চাঁদপুর। বুধবার ২৫ মে ২০১৬। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩। ১৭ শাবান ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৩-সূরা মু’মিনূন

১১৮ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৯৪। ‘তবে, হে আমার প্রতিপালক ! তুমি আমাকে যালিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করিও না।

৯৫। আমি তাহাদিগকে যে বিষেেয় প্রতিশ্রুত প্রদান করিতেছি আমি তাহা তোমাকে দেখাইতে অবশ্যই সক্ষম।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


নম্রতা-ভদ্রতা, গুণই দুটি মানুষের জীবনের পুরাতন ঐশ্বর্য।

-জন স্টুয়ার্ড মিল।


নীরবতাই শ্রেষ্ঠতম এবাদত।    

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
গরমের স্বস্তি গ্রীষ্মকালীন ফল
২৫ মে, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

গরমে শারীরিক সমস্যাগুলো একটু বেশি দেখা দেয়। প্রথমত ঋতু পরিবর্তন এবং দ্বিতীয়ত গরম অর্থাৎ তাপমাত্রাজনিত সমস্যা। এ সময়ের প্রধান অসুখ ভাইরাল ফিভার, জন্ডিস, চিকেন পক্স, ডায়রিয়া। এছাড়া বাতাসে প্রচুর ডাস্ট বা ধুলাবালি থাকার কারণে ডাস্ট এলার্জি, অ্যাজমা, নাক দিয়ে পানিপড়া ও সাইনুসাইটিসের সমস্যা দেখা যায়।

গরমের কারণে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায় এ জন্য শরীরে পানির স্বল্পতা ও ইলেক্ট্রোলাইটের অসাম্যতা দেখা যায়। ফলে সহজেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং অবসাদ বোধ করে।

গরমের এসব সমস্য থেকে মুক্তি পেতে এ সময়ের কিছু ফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঔষধের পাশপাশি সঠিক খাদ্য পথ্য ও ফল-মূল গ্রহণ রোগ আরোগ্য ত্বরান্বিত করে। আমাদের আজকের আলোচ্য বিষয় এসব ফল-মূল নিয়ে ।

তরমুজ

তরমুজ আমাদের দেশের একটি অতি পরিচিত এবং সবার প্রিয় ফল। তরমুজে আছে লাইকোপেন, এমাইনো এসিড, ভিটামিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পানি। অতিরিক্ত ঘাম এবং তৃষ্ণা দূর করতে তরমুজের রস খুবই কার্যকর। কাজের কারণে ক্লান্তি যতই আসুক তরমুজের রস খেলে অল্প সময়েই ক্লান্তি দূর হয়। এছাড়া তরমুজের বীজ বেটে ঠা-া পানিতে চিনিসহ মিশিয়ে খেলে প্রস্রাবের জ্বালা, প্রস্রাবের স্বল্পতা দূর হয় এবং প্রস্রাবের ফ্লো ঠিক রেখে কিডনি পরিষ্কার রাখে। ব্রংকাইটিস বা অ্যাজমা, হেপাটাইটিস এবং হজমেও তরমুজ সাহায্য করে।

পেঁপে প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়, তবে এটা মূলত গ্রীষ্মেরই ফল। পেঁপেতে আছে প্যাপাইন নামক একপ্রকার হজমকারক উপাদান। পানি কম খাওয়ার জন্য অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়। এ সমস্যা দূর করতে পাকা পেঁপে অত্যন্ত কার্যকর। কাঁচা পেঁপে ডায়রিয়া ও জন্ডিসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাঁচা সবজি হিসেবে এবং পাকা পেঁপে জুস করে খাওয়া যায়। পেঁপের জুস খুবই পুষ্টিকর এবং প্রস্রাবের জ্বালা-পোড়া ও রক্তশুন্যতা নিরাময়ে কার্যকর।

শসা

গরমে প্রশান্তির ফল শসা। প্রচ- গরমে এক গ্লাস শসার জুস শরীরে আনে শান্তি ও স্নিগ্ধভাব। গরমে শরীর যে পনি স্বল্পতা দেখা দেয় তা শসার মাধ্যমে অনেকটা পূরণ করা যায়। শসাতে আছে রুটিন, গ্লকোসাইড ও ভোলাটাইল উপদান। এ সমস্ত উপাদান দেহকে জ্বালা-পোড়া থেকে মুক্ত রাখে, মূত্রকৃচ্ছতা দূর করে এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে ত্বক ভাল রাখে।

লেবু

লেবুর শরবত কার না ভাল লাগে। প্রচ- মাথা ব্যথার সময় এককাপ লেবুর চা যে কি উপকারী তা বলে বোঝানো যাবে না। গরমে ঘামার পর লেবুর শরবত দেহে আনে প্রশান্তি। পেট ফাঁপা, পেটের সমস্যা, ঠা-া, সর্দি-কাশিতে লেবু খুবই উপকারী। লেবুতে আছে ভিটামিন সি লিমেনিন, টারপিন ও অন্যান্য উপাদান। জ্বর ও মুখের ঘা দূর করতে লেবুর ভূমিকা অনন্য।

বাঙ্গি

বাঙ্গি আমাদের দেশের আরেকটি জনপ্রিয় ফল। ভিটামিন বি ও সি সমৃদ্ধ এই ফল গরমে আনে স্নিগ্ধতা। এই ফলের রঙ ও চমৎকার যা দেখলে মন ভাল হয়ে যায়। জ্বরের সