চাঁদপুর। বুধবার ২৫ জানুয়ারি ২০১৭। ১২ মাঘ ১৪২৩। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১২। উহাদিগকে তো শ্রবণের সুযোগ হইতে দূরে রাখা হইয়াছে।


২১৩। অতএব তুমি অন্যকোন ইলাহ্কে আল্লাহ্র সহিত ডাকিওনা, ডাকিলে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


অন্ধ ব্যক্তিরাই পৃথিবীর বেশি ভাগ্যহত। 


                        -ডিকের্ন্স।


যারা এক মুখে দুই কথা বলে, তারা মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ব্যক্তি।


 

ফটো গ্যালারি
আশিকাটিতে আলু চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৫ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নে চলছে কৃষকের স্বপ্নের আলু চাষ। এখন চলছে সার দেয়ার পালা আর জমির পরিচর্যার কাজ। প্রাকৃতিক সমস্যা না থাকলে নব্বই দিন পরেই কৃষকের ঘরে উঠবে সেই স্বপ্নের আলু, যা বিক্রি করে কৃষককুল দেনা পরিশোধ করবে আর লাভেরটা ব্যয় করবে সুখের পেছনে। আর কৃষক-কৃষাণীরা আলু চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে এমনই প্রত্যাশা করেন তারা। প্রতিবারের চেয়ে এবারে আলুর চাষ বেশি হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।



চাঁদপুুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের ঠিক মাঝখান দিয়ে চলে গেছে চাঁদপুর বাবুরহাট-মতলব পেন্নাই আঞ্চলিক মহাসড়ক। এই মহাসড়কের পূর্ব পাশের মাঠটি হোসেনপুর, সেনগ্রাঁও ও উওরে রালদিয়া, আমানউল্লাহপুর, পাইকাস্তা গ্রাম। এ দুটি মাঠ ও তৎসংলগ্ন মাঠগুলোতে একই ধারায় চাষ হয়ে আসছে আলু ও অন্যান্য শীতের তরকারি। স্থানীয় কৃষকরা ইতোমধ্যে আলু চাষ শেষ করেছে। এখন ফলন ঘরে তোলার সময় চলে এসেছে। সরজমিনে দেখা যায়, ২/১টি জমি বাদে পুরো মাঠেই আলুর জমির চিত্র চোখে পড়ছে। রোপণকৃত আলুর সারি সারি সহস্র লাইন যেন বলে দিচ্ছে আশিকাটিতে এবার আলু নামের সোনা ফলবে।



 



জানা যায়, প্রতিবছর চাঁদপুুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের প্রায় ২ হেক্টর ৩শ দশ একর জমিতে আলু চাষ হয়। আলুর ফলন উঠার পরেই একই জমিতে শীতের সবজি করলা, বরবটি, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল চাষ হয়। তবে এবারে কৃষকরা আলুর দাম বেশি হওয়ার কারণে আরো বেশি পরিমাণ জমিতে আলু চাষ করেছে বলে চাঁদপুুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়।



 



প্রায় দশ বছর ধরে আশিকাটিতে নিজের জমিতে আলু চাষ করছেন হোসেনপুর গ্রামের গ তাজুল ইসলাম । তিনি জানান আলু চাষে নানা প্রতিবন্ধকতার কথা। নিজের একক প্রচেষ্টায় সরকারি কোনো সহযোগিতা ছাড়াই দেড়শ শতাংশ জমিতে আলু চাষ করেছেন। সার কিনতে গিয়ে ঠকছেন প্রতিনিয়ত। ইউরিয়া, টিএসপি কিংবা লাল সার ৫০ কেজি ওজনের সকল ধরনের বস্তায় মিলছে ৪৬ থেকে ৪৭ কেজি সার। ইউরিয়া কিনতে হচ্ছে বস্তাপ্রতি এক হাজার তিন শ' পঞ্চাশ টাকায়। টিএসপি ৫০ কেজির বস্তা কিনতে হচ্ছে এক হাজার চার শ' টাকায় আর একই ওজনের লাল সারের বস্তা কিনতে হচ্ছে এক হাজার তিন শ' টাকায়। সরকারি সহযোগিতা কিংবা সারের বাজার দরের বিষয়ে একই সুরে কথা বললেন প্রায় দুই শ' বিশ শতাংশ জমিতে আলু চাষকারী স্থানীয় একই গ্রামের আঃ লতিফ ও প্রায় এক শ' আশি শতাংশ জমিতে আলু চাষকারী কুমারডুগী গ্রামের জুলহাস মিয়া।



 



উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দীল আতিয়া পারভীন জানান, আশিকাটি ইউনিয়নে গত কয়েক বছর ধরে আলু ভালো হয় এছাড়া অন্যান্য বছরের তুলনায় এ ইউনিয়নে আলু চাষ এবার বেশি হয়েছে। এবারে কৃষকরা আলুর দাম বেশি পাওয়ায় আরো বেশি পরিমাণ জমিতে আলু চাষ হয়েছে। সারের বস্তায় ওজনে কমের বিষয়টি সার মিল কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে আর সারের দামের বিষয়টি মনিটরিং করা হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৬২৫১
পুরোন সংখ্যা