চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০১৬। ৯ আষাঢ় ১৪২৩। ১৭ রমজান ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৪-সূরা নূর

৬৪ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মাদানি’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২০। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকিলে তোমাদের কেহই অব্যাহতি পাইতো না এবং আল্লাহ দয়ার্দ্র ও পরম দয়ালু।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


সংসারে আনন্দময় পরিবেশ ভালো কিছু করার প্রেরণা যোগায়। 


-জন মেসাভল্ড।


স্বভাবে ন¤্রতা অর্জন কর।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
সিএসডি গুদামে ধান বিক্রিতে কৃষকদের হয়রানি
কৃষকের কোন রকম হয়রানি সহ্য করা হবে না : সালমা আক্তার
কৃষিকণ্ঠ রিপোর্ট
২৩ জুন, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করছে। কৃষকের ফলানো ধান চাঁদপুর কেন্দ্রীয় সরকারি খাদ্য গুদামে (সিএসডি) ধান বিক্রিতে কৃষকদের হয়রানির শিকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা ধান বিক্রি করতে এনেছেন সিএসডিতে। সিএসডির গেট থেকে গোডাউন পর্যন্ত ধান নিয়ে কৃষকদের বিভিন্ন হয়রানি করা হয় বললেন লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের কৃষক আঃ গফুর ও দেলোয়ার। তারা জানান, আমরা কোনো সময় এখানে ধান বিক্রি করতে আসি নি। এ প্রথম এসেছি ৩০ মণ ধান নিয়ে। ধানের গাড়ি নিয়ে গেট পাড় হতেই দারোয়ানের ধমক। তারপর আরেক জন এসে বললেন ধান এখানে রাখেন। আরেকটু পরে আরেকজন এসে বলেন ধান এখানে কেনো রাখছেন। আবার অফিস থেকে আরেকজন এসে বললেন আপনি এখানে বসেন। তার কথা মতো অফিসের বারান্দায় বসে রইলাম প্রায় ২ ঘণ্টা। ওদিকে ড্রাইভার গাড়ি থেকে ধান নামানোর জন্য তাড়াহুড়া করছেন। ধান বিক্রি করতে এসে যেনো মছিবতে পড়ে গেলাম। অপরদিকে মৈশাদী ইউনিয়নের কৃষক আঃ মান্নানের ছেলে রহিম (৪০) জানান বাবা অসুস্থ। এ জন্যেই ধানগুলো আমি নিয়ে এসেছি। এখন আমার ধানগুলো আমি বিক্রি করতে পারবো না। কারণ আমার কৃষি কার্ড নেই। আমি এতো কষ্ট করে ৩শ' টাকা ভাড়া দিয়ে ধানগুলো এনেছি। এখন যদি ধানগুলো ফেরত নেই তাহলে আমার লোকসানে পড়তে হবে। আমি অফিসের লোকদের বললাম, বাবা অসুস্থ আমার ধানগুলো কিনেন। তারা আমার কোনো কথাই শুনতে রাজি নন। এদিকে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের এক কৃষক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান, বাড়ি থেকে ওজন দিয়ে সিএসডি গোডাউনে ধান আনলাম ৩০ মণ। এখানে ওজন দিয়ে তারা দেখায় ধান আছে ২৫ মণ। আরো কয়েকজন কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, ধান বিক্রি করতে যদি এতো হয়রানি হয় তাহলে এখানে এসে লাভ কী? জমির ধান জমির পাশে বিক্রি করমু সেটাই ভালো। কিছু টাকা বেশি পাওয়ার আশায় রোজা রেখে কষ্ট করার দরকার নেই।

এ ব্যাপারে কথা হয় সিএসডি গুদামের ব্যবস্থাপক সালমা আক্তারের সাথে। তিনি বলেন, যে কোনো কৃষক এখানে ধান বিক্রি করতে পারবে। তবে টাকা নেওয়ার সময় যার কৃষি কার্ড আছে, ভোটার আইডি কার্ড আছে এবং ব্যাংক একাউন্ট আছে তিনিই টাকা পাবেন। এখানে কোনো রকম কারচুপির সুযোগ নেই। একজন কৃষক এখানে এসে হয়রানি হবে এটা সহ্য করা হবেনা। যারা বিভিন্ন অভিযোগ দিয়েছেন তাদের কথা সঠিক নয়। যেহেতু এখানে আমি নিজে থেকে ধান ওজন করিয়ে সাথে সাথে কৃষকের পাওনা দিয়ে দেই।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৮৯৩৭
পুরোন সংখ্যা