৩ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি কলকাতায় চাকুির করাকালীন প্রথম সঙ্গীত শিক্ষাগুরু পণ্ডিত হরিহর রায়ের সান্নিধ্য লাভ করেন। তারপর বিশ্বনন্দিত বাঙালির অহঙ্কার ভারত ভূষণ সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর নিকট থেকে সুর, লয়, তাল ও স্বরগ্রাম শিক্ষালাভ করেন। তিনি দৈনিক চার ঘণ্টা নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন। অদম্য পরিশ্রম, একনিষ্ঠ সাধনা ও একান্ত আগ্রহ এবং তাঁর সুকণ্ঠের সুরধ্বনিতে সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ মুগ্ধ হন। অতঃপর তিনি উপমহাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীত সাধক, পৃষ্ঠপোষক, বিরল সঙ্গীতগ্রন্থ রচয়িতা এবং সংগ্রাহক গৌরীপুরের মহারাজা ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী ও তাঁর পুত্র ভারত ভূষণ সঙ্গীতাচার্য বীরেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর নিকট বহু প্রচলিত অপ্রচলিত রাগ-রাগিণী এবং সঙ্গীত শাস্ত্র সম্বন্ধে প্রভূত জ্ঞানার্জন করেন।

সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশের সঙ্গীতশিল্পী জীবন

চল্লিশ দশকের প্রথম ভাগে কুমার শচীন দেববর্মন প্রতিষ্ঠিত আগরতলার সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ে কিছুকাল অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কলকাতার বেতার কেন্দ্রে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত পরিবেশন করে আসছিলেন।

পরে কলকাতায় ১৩৫৯ বঙ্গব্দে তাঁকে 'গয়নাচার্য' ও 'সঙ্গীত রত' উপাধিতে ভূষিত করেন। মাতৃভূমির অমোঘ আকর্ষণে ১৯৪০ সালের শেষের দিকে স্থায়ীভাবে কুমিল্লায় বসবাস শুরু করেন এবং সঙ্গীত সাধনা ও শিক্ষকতায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। ১৯৪২ সালে তাঁর একক প্রচেষ্টায় নিজ বাস ভবনে প্রতিষ্ঠা করেন 'সঙ্গীত শিক্ষার্থী সম্মিলন' নামে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশ বিভাগোত্তরকালে তিনি শিক্ষাদানের মাধ্যমে শুদ্ধ সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারকল্পে নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষাগুরুর ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লায় নজরুল পরিষদের জন্মলগ্ন পর্যন্ত উক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করেন এবং সেই সাথে নিরলসভাবে অনেক শিক্ষার্থীকে সঙ্গীতে দীক্ষা দিয়েছেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সঙ্গীত বিষয়কে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করে।

১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে 'সঙ্গীত' বিষয়ের পাঠ্যসূচি প্রণয়ন কমিটির সদস্য, প্রশ্ন প্রণেতা এবং পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের উপর একটি গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি রচনা করে গেছেন। পরবর্তীতে স্বীয় কন্যা বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী অলকা দাশ ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী পুত্র মানস দাশ ওই পান্ডুলিপি থেকে প্রথম খণ্ড সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন।

সঙ্গীত রত্ন 'গয়নাচার্য' ভূষিত হওয়ার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সনদপত্র, স্বর্ণপদক ও প্রভূত সংবর্ধনায় সিক্ত হন। ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন শুদ্ধাচারী, নিয়মনিষ্ঠ ও আধ্যাত্ম চেতনায় উদ্বুদ্ধ।

