চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০১৬। ৯ আষাঢ় ১৪২৩। ১৭ রমজান ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৪-সূরা নূর

৬৪ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মাদানি’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২০। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকিলে তোমাদের কেহই অব্যাহতি পাইতো না এবং আল্লাহ দয়ার্দ্র ও পরম দয়ালু।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


সংসারে আনন্দময় পরিবেশ ভালো কিছু করার প্রেরণা যোগায়। 


-জন মেসাভল্ড।


স্বভাবে ন¤্রতা অর্জন কর।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
তিনি পড়েন কাজও করেন
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৩ জুন, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের বিবিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র গাজী মোঃ ইমাম হোসেন। তিনি পড়েন কাজও করেন। অবশ্য এ কাজ তার পেশা নয়। তার ইচ্ছা নিজ এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। সে লক্ষ্যেই ২০১৫ সাল থেকে শুরু করেন মৎস্য চাষ। বর্তমানে ২টি পুকুরে মাছ চাষ করা হয়েছে। পুকুরের আয়তন প্রায় ১টি ৬০ শতাংশ ও অপরটি ৪০ শতাংশের উপর। এতে প্রায় ১ লাখ টাকার মাছ চাষ করছেন ইমাম হাসান গাজী।



ইমাম হাসানের বাবা আবুল বাশার বাচ্চু গাজী। তিনি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে ৩৫ বছর কর্মরত ছিলেন। বাবার কর্মজীবনের সফলতা স্বরূপ প্রাপ্ত বিভিন্ন মৎস্য উন্নয়নমূলক বই পেয়েছিলেন। ইমাম হাসান পড়াশুনার পাশাপাশি বইগুলো পড়তেন। বাবার মুখে প্রাণীজ আমিষের চাহিদা মিটাতে এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য এ খাতের তাৎপর্যপূর্ণ কথা শুনতেন। এছাড়াও কথায় আছে মাছে ভাতে বাঙালি। সেই কথা ভেবেই মাছ চাষের উপর আগ্রহ সৃষ্টি হয়। ইমাম হাসান বলেন, আমি যখন টিআইবিতে ২০১২ সালে ইয়েস সদস্য হিসেবে যোগদান করি, সেখানে দেশ ও মানব সেবায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেই। এতে নিজ থেকে দেশের জন্য ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে ইচ্ছুক হই। এভাবেই পড়াশুনার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মৎস্য চাষে নিজেকে নিয়োজিত রাখি। আমার বিশ্বাস পরিশ্রমই মানুষের কল্যাণ বয়ে আনে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের সবার মাছের যোগান হয়ে থাকে আমার পুকুর থেকে।



মানুষের খাবারের বিভিন্ন পণ্যের মধ্যেও মাছ, গোস্ত, ফল-ফলাদি, শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল পণ্যেই ফরমালিন ব্যবহৃত হচ্ছে। এটা যেনো ব্যবসায়ীদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর পচনরোধন ফরমালিন মাছে মিশায়ে বিক্রি করছে। যার ফলে চরম ঝুঁকিতে মানব স্বাস্থ্য। ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের জটিল ও মারাত্মক রোগ ব্যাধিতে। তাই আমার আগ্রহ ও বাবার উদ্দীপনায় ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচ-ীতে আমার বাড়ির পাশেই দু'টি পুকুর লিজ নেই।



আদর্শ পরিচালনা ব্যবস্থার মাধ্যমে চাষাবাদ করার জন্য রুই, কাতল, সরপুটি, গ্রাসকাপ, তেলাপিয়া ও শিং মাছ ত্রিস্তর বিশিষ্ট প্রায় দেড় লাখ টাকার মাছ ফেলি। নিবিড় ও সঠিক পরিচর্যার কারণে আল্লাহর অশেষ রহমতে ক্রমাগত বেড়েই চলছে আমার মাছের উৎপাদন। নিজস্ব চাহিদা পুরণের পাশা-পাশি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।



পড়ালেখার পাশাপাশি এ কাজ করতে কোনো ধরণের অসুবিধা হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাড়ি থেকে কলেজের দূরত্ব দেড় কিলোমিটার। আমি পড়ালেখার পাশাপাশি পুকুরে মাছের কাজ করতে আনন্দবোধ করি। আমার পরিবারে আছে বাবা-মা ও আমার ৩ ভাই ১ বোন। বড়ভাই জহির রায়হান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। মেঝো ভাই মোহাম্মদ আলী হোসেন গাজী একজন ব্যবসায়ী। একমাত্র বোন আমেনা বেগম গৃহিণী কুমিল্লা জেলায় নিজস্ব বাড়িতে থাকেন। আমি এসবের পাশাপাশি দৈনিক চাঁদপুর জমিন পত্রিকার শহর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪০৮১৮
পুরোন সংখ্যা