চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৫ আগস্ট ২০১৬। ১০ ভাদ্র ১৪২৩। ২১ জিলকদ ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে আরো ১২ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৫৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৫-সূরা ফুরকান

৭৭ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৯। আল্লাহ মুশরিকদিগকে বলিবেন, ‘তোমরা যাহা বলিতে উহারা তাহা মিথ্যা সাব্যস্ত করিয়াছে। সুতরাং তোমরা শাস্তি প্রতিরোধ করিতে পারিবে না এবং সাহায্যও পাইবে না। তোমাদের মধ্যে যে সীমালঙ্ঘন করিবে আমি তাহাকে মহাশাস্তি আস্বাদন করাইব।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


সুন্দর জিনিস চিরকালের আনন্দ।

-কিটস।


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।  

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে
চাঁদপুরে নিরাপদ গো-মাংস উৎপাদনে খামারীরা প্রস্তুত পশুর হাটে থাকছে মেডিকেল টিম
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৫ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে চাঁদপুরে নিরাপদ গো-মাংস উৎপাদনকারী খামারীরা প্রস্তুত রয়েছেন। তাদের সুবিধামতো পশুর হাটগুলোতে নিজেদের গরুগুলো বিক্রি করবেন এমনটাই খামারীরা প্রত্যাশা করছেন। জেলায় এ বছর কোরবানির জন্যে ৩০ হাজার ১শ' ঊনপঞ্চাশটি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া চাঁদপুরে পশুর হাটগুলোতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ৩৭টি মেডিকেল টিম কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় গো-মাংস উৎপাদনের গবাদি পশুর মোটাতাজাকরণ খামারীদের তালিকা অনুযায়ী ষাড় ১২ হাজার ৮৪টি, মহিষ ২৭টি, বলদ ৪ হাজার ২শ' ৭৫টি। গাভী ৩৪ হাজার ৫৫টি, ছাগল ৮ হাজার ৭শ' ৫টি, ভেড়া ৭শ' ২টি। চাঁদপুরে নিবন্ধনকৃত গো খামারের সংখ্যা ৪ হাজার ৩শ' ২২টি। এছাড়া অনিবন্ধিত রয়েছে প্রায় ৮শ' খামার। এসব খামারে স্বাস্থ্য সম্মতভাবে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। খামারীরা ঈদুল আযহার ২ মাস আগ থেকে থেকে গরু মোটা তাজা করে আসছেন।

এদিকে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এটুআই প্রকল্পের নাগরিক সেবা উদ্ভাবন কার্যক্রমের আওতায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ (ইউএমএস) ৬টি ইউনিয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। তার মধ্যে শাহমাহমুদপুর, বাগাদী, হানারচর, রামপুর, লক্ষ্মীপুর ও মৈশাদী ইউনিয়নে ১৯ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ২ দিন করে নারী-পুরুষকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

চাঁদপুরের বিভিন্ন খামারীরা জানান, আমরা পশু হাসপাতালের ডাক্তারদের পরামর্শে গরু মোটাতাজাকরণ করেছি। আমরা আশা করি ভারতীয় গরু যদি দেশে না আসে তাহলে আমরা ভালো দাম পাবো। আমাদের দেশে একজনের ঘরে খাবার না থাকলে অন্য ঘরে খাবার পাওয়া যায়। কিন্তু গরুর খাদ্য না থাকলে কিন্তু অন্য ঘরে পাওয়া যায় না। অনেক কষ্ট করে গরুগুলো পালন করছি কোরবানি ঈদে বেশি বিক্রির আশায়। তারপর যদি আবার বাইরের গরু দিয়ে হাট ভর্তি হয়ে যায়, তাহলে আমাদের কষ্টের দাম থাকবেনা। সরকার ইচ্ছা করলে পারেন ভারতের গরু আনা বন্ধ করতে। আমাদের লোকসান হলে ভবিষ্যতে কিভাবে গরু পালন করবো। এভাবেই কথাগুলো বললেন হানারচরের শাহআলম সরকার, রহিম মাঝি লক্ষ্মীপুরের মোতালেব ও কোড়ালিয়ার হাবিব।

চাঁদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল করিম বলেন, চাঁদপুরের খামারীরা স্বাস্থ্য সম্মতভাবে নিরাপদ গো-মাংস উৎপাদনে গবাদি পশু লালন-পালন করছেন। এ জেলায় স্টরয়েডের কিছু গরু আসে কুমিল্লা জেলা দিয়ে। এ বছর আমাদের ৩৭টি মেডিকেল টিম পশুর হাটগুলোতে কাজ করবে। কোন খামারীরা গরু যেনো কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় সে জন্যে আমাদের এ টিম কাজ করবে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১০২৯৯৩
পুরোন সংখ্যা