চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৭ এপ্রিল ২০১৭। ১৪ বৈশাখ ১৪২৪। ২৯ রজব ১৪৩৮
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
বৈশাখের বৃষ্টিতে ডুবছে ফসলি জমি কৃষকের অস্বস্তি
স্টাফ রিপোর্টার
২৭ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরে বৈশাখের বৃষ্টিতে ডুবছে ফসলি জমি। হঠাৎ চারদিক অন্ধকার হয়ে দমকা হওয়া শুরু। পাঁচ-দশ মিনিট বা আধ ঘণ্টার ঝড়ে সবকিছু ল-ভ-। এরপরই আকাশ পরিষ্কার। বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে এটাই ছিল প্রকৃতির চেনা রূপ। কিন্তু এবার যেন আষাঢ় নেমে এসেছে বৈশাখে। দিনের পর দিন দেশজুড়ে মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া। কোথাও কোথাও টানা বৃষ্টি। অকালের এ ভারী বর্ষায় তলিয়ে গেছে ফসলী মাঠ। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থেকে নষ্ট হচ্ছে শত শত হেক্টর জমির বোরোসহ মৌসুমী ফসল। দিশাহারা হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষক।



জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ফসলী জমিতে চাষ হয়েছে বোরো ৬১ হাজার ৬শ' ৭২ হেক্টর, বোনা আমন ৪০ হেক্টর, আউশ ১১ হেক্টর, পাট ১ হাজার ২শ' ২৫ হেক্টর, ভূট্টা ৩শ' ১০ হেক্টর, মরিচ ১শ' ৫০ হেক্টর, মোগ (ডাইল) ১০ হেক্টর, সোয়াবিন ২'শ ৩০ হেক্টর, গ্রীষ্মকালিন সবজি ২শ' ৭০ হেক্টর।



গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে জেলার ৮ উপজেলায় এক হাজার ৮৪০ হেক্টর বোরো ধান ডুবে গেছে। তলিয়ে যাওয়া বোরো ক্ষেতের মধ্যে রয়েছে হাইমচর, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুুর সদর, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলা। এ তথ্য উপজেলা কৃষি অফিসের। আর কৃষকদের হিসাব অনুযায়ী নিমজ্জিত ক্ষেতের পরিমাণের দ্বিগুণ।



সরজমিনে দেখা যায় চাঁদপুুর সদর উপজেলা আশিকাটি ইউনিয়নে হাপানিয়া গ্রামে বৃষ্টির পানিতে ফসলী জমি ডুবে গেছে। স্থানীয় কৃষরা উপায় না পেয়ে পাম্প মেশিন দিয়ে পানি নিষ্কাশন করছেন। এদের মধ্যে আশাকাটি ইউপি চেয়ারম্যানে নির্দেশে মেম্বার মোঃ লোকমান মুন্সী ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার এসএম কামরুজ্জামানের পরামর্শে কৃষক সুমন পাটওয়ারী, মজিব, সজিব, দুলাল কাকন, ও ইউসুফ মুন্সী কাজ করেছেন।



কৃষকরা অস্বস্তি প্রকাশ করে জানান, হানাপিয়া গ্রামের ফসল (বোরো) তিন দিন ধরে পানির নিচে। বৃষ্টির পানি জমে পানি ঢুকে ফসলি জমিতে। প্রায় ৫শ' একর জমির ধান ডুবে যায়। সেই পানি রোববার থেকে নামা শুরু করলে এতে তলিয়ে যায় নিম্নাঞ্চলের হাপানিয়া গ্রাম।



বালিয়া ইউনিয়নে মৎস্যজীবীদের ঘেরের কারণে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। তারা মাছ চাষ করার জন্যে খাল ও ডোবা-নালায় বেড় দেয়ায় পানি নামছেনা। এতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে কৃষকরা। কৃষকরা অভিযোগ করেন বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছেন মাছ চাষের জন্যে। তারা বলেন, আমরা কত কষ্ট করে ফসল ফলাই। আর এসব ফসল পানি নিষ্কাশনের কারণে নষ্ট হচ্ছে। এখনতো আর বর্ষা না। বৃষ্টির কারণে পানি জমে গেছে। খাল ও ডোবাগুলোর পানির পবেশ পথ যদি বন্ধ না হতো। তাহলে আমাদের আর বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না। এখন ধান পাকতে শুরু করেছে। অথচ পানির কারণে ধান কাটতে পারছি না। পানি নিষ্কাশনের সহজ মাধ্যম হলো ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের খাল। কিন্ত পানি নিষ্কাশনের কোনো উদ্যোগ চেয়ারম্যান নিচ্ছেন না।



এ ব্যাপারে কথা হয় বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ তাজুল ইসলাম মিজির সাথে। তিনি বলেন, আমার কাছে অভিযোগ এসেছে পানির জন্যে নাকি কৃষকরা ধান কাটতে পারেনা। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ বস্নকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার ফারুক আহমেদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।



এ দিকে ভারী বর্ষণে জেলার বিভিন্ন নিচু জমির ধান তলিয়ে যাওয়ায় বহু কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত পুকুর খনন, ডোবা- নালা ভরাট করে ফেলা ও খালের মুখ বন্ধ করায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।



জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার নরেশ চন্দ্র দাস বলেন, প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির ধান ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। ৮০% ধান পাকলেও কৃষককে কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তরে বেড়িবাঁধের পানি নিষ্কাশনের জন্যে পাউবোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তারা পানি নিষ্কাশনের কাজও করছে বলে আমাদের জানিয়েছে। এতে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষা পাবে।



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭। মূসা-জননীর অন্তরে আমি ইঙ্গিতে নির্দেশ করিলাম, ‘শিশুটিকে স্তন্য দান করিতে থাক যখন তুমি তাহার সম্পর্কে কোন আশঙ্কা করিবে তখন ইহাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ করিও এবং ভয় করিও না, দুঃখ করিও না। আমি অবশ্যই ইহাকে তোমার নিকট ফিরিয়া দিব এবং ইহাকে রাসূলদের একজন করিব।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সঙ্গ দোষেই মানুষ খারাপ হয়।       -প্রবাদ। 


                       


 


যার হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ অহঙ্কার আছে সে কখনো বেহেস্তে প্রবেশ করতে পারবে না।    


 

ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৪,৩৬,৬৮৪ ৫,৫৪,২৮,৫৯৬
সুস্থ ৩,৫২,৮৯৫ ৩,৮৫,৭৮,৭০৩
মৃত্যু ৬,২৫৪ ১৩,৩৩,৭৭৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৪৫৬৪
পুরোন সংখ্যা