চাঁদপুর, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৬। উভয় উদ্যানে আছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবণ।


৬৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৬৮। সেথায় রহিয়াছে ফলমূল -খর্জুর ও আনার।


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীগুলো যে সকল কর্মকান্ডে : পারভেজ খান
১৭ জুন, ২০১৯ ০৩:২১:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


প্রখর দৃঢ়তায় চাঁদপুর কণ্ঠ তার ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রজতজয়ন্তী পালন করতে যাচ্ছে। বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় এ যাবত চাঁদপুর কণ্ঠ তার ১৯টি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে চাঁদপুর কণ্ঠ ব্যাপক সামাজিক কর্মকা-ের পাশাপাশি চিত্তাকর্ষক ও মেধা বিকাশমূলক কর্মসূচিও পালন করে আসছে। এর মধ্যে ছিলো- সংবর্ধনা, মরণোত্তর গুণীজন সংবর্ধনা, কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, জেলাব্যাপী আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং জেলা সদরসহ প্রায় সবক’টি উপজেলায় সুধী ও পাঠক সমাবেশের মতো উল্লেখযোগ্য কর্মকা-। সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে চাঁদপুর কণ্ঠের প্রকাশনা শুরু হয় ১৯৯৪ সালের ১৭ জুন। ১৯৯৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর চাঁদপুর কণ্ঠ সাপ্তাহিক থেকে দৈনিকে রূপান্তরের অনুমোদন লাভ করে। ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে অর্থাৎ চাঁদপুর কণ্ঠ ১৯৯৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯৯৯ সালের ৩১ জানুয়ারি দৈনিক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রকাশনা শুরু হয়। ২০০০ সালের ১৭ জুন সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর কণ্ঠ ব্যাপক পরিসরে ও আয়োজনে জন্মদিনকে যেমন স্মরণীয় ও বরণীয়ভাবে পালন করেছে, তেমনি দেশের প্রতিথযশা ব্যক্তিরা এ আয়োজনে আতিথ্যবরণ করে চাঁদপুরের মানুষকে করেছেন ভালোবাসার ঋণে আবদ্ধ। এ পর্যন্ত চাঁদপুর কণ্ঠ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে জেলার শতাধিক গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধিত করেছে। পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি স্বরূপ ৫শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীকে সংবর্ধিত করেছে। এ পর্যন্ত চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশের বিশিষ্টজনদের মধ্যে যারা আতিথ্যবরণ করেছেন তাঁরা হচ্ছেন : দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকম-লীর সভাপতি ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রভাবশালী উপদেষ্টা ব্যরিস্টার মইনুল হোসেন (২০০০), বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি, সুপ্রীমকোর্ট আপীল বিভাগের সাবেক বিচারপতি ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ (২০০১), তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, পিএসসি ও বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ (২০০১), সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী (২০০১), বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর মহাসচিব, টিভি ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান (২০০১), অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল অব বাংলাদেশের সাবেক জজ আলহাজ¦ এস এম এ হোসেন, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. হাসানুজ্জামান, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন (২০০৩, ২০০৪), তথ্য সচিব নাজমুল আলম সিদ্দিকী (২০০৩), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক আহমদ নজীর (২০০৩), সাবেক বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, সব ক’টি সংসদীয় আসনের এমপি, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সবক’টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়েছেন।

মরণোত্তর সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়েছে যাঁদের : ২০০০ সালের ১৭ জুন চাঁদপুর কণ্ঠ তার সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৪২ জন গুণীজনকে মরণোত্তর সম্মাননা জ্ঞাপন করে। চাঁদপুরের ইতিহাসে সে বছরেই প্রথম গুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে চাঁদপুর কণ্ঠ এক ইতিহাস রচনা করে। দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকম-লীর সভাপতি ও সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ব্যরিস্টার মইনুল হোসেন সেদিন চাঁদপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুণীদের এ সম্মাননা প্রদান করেন।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়।

