নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
চাঁদপুর, রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৩, ১০ ভাদ্র ১৪২০ , ১৭ শাওয়াল ১৪৩৪
প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক : রোটারিয়ান আলহাজ্ব অ্যাডঃ ইকবাল-বিন-বাশার, পিএইচএফ
প্রধান সম্পাদক : রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত, পিএইচএফ
 
জেলার প্রথম ডিজিটালাইজ্ড স্কুল হচ্ছে ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
প্রবীর চক্রবর্তী
ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে ক্লাসে প্রবেশ, আবার একইভাবে ছুটির পর ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে ক্লাস থেকে বের হওয়া, প্রজেক্টরের মাধ্যমে ডিজিটাল ক্লাসসহ নানা প্রযুক্তির ব্যবহার করে আগামী ১ জানুয়ারি ২০১৪ সাল থেকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজ্ড হয়ে যাচ্ছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট মডেল হাই স্কুল। ফলে জনপ্রিয় মোবাইল কোম্পনির বিজ্ঞাপন চিত্রে মেয়ে ঠিকমতো স্কুলে পৌঁছে কিনা সেটা দেখতে বৃদ্ধ পিতা পেছন পেছন যাওয়ার দিন শেষ হয়ে আসছে। সনত্দান স্কুলে না পৌঁছলে বা না আসলে স্কুল শুরুর সাথে সাথে অভিভাবকের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে তা পৌঁছে যাবে। একইভাবে স্কুলে পৌঁছার পরও বিরতির সময় স্কুল ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা বা অন্য কিছু করার দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে শিৰার্থীদের জন্যে। শুধু তাই নয়, শিৰার্থীর বেতন-ভাতাদি, স্কুলের ফলাফলসহ যাবতীয় সকল কিছুই এক ক্লিকে পেয়ে যাবে। তবে এ জন্য শিৰার্থীকে দেয়া আইডি নম্বর জানা থাকতে হবে।

স্কুলটির প্রধান শিৰক রফিকুল আমিন কাজল সে কথা জানিয়ে বলেন, চাঁদপুর জেলার প্রথম স্কুল হিসেবে ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট মডেল স্কুল ডিজিটাল স্কুল হিসেবে যাত্রা শুরু করবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে গত ১৮ জুলাই এডিয়েস সফ্টওয়্যার লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির সাথে এ সংক্রানত্দ ৩ বছর মেয়াদী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সে অনুযায়ী স্কুলের যাবতীয় তথ্যাদি প্রদান শুরু হয়েছে। স্কুলের ১২শ' শিৰার্থীর প্রত্যেকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে তথ্য নেয়া শুরু হয়েছে। স্কুলের সকল শিৰক, শিৰার্থীর স্কুল ও কর্মজীবনের তথ্য থাকবে কম্পিউটারের মধ্যে। গত ১৭ আগস্ট থেকে ইতিমধ্যে ২০জন শিৰক ও ৪০জন শিৰার্থী এ বিষয়ে প্রশিৰণ নিয়েছে। প্রতিটি শিৰার্থীকে ডিজিটাল আইডি কার্ড দেয়ার প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানিয়ে প্রধান শিৰক বলেন, সরকার শিৰার বিসত্দারে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিৰার্থীদের শিৰাদানের মাধ্যমে তাদের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার যে চেষ্টা করছে আমরাও সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই স্কুলের নামে ওয়েব অ্যাড্রেস খোলা হয়েছে। প্রতিনিয়ত তাতে আপডেটের কাজ চলছে।

জানা গেছে, প্রতিটি শিৰার্থীর ডিজিটাল আইডি কার্ড ও তার নাম্বার এমনভাবে দেয়া হবে যাতে শিৰার্থী দীর্ঘদিন পরে হলেও তা মনে রাখতে পারে। ২০ বছর পরে তার শিৰা জীবনের কোনো তথ্য জানার প্রয়োজন হলে তাকে আর স্কুলে আসতে হবে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে পুরানো ফাইল ঘেটে তার শ্রেণী শিৰা বিষয়ক কোনো ফলাফল সংগ্রহ করার ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হবে না। স্কুল থেকে দেয়া আইডি কার্ডের নাম্বারটি দিয়েই তার স্কুল জীবনের সকল তথ্য এক ক্লিকেই পেয়ে যাবে সে। প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ২০১৪ সাল থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যনত্দ প্রতিটি পরীৰার ফলাফল পাওয়া যাবে এভাবে। এই পদ্ধতি সঠিকভাবে কার্যকর হলে কম্পিউটারের মাধ্যমে হাজিরা, বেতন ভাতাদি নেয়া-দেয়া সবকিছুই সম্ভব হবে।

প্রধান শিৰক রফিকুল আমিন কাজল আশা প্রকাশ করে বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতি তথা মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের মাধ্যমে নিয়মিত পাঠদানের চেষ্টা চলছে। প্রজেক্টরের মাধ্যমে পরীৰামূলকভাবে ক্লাস নেয়া হচ্ছে। ডিজিটালাইজ্ড স্কুল করতে প্রয়োজন অনেক অর্থের। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীরা এগিয়ে এলে শিৰার মানোন্নয়নের পাশাপাশি প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ব্যবহারের মাধ্যমে শিৰাকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সফ্টওয়্যার প্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহের জন্য শিৰার্থীদের প্রদান করা ফরমে ভুলবশতঃ ফরিদগঞ্জ এ আর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের স্থলে ফরিদগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় লেখা হয়েছে। মূল স্থানে সবকিছুই সঠিক লেখা হচ্ছে। এ নিয়ে অভিভাবকদের চিনত্দা করার কিছু নেই।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত

Fatal error: Class 'SQLiteDatabase' not found in /home/cnews/public_html/archive/lib/mostViewNews.php on line 2