চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২০, ২৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৬ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে আরো ১২ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৫৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৬-সূরা তাহ্রীম


১২ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


(৩) স্মরণ কর, নবী তাহার স্ত্রীদের একজনকে গোপনে একটি কথা বলিয়াছিল। অতঃপর যখন সে উহা অন্যকে বলিয়া দিয়াছিল এবং আল্লাহ নবীকে উহা জানিয়ে দিয়াছিলেন, তখন নবী এই বিষয়ে কিছু ব্যক্ত করিল এবং কিছু অব্যক্ত রাখিল। যখন নবী উহা তাহার সেই স্ত্রীকে জানাইল তখন সে বলিল,'কে আপনাকে ইহা অবহিত করিল?' নবী বলিল, 'আমাকে অবহিত করিয়াছেন তিনি, যিনি সর্বজ্ঞ, সম্যক অবগত।'


প্রকৃতির আইন সর্বক্ষেত্রেই মানব কল্যাণের জন্য নিবেদিত।


-ফ্রান্সিস বেকন।


 


 


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।


 


ক্ষমতায় মদমত্ত জালেমের জুলুমবাজির প্রতিবাদে সত্য কথা বলা ও মতের প্রচারই সর্বোৎকৃষ্ট জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
হাজীগঞ্জে পোকার আক্রমণে কুমড়াচাষীরা দিশেহারা উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারছে না
১২ মার্চ, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হাজীগঞ্জে পোকার আক্রমণে কুমড়াচাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা তাদের উৎপাদিত কুমড়া বিক্রি করতে পারছে না। ফলে এ বছর কুমড়াচাষীদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।



হাজীগঞ্জ উপজেলায় বহু বছর ধরে বর্ষা মৌসুমের পরে জমিতে কুমড়া আবাদ করে আসছেন কৃষকেরা। কুমড়া চাষাবাদ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এই আবাদ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু চলতি বছর পোকার আক্রমণ হওয়ায় অনেক কুমড়া জমিতেই পচে যায় এবং কৃষকরা ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর কারণ হিসেবে কৃষকরা কৃষি কর্মকর্তাদের বারবার বলা সত্ত্বেও তাদের সহযোগিতা না পেয়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বলাখাল দক্ষিণ গ্রামের মাঠগুলোতে এসব দৃশ্য দেখা যায়।



চাঁদপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার সদর ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় অধিকাংশ ইউনিয়নে কুমড়া আবাদ হয়। এ বছর এ দু উপজেলাসহ জেলায় ৬শ' ৫০ হেক্টর জমিতে কুমড়ার আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন হয়েছে ২৬ হাজার ৫শ' মেট্রিক টন। আর হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন হয়েছে ২৫ মেট্রিক টন।



বলাখাল এলাকার কৃষক অহিদুর রহমান জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় এ বছর উৎপাদন আরো বৃদ্ধি হওয়ার কথা থাকলেও পোকার আক্রমণে জমিতেই অধিকাংশ কুমড়ার পচন ধরেছে। এর ফলে আমরা কুমড়াগুলো বিক্রি করতে পারিনি। অন্য বছর জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব কুমড়া ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী করা হয়েছে। কিন্তু এ বছর কুমড়ার ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অন্য জেলায় রপ্তানী করতে না পেরে স্থানীয় বাজারেই কুমড়া বিক্রি করতে হয়েছে।



বাকিলা এলাকার ইলিয়াছ ও রহমান মিয়া জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের বার বার বলা সত্ত্বেও তারা আমাদের আবাদের এ অবস্থা দেখতে আসেননি। তারা যদি সময়মত আমাদের এসে পরামর্শ দিতেন তাহলে ক্ষতির সম্মুখীন হতাম না।



একই এলাকার আরেক কৃষক আফসার উদ্দিন খান, তিনি এ বিষয়ে ইউনিয়ন কৃষি অফিসে গেলে তাকে বলে মাঠ থেকে পচা কুমড়া আর গাছ নিয়ে আসতে। এটা কিভাবে সম্ভব। সরেজমিন না গেলেতো আমাদের বাস্তব অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়। সঠিক সময়ে কীটনাশক ব্যবহার ও পরামর্শ না পাওয়ায় আমাদের লোকসানে পড়তে হয়েছে। কারণ অনেকেই বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে কৃষি আবাদ করেছেন।



চাঁদপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ অফিসার নোয়াখেরুল ইসলাম জানান, কুমড়ায় পোকার আক্রমণ বিষয়ে কিছু কিছু এলাকার কৃষকদের অভিযোগ পেয়েছি। কৃষি কর্মকর্তারা সবসময়ই কৃষকদের পরামর্শ দেন। যদি কোনো কর্মকর্তা তাদের দায়িত্ব অবহেলা করে, তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করে আসছি এবং তাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হবে।



চাঁদপুরের জনপ্রিয় এ কুমড়া আবাদের ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধান বাড়লে এবং সঠিক সময়ে কৃষকদের পরামর্শ দিলে লোকসানে পড়বে না কৃষক। স্থানীয় বাজারগুলোর চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানী করতে পারবে দেশের অন্যান্য জেলায়-এমন অভিমত অধিকাংশ কৃষকের।



সূত্র : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫২৫০
পুরোন সংখ্যা