চাঁদপুর, রোববার ২ জুন ২০১৯, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৭ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, কিংবদন্তীতুল্য সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ এম এ গফুর আর বেঁচে নেই। আজ ভোর ৪টায় ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।বাদ জুমা পৌর ঈদগাহে জানাজা শেষে বাসস্ট্যান্ড গোর-এ-গরিবা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্


৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৫। যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, 'সালাম।' উত্তরে সে বলিল, 'সালাম।' ইহারা তো অপরিচিত লোক।


২৬। অতঃপর ইব্রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংস গো-বৎস ভাজা লইয়া আসিল।


২৭। ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, তোমরা খাইতেছ না কেন?


 


 


assets/data_files/web

যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও। -টেনিসন।


 


 


যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ নয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে ৩ হাজার ২শ' ৪৮ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ
মরিচের ফলন তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
০২ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মরিচ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা ফসল। কাঁচা ও পাকা অবস্থায় খাওয়া হয়। প্রায় সব ধরনের তরকারি, আচার ও নানা রকমের খাবারকে সুস্বাদু ও মুখরোচক করতে মরিচের ব্যবহার অত্যাবশ্যক। কাঁচা মরিচে ভিটামিন এ ও সি বিদ্যমান। আমাদের দেশে ঝাল ও মিঠা দু' ধরনের মরিচ পাওয়া যায়। এ দেশে ঝাল মরিচের কদর বেশি। পারিবারিক চাহিদা মেটাতে অনেকেই বাড়ির আঙ্গিনায় আবার কেউ বা ফসলি জমিতে মরিচের চাষ করে। এছাড়া সারা বছরই মরিচ চাষ করা যায়। তবে শীতকালে চাষ বেশি হয়। শীতকালীন ফসলের জন্য ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের জন্য চৈত্র-বৈশাখ মাসে বীজ বপন বেশি হয়। চারা লাগানোর দেড় মাস পর হতে কাঁচামরিচ সংগ্রহ করা যায়। ভালো শুকনা মরিচ পেতে হলে ফলন সামান্য রং ধরলে তুলতে হয়।

চাঁদপুরের রবি মৌসুমে লাগানো মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। অধিক ফলন ও ভালো দাম পেয়ে মরিচ চাষীদের মনে খুশির জোয়ার বইছে। হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের পীর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওঃ মোঃ শহিদুল্লাহ পাটওয়ারী জানান, এ বছর রবি মৌসুমে ৩০ শতাংশ জমিতে মরিচের চারা রোপণ করেছেন। পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চারা রোপণ করে এ পর্যন্ত ৩ বার পাকা লাল মরিচ তুলেছেন।

চাঁদপর সদর উপজেলার তরপুরচ-ী গ্রামের ডগার বিলে মরিচের ভালো ফলন হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে জিএম ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের দু শিক্ষার্থীর রমজানের ছুটিতে স্কুল বন্ধ থাকায় তারা বাড়ির পাশে নিজ জমিতে বাবা-মায়ের সাথে মরিচ তুলছেন।

কৃষকরা জানান, কয়েকদিন আগে ৩৫শ' টাকা করে ২ মণ শুকনা মরিচ বিক্রি করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে সাধারণ ১৫-১৬ মণ মরিচ পাওয়া যায়। সে অনুপাতে এ বছর অন্য ফসলের লোকসানে মরিচে কিছুটা পূরণ হবে বলে আশা করা যায়। তারা বলেন, শুকনা মরিচের দাম ৩৫শ' টাকা থেকে ৪ হাজার টাকায় পেঁৗছলে আমরা কৃষকরা লাভবান হবো।

চাঁদপুর জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান জানান, রবি মৌসুমে চাঁদপুরে ৩ হাজার ২ শ' ৪৮ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। সে মতে উৎপাদন হয়েছে ৩ হাজার ২ শ' ৭৮ মেট্রিক টন। প্রতি হেক্টর জমিতে ১ দশমিক ৪০ মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদন হয়। ইতিমধ্যেই কৃষক ও কৃষাণীদেরকে লাল মরিচ উত্তোলন এবং মরিচ শুকাতে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা গেছে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩০৮৫৬
পুরোন সংখ্যা