পিতার সুযোগ্য উত্তরসূরি অলকা দাশ

সঙ্গীত পরিবারে জন্ম হওয়ায় তিনিও ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি আকৃষ্ট হন। সঙ্গীতের প্রথম প্রভাত তাঁর পিতা 'সঙ্গীত রত্ন গয়নাচার্য' সুরেন্দ্র নারায়ণ দাসের হাত ধরেই। সঙ্গীতের পাশাপাশি পড়ালেখাও চলে সমানতালে। তিনিও স্বীয় পিতার মতো কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী ঈশ্বর চন্দ্র পাঠশালা ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেন। স্বীয় পিতা ছাড়াও স্বীয় কাকা সুধীন দাশের নিকট নজরুল সঙ্গীতে তালিম নেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সুধীন দাশ বাংলাদেশের একজন অতি সুপরিচিত মুখ ও দেশখ্যাত সুরকার। যিনি নজরুল সঙ্গীতের ৮০% গানের স্বরগ্রাম রচনা করে সঙ্গীত বোদ্ধাদের তাক্ লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত একজন সঙ্গীত বিশারদ। 'ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনার কিছুপ্রাপ্তির কথা বলুন' এমন প্রশ্নে শ্রদ্ধেয়া অলকাদি মৃদু হেসে বলেন, কুমিল্লায় যখন বেতার কেন্দ্রটি উদ্বোধন হয় তখন সেখানে আমি বক্তব্য রেখেছিলাম। ১৯৬২ থেকে ১৯৬৩ সনে ঢাকা বেতারে বিশেষ শিল্পীর মর্যাদায় নিয়মিত অনুষ্ঠান করতাম। ১৯৬৩ থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত চট্টগ্রামে, ১৯৭৪ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ বেতারে নিয়মিত অনুষ্ঠান করছি। গতকাল ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালেও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের রেকর্ড হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৬৮ সন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুল সঙ্গীতে বিশেষ শ্রেণীর শিল্পী হিসেবে নিয়োজিত রয়েছি।

আপনি প্রাপ্তির কথা বলেছেন! গান গাই এটাই তো সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তারপরও যখন জিজ্ঞেস করলেন তখন না বলে উপায় আছে কী। ১৯৮৪ সানে ঢাকা আন্তর্জাতিক উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে বিশেষ সম্মাননা লাভ, ১৯৮৭ সানে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন কর্তৃক জেলার অন্যতম কৃতী সন্তান হিসেবে গুণীজন সংবর্ধনা লাভ, ১৯৯৩ সনে হোটেল শেরাটনে বর্তমান (রূপসী বাংলায়) বাংলাদেশ টেলিভিশনে শ্রেষ্ঠ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে যায় যায় দিন প্যাসিফিক পুরস্কার লাভ, ২০০২ সালে জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মেলনে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীতশিল্পী সাধক পরিমল দত্ত স্মৃতিপদক লাভ, ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন কর্তৃক গুণী সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে সংবর্ধনা লাভ, ২০১১ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১২ তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে গুণী নজরুল সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে সম্মাননা লাভ করি। এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে বহু সম্মাননা পেয়েছেন 'গয়নাচার্য' সুরেন্দ্র নারায়ণ তনয়া কুমিল্লার কুমিল্লাবাসীর অহংকার এই গুণীশিল্পী।

বর্তমানে তিনি স্বীয় পিতা 'গয়নাচার্য' সুরেন্দ্র নারায়ণ প্রতিষ্ঠিত 'সঙ্গীত শিক্ষার্থী সম্মিলনে'র অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর অনেক ছাত্র-ছাত্রী বর্তমানে ছায়ানটে শিক্ষকতা করছেন। তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা মানস দাশও বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী ও শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। চাঁদপুরেও তাঁর অনেক ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। তাঁর মধ্যে সঙ্গীত নিকেতনের অধ্যক্ষ স্বপন সেনগুপ্ত, বাবুল চক্রবর্তীসহ আরো অনেকে। গতকাল ১১ নভেম্বর সন্ধ্যায়ও অলকা দাশের সঙ্গে কথা বলে সকালের রেকর্ডের খোঁজ খবর নিয়েছি।

সুপ্রিয় পাঠক, মাত্র ঘণ্টা দুয়েক সময়ের মধ্যে সঙ্গীতগুরু 'গয়নাচার্য' সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ ও তাঁর সুযোগ্য কন্যা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে অনেক ভুল ত্রুটি হতে পারে। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য বিনীতচিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

লেখক : জয়ন্ত সেন

jayantasen99@gmail.com
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত

Fatal error: Class 'SQLiteDatabase' not found in /home/cnews/public_html/archive/lib/mostViewNews.php on line 2