চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৮ জুলাই ২০১৬। ১৩ শ্রাবণ ১৪২৩। ২২ শাওয়াল ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৪-সূরা নূর

৬৪ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মাদানি’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৩। উহারা দৃঢ়ভাবে আল্লাহর শপথ করিয়া বলে যে, তুমি উহাদিগকে আদেশ করিলে উহারা অবশ্যই বাহির হইবে; তুমি বল, ‘শপথ করিওনা, যথার্থ অনুগত্যই কাম্য। তোমরা যাহা কর নিশ্চয়ই ্আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


হতাশা এবং অবিশ্বাস উভয়েই ভীতি দূর করে।      


-উইলিয়াম আলেকজান্ডার।


মায়ের পদতলে সন্তানদের বেহেশত।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
হয়রানির শিকার হয়েও সরকারের কাছে ধান বিক্রি করে কৃষকরা খুশি
আগামীতে কৃষকের জন্যে অভিযোগ বঙ্ খোলা হবে : সিএসডির ব্যবস্থাপক সালমা আক্তার
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৮ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কৃষকের ফলানো ধান চাঁদপুর কেন্দ্রীয় সরকারি খাদ্য গুদামে (সিএসডি) হয়রানির শিকার হয়েও সরকারের কাছে ধান বিক্রি করে কৃষকরা খুশি। কৃষকের দাবি তাদের ধান বিক্রিতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার যাতে তারা না হয় সেজন্যে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছন।



চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সিএসডিতে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক ফরিদুল জানান, ৩ বার ধান বিক্রি করতে আনলাম প্রতিবারই ওজনে কম হয়। বাড়ি থেকে ওজন দিয়ে আনি ২৫ মণ। এখানে আনা হলে ওজন হয় ২১ মণ। কুমারডুগির কৃষক আনোয়ার বলেন, তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪ ভাগ শুকানো হতে হবে। সেই অনুযায়ীই আনি। তারপরও তারা বলে ধান শুকানো হয় না। স্যারেরা বলে, (সিএসডি) 'এখানে শুকাই তাম'। ৫০-৬০ মণ ধান একা একা শুকানো কি সম্ভব। ধান বিক্রি করতে আসা আরো ক'জন কৃষক বলেন, এখানে ধান ওজন দিতে এবং গাড়ি থেকে নামতে বেশি হয়রানির শিকার হতে হয়। পরে অবশ্য ধান মাপা হলে বড় স্যারে টাকার জন্যে চেক দিয়ে দেন। কিন্ত আগে যখন বাড়িতে বেপারির কাছে ধান বিক্রি করতাম তারা টাকা বাকি রাখতো আবার দামও কম দিতো। কৃষক এবাদুল্লাহ বলেন, কষ্ট করে যদি টাকা ঠিক মতো পাই তাহলে আর দুঃখ থাকেনা।



এ ব্যপারে কথা হয় চাঁদপুর কেন্দ্রীয় সরকারি খাদ্য গুদামের ব্যবস্থাপক সালমা আক্তারের সাথে। তিনি বলেন সরকারি সিদ্ধান্ত হলো সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে। আর আমরা তাই করছি। প্রতিজন কৃষক সর্বনিম্ন ১ বস্তায় ৪০ কেজি এবং সর্বোচ্চ ৩ হাজার কেজি ধান বিক্রির সুযোগ পেয়েছে। এ বছরই প্রথম তৃণমূল থেকে ধান ক্রয় করছে সরকার। আমরা এ যাবত ৩শ' ৮ জন কৃষক থেকে ধান ক্রয় করেছি। কৃষকের হয়রানির ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হায়রানি কেনো হবে? যার কৃষি কার্ড আছে, ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও ব্যাংক একাউন্ট আছে তিনি তো হয়রানির শিকারের সুযোগ নেই। আমরা অনেক সময় দেখেছি কৃষকরা ধান যে ভাবে শুকানোর কথা সেভাবে তারা শুকায়নি। তাদের এখানে ধান শুকাবার ব্যবস্থা করেছি যাতে তাদের কোনো অসুবিধা না হয়। আর এখানে ধান নিয়ে যদি কোন ধরনের হয়রানির শিকার হয় তাহলে আমাকে অবগত করলে দ্রুত সমাধান হবে। আগামীতে আমি কৃষকের জন্য অভিযোগ বঙ্ খুলবো। তাতে কৃষকরা সরাসরি অভিযাগ দিতে না পারলেও লিখিত অভিযোগ বঙ্ েদিবে। এর পেক্ষিতে আমি অপরাধী চিহ্নিত করতে পারবো। আমি বেপারীর কাছ থেকে ধান কিনলে টার্গেট ফিলাপ করতে পারতাম। কিন্ত তা না করে আমি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ৪শ' ৩৩ টন ধান ক্রয় করেছি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৫২৩৬
পুরোন সংখ্যা