সংবর্ধিতরা হলেন : সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে : সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন; সাংবাদিকতায় : অ্যাডভোকেট আবদুল খালেক চৌধুরী, শাহ আমান উল্লাহ্ মানিক, অজিত কুমার মুকুল; সাহিত্যে : অধ্যাপক কবি জাকির হোসেন মজুমদার; মুক্তিযুদ্ধে : শহীদ জাবেদ, শাহ আতিকুল্লা (বাচ্চু) ও জহিরুদ্দিন বাবর; আইন পেশায় : অ্যাডভোকেট বরদা প্রসন্ন মজুমদার; সমাজসেবায় : ড. এমএ সাত্তার (সাবেক সচিব), আলহাজ¦ সিরাজুল ইসলাম খান; চিকিৎসা ও সমাজসেবায় : ডাঃ নূরুর রহমান, ডাঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী ও ডাঃ ফজলুর রহমান চৌধুরী; মুক্তিযুদ্ধ ও শিক্ষায় : ইব্রাহীম বিএ বিটি ও অধ্যাপক সামছুদ্দিন আহমেদ; ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ায় : আলহাজ¦ আহ্মদ আলী পাটওয়ারী; রাজনীতি ও সমাজসেবায় : ওয়ালী উল্লাহ্ নওজোয়ান, আঃ করিম পাটোয়ারী, আবদুর রব, অ্যাডভোকেট আবু জাফর মঈনুদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবদুল আউয়াল, অ্যাডভোকেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট দেওয়ান আবদুল আলী; সাংস্কৃতিতে : মরু ঘোষাল ও অ্যাডভোকেট হরিপদ চন্দ (বুদা); অভিনয়ে : মোহাম্মদ আলী; চলচ্চিত্রে : কিউকিউ জামান, ভাষা আন্দোলনে পৃষ্ঠপোষকতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানে : কমর উদ্দিন চৌধুরী, ক্রীড়ায় : চ্যানেল বিজয়ী সাঁতারু আবদুল মালেক; শিক্ষায় : ওয়ালি উল্লাহ্ পাটোয়ারী, প্রিন্সিপাল আজিমুদ্দিন, অধ্যক্ষ এডব্লিউএম তোয়াহ মিয়া, প্রফেসর একেএম ইউনুছ, প্রফেসর মোঃ ইসহাক খান, এটি আহমেদ হোসেন রুশদী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, এসএন রায় ও চিত্তরঞ্জন রায় চৌধুরী; নারী জাগরণে : মিসেস মাজেদা রহমান ও মিসেস সুরাইয়া বেগম। এদিন অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিলো আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ড. শামছল হক ভূঁইয়াসহ সাবেক ও তৎকালীন এমপি, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, বুদ্ধিজীবী ও খ্যাতনামা সাংবাদিকগণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

২০০১-এর সংবর্ধনা : চাঁদপুর কণ্ঠের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ বছর জেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে ১৫ জন গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি, সুপ্রীম কোর্ট আপীল বিভাগের সাবেক বিচারপতি ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ প্রধান অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠাানে উপস্থিত থাকেন। সংবর্ধিতগণ হচ্ছেন : রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুক্তযুদ্ধে-জহিরুল হক পাঠান; ক্রীড়ায়-অরুণ নন্দী ও আব্দুল হক মোল্লা; পত্রিকা সম্পাদনায় নূরজাহান বেগম (সাপ্তাহিক বেগম সম্পাদিকা), সাংবাদিকতায়-মরহুম এমএমএ বাতেন ও কামরুজ্জামান চৌধুরী; শিক্ষায়-অধ্যাপক এবিএম ওয়ালী উল্লাহ ও প্রফেসর মাহমুদা খাতুন; চিকিৎসা ও সমাজসেবায়-ডাঃ এম এ গফুর; সাহিত্যে-চারণ কবি সামছুল হক মোল্লা, সংস্কৃতিতে-জীবন কানাই চক্রবর্তী; শিশু সংগঠন ও কল্যাণে-মাকসুদুল হক বাবলু, মহিলাদের ক্রীড়ায় উদ্ধুদ্ধকরণে-ছমিরুন্নেছা।

গুণীজন সংবর্ধনা ছাড়াও ওই বছর চাঁদপুর কণ্ঠের পক্ষ থেকে খলিল সর্দার নামে একজন দুঃস্থ অসহায় মুক্তিযোদ্ধাকে পুনর্বাসনে ২টি রিক্সাসহ নগদ অর্থ প্রদান, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ,  কার্ড কর্নার ড্র, র‌্যাফেল ড্র ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য, এ অনষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, পিএসসি ও বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাবেক রাষ্ট্রপতি)।

২০০২ সালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নবযাত্রা : ২০০২ সালে চাঁদপুর কণ্ঠের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছিলো না বিশেষ কোনো আয়োজন ও কর্মসূচি। শুধু ছিলো পত্রিকাকে ক্ষুদ্রাকার থেকে বৃহদাকার করার কর্মসূচি। পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশারের স্বপ্ন অনুযায়ী জাতীয় পত্রিকার আদলে এদিন চাঁদপুর কণ্ঠ প্রথম প্রকাশিত হয়। এদিন প্রতিষ্ঠাতার পক্ষ থেকে চাঁদপুর কণ্ঠের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আনন্দ অফসেট প্রেস পত্রিকার জন্যে উপহার হিসেবে পাওয়া যায়। সেদিন থেকে স্মার্ট চাঁদপুর কণ্ঠের যাত্রা শুরু হয়।

২০০৩-এর কৃতী সংবর্ধনা ও আরো আয়োজন : ২০০৩ সালে ৫ দিনব্যাপী ব্যাপক অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর কণ্ঠ পালন করে তার ১০ম প্রতষ্ঠিাবার্ষিকী। ছবি আঁকা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পাঠক সমাবেশসহ নানা আয়োজনের পর এ বছর সমাপনী দিবসে জেলার ৭৬ জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রীকে সংবর্ধিত করা হয়। এ অনুষ্ঠানে তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন প্রধান অতিথি এবং তথ্য সচিব নাজমুল আলম সিদ্দিকী, শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক আহমদ নজির প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

২০০৪ সালে প্রায় পৌনে দু’শ’ কৃতী শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা : ২০০৪ সালে চাঁদপুর কণ্ঠের একাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১১ জুন থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন, বিশেষ দোয়া ও মাহফিল, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফুটবল প্রতিযোগিতা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে সমাপনী দিনে প্রায় পৌনে দু’শ’ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। যা চাঁদপুরে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। তৎকালীন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও পরবর্তীতে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আঃ রব হাওলাদার আনুষ্ঠানিকভাবে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন।

২০০৫ সালের যুগপূর্তিতে গুণীজন সংবর্ধনা : প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের আনুষ্ঠানিক ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে চাঁদপুর কণ্ঠ ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে তার এক যুগ পূর্তি উৎসব পালন করে। এ বছর রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, সুধীজনসহ সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পাঠক সমাবেশ, মতবিনিময় সভা, র‌্যালীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ বছর জেলার সবক’টি উপজেলায় পাঠক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা আয়োজন করে চাঁদপুর কণ্ঠ ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। এ বছর চাঁদপুর জেলায় জন্ম নিয়ে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে চাঁদপুর কণ্ঠ মোট ২৭ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধিত এবং ক্রেস্ট প্রদান করে। তৎকালীন বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংবর্ধিত অতিথিদের ক্রেস্ট প্রদান করেন।

সংবর্ধিত গুণীজনরা হচ্ছেন ঃ নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত বেগম সম্পাদিকা মিসেস নূরজাহান বেগম, সমাজসেবায় অগ্রণী নারী লায়ন অ্যাডভোকেট নার্গিস সুলতানা, মিসেস ফজিলাতুন নাহার ও মিসেস প্রতিভা রাণী বসু (মরণোত্তর), দেশবরেণ্য চারুশিল্পী মনিরুল ইসলাম ও হাশেম খান, দেশবরেণ্য সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন মোস্তান, সম্পাদনায় সফল-এএমএম বাহাউদ্দিন (দৈনিক ইনকিলাব), বিশিষ্ট সমাজসেবক এমএ হান্নান, লায়ন হারুনুর রশিদ, ভূপেশ চন্দ্র রায় চৌধুরী ও মোঃ শাহাবুদ্দিন অনু, কৃতী শিক্ষাবিদ কাজী বজলুল হক (মরণোত্তর), এমএ হালিম টিটু ও রোটারিয়ান অধ্যক্ষ আলমগীর কবির পাটওয়ারী, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ গোলাম সাঈদ হাসান চৌধুরী (তামিম) ও মাহবুবুর রহমান শাহীন, বিশিষ্ট কৃষক সংগঠক নাজমুল করিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ (যুদ্ধাহত), বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ এসএম সহিদ উল্লাহ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী চাঁদপুরের একমাত্র মৎস্য রপ্তানী শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা শাহিদুর রহমান চৌধুরী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবায় অ্যাডভোকেট শেখ মতিউর রহমান ও অ্যাডভোকেট তাফাজ্জল হায়দার নসু চৌধুরী (নসু) (মরণোত্তর), প্রকাশনা শিল্পের সফল ব্যক্তিত্ব কামরুল হাসান শায়ক (পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিঃ), বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আমিন বাদল, স্থানীয় সাংবাদিকতায় সফল এমএমএ বাতেন (মরণোত্তর) ও সাংস্কৃতিক সংগঠক লায়ন মাহবুবুল হক।

সমাপনী দিবসে আলোচনা সভায় পুরস্কার বিরতণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠনে সংগীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও টিভির জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী রিজিয়া পারভীন ও আমিন বাদল।

২০০৬ সালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী : ২০০৬ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের ত্রয়োদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র‌্যাফেল ড্র-এর মাধ্য দিয়ে এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান পালিত হয়। ২০০৭ সালের চতুর্দশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী : ২০০৭ সালে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন এবং জরুরি অবস্থার কারণে চঁদপুর কণ্ঠের চতুর্দশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন অনেকটা সংক্ষিপ্তভাবে সম্পন্ন হয়। এ বছর চিত্রাঙ্কন, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সাঁতার প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী এবং একক সংগীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়। এ বছর প্রধান অতিথি হিসেবে থাকেন চাঁদপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক এসএম মনিরুল ইসলাম।

পঞ্চদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  ২০০৮ : চাঁদপর কণ্ঠ তাঁর পঞ্চদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আয়োজন করেছে ছবি আঁকা, কবিতা আবৃত্তির মত শিশু-কিশোরদের মেধা ও মনন বিকাশের মত প্রতিযোগিতার। সেদিন বিকেলে চাঁদপুর ক্লাবে আয়োজিত সমাপনী দিবসের কর্মসূচিতে ছিলো প্রতিনিধি সম্মেলন, আলোচনা সভা, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরগণের সংবর্ধনা, পুরস্কার বিরতণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং র‌্যাফেল ড্র। এতে চাঁদপুরের শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ বরেণ্য সুধীজন ও জনপ্রতিনিধিগণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পাঠকপ্রিয়তায় চাঁদপুর কণ্ঠ এখন একটি মহীরুহ। এই পাঠকপ্রিয়তা ধরে রাখতে চাঁদপুর কণ্ঠ তার নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

২০০৯ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের ষষ্ঠদশ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী : এ উপলক্ষে চাঁদপুর ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় ছিলো : আলোচনা সভা, চাঁদপুরের ভাষা সৈনিকদের প্রথমবারের মত সংবর্ধনা, বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ বছরই প্রথম জেলাব্যাপী দৈনিক চাঁদপুর কন্ঠ-পাঞ্জেরী বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

২০১০ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের সপ্তদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। চাঁদপুর ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠান মালায় ছিলো আলোচনা সভা, গুণী সাংবাদিকদের সংবর্ধনা, বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

২০১১ সালে চাঁদপুর কণ্ঠের ১৮তম জন্মদিন উপলক্ষে ৩য় পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল সহ পালিত হয় বিভিন্ন কর্মসূচি। চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে শুভ জন্মদিনের কেক কাটা শেষে প্রদর্শিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠ সম্পর্কে ভিডিওতে ধারণকৃত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বেশ কিছু মন্তব্য। ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনে এদিন পালিত চাঁদপুর কণ্ঠের জন্মদিনের সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি ক্যাবল টিভির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

২০১২ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের ১৯তম শুভ জন্মদিন। এদিন চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে আয়োজিত অনুষ্ঠান মালার মধ্যে ছিলো ৪র্থ পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব ও পুরস্কার বিতরণ, সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্ব ও ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

২০১৩ সালে চাঁদপুর কণ্ঠের ২০তম জন্মদিনে চাঁদপুর শহরের কবি নজরুল সড়কস্থ প্রেসক্লাবের পূর্বপাশে রেড ক্রিসেন্ট ভবনে চাঁদপুর কণ্ঠ কার্যালয় সম্প্রসারণে দোয়া ও জন্মদিনের কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথি ও সুধীবৃন্দসহ পত্রিকা সংশ্লিষ্ট সকলে একে অপরকে কেক খাইয়ে আনন্দঘন পরিবেশে এদিন জন্ম উৎসব পালন করেন।

২০১৪ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের দু দশক পূর্তি উৎসব এবং ২১তম জন্মদিন। এদিন রেড ক্রিমেন্ট ভবনে পত্রিকা কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

২০১৫ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের ২১ বছর পূর্তি ও ২২ তম  জন্মদিন। এ উপলক্ষে ১৫,১৬ ও ১৭ জুন ৩দিন প্রকাশিত হয় বর্ধিত কলবরে পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা। পত্রিকা কার্যালয়ে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ পত্রিকা সংশ্লিষ্ট সকলে।

২০১৬ সালে পালিত হয় চাঁদপুর কণ্ঠের ২২ বছর পূর্তি। এদিন রমজান মাস চলাবস্থায় সংক্ষিপ্ত পরিসরে দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় ২৩ তম জন্মদিন।

২০১৭ সালে চাঁদপুর কণ্ঠের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত হয় বিশেষ ক্রোড়পত্র।

২০১৮ সালের ১৭ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর পরবর্তী দিন হওয়ায় চাঁদপুর কণ্ঠের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব পালিত হয়নি।

এ বছর ২০১৯ সালের ১৭ জুন পালিত হচ্ছে চাঁদপুর কণ্ঠের ২৫ বছরপূর্তি তথা রজতজয়ন্তী উৎসব। এ উপলক্ষে এদিন জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে একাদশ পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার উল্লাস (ফাইনাল) পর্ব। চাঁদপুর কণ্ঠ এবং চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশন (সিকেডিএফ)-এর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে বেলা ১২টায়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ¦ ডাঃ দীপু মনি এমপি। আর দেশের খ্যাতিমান সাহিত্য ব্যক্তিত্বরা একাদশ পাঞ্জেরী চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।


আজকের পাঠকসংখ্যা
২২৬৩৬৫
পুরোন সংখ্যা