চাঁদপুর। বুধবার ২৫ মে ২০১৬। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩। ১৭ শাবান ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগ নেতা নিবিড় আহমেদের পিতা করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৩-সূরা মু’মিনূন

১১৮ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৯৪। ‘তবে, হে আমার প্রতিপালক ! তুমি আমাকে যালিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করিও না।

৯৫। আমি তাহাদিগকে যে বিষেেয় প্রতিশ্রুত প্রদান করিতেছি আমি তাহা তোমাকে দেখাইতে অবশ্যই সক্ষম।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


নম্রতা-ভদ্রতা, গুণই দুটি মানুষের জীবনের পুরাতন ঐশ্বর্য।

-জন স্টুয়ার্ড মিল।


নীরবতাই শ্রেষ্ঠতম এবাদত।    

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
কৃষি গবেষণায় সাফল্য
বাংলাদেশেই হবে নিরাপদ সবজি উৎপাদন
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৫ মে, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মিকে প্লাস্টিক পলিথিন দিয়ে আটকিয়ে রোগ ও পোকা-মাকড় দমন করে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদ সবজি ফসল উৎপাদনে বিশেষ সফলতা অর্জন করেছেন রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল হাসানাত মু. সোলায়মান। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সহায়তায় সম্প্রতি তিনি এ গবেষণার কাজটি বাংলাদেশের মাটিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব খামারে এবং জাপানের ইয়ামাগাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে যৌথভাবে সম্পন্ন করেন এবং গবেষণালব্ধ ফলাফল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করেন। ড. সোলায়মানের গবেষণার বিষয় ছিল সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মিকে আংশিক আটকিয়ে বাংলাদেশের সবজি ফসলের রোগ ও পোকা-মাকড় দমন।

এ গবেষণা কাজের জন্য তিনি উন্মুক্ত মাঠে ছোট ছোট মিনি হাউজ এবং টানেল তৈরি করেন যা গ্রীন হাউজের সাশ্রয়ী সংস্করণ এবং অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক সূর্যরশ্মির অতিবেগুনী রশ্মি আটকিয়ে এবং রঙিন ও দেশী সবজি চাষ করেন। উন্নত দেশে গ্রীন হাউজে অতিবেগুনী রশ্মি সম্পূর্ণভাবে আটকিয়ে সবজির খুব ভালো ফল পেলেও রঙিন ফসলের কিছু উপকারী উপাদানের উৎপাদন কমে যেত। তাই অতিবেগুনী রশ্মি সম্পূর্ণভাবে না আটকিয়ে বিশেষ প্লাস্টিক পলিথিনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়েভলেংথে আটকিয়ে তিনি সবজির ভাল ফলন পান এবং তাতে উপস্থিত উপকারি রঙিন উপাদানও বজায় রাখতে সক্ষম হন। এছাড়াও তাতে রোগর আক্রমণও অনেকাংশে কমানো যায় বলে তিনি জানান। এ পদ্ধতি অবলম্বন করে সবজি চাষ করলে পোঁকা-মাকড়ের আক্রমণ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব বলে তিনি তার গবেষণায় দেখিয়েছেন। বেশ কিছু পরিবেশ বিষয়ক ও নগর কৃষি ভিত্তিক সংগঠেনের সাথে সম্পৃক্ত এ গবেষক বর্তমানে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের নানা কৌশল ও উপায় সম্পর্কে ঢাকার আশ-পাশের জেলা সমূহের কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। এছাড়া ড. সোলায়মান গত ১০ বছর ধরে দেশীয় বিভিন্ন ঔষুধি গাছের নির্যাস দিয়ে পোকামাকড় দমন নিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে আসছেন। ভবিষ্যতে তিনি নিরাপদ সবজি উৎপাদনের গবেষণায় ব্যবহৃত বিশেষ পলিথিনকে কীভাবে আরো সাশ্রয়ী করা যায় এবং অঠালো রঙিন ট্র্যাপের (পোকা দমনে বিশিষ ধরনের ফাঁদ) ব্যবহার আরো কত সহজে বাড়ানো যায় তা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৫৩১৮
পুরোন সংখ্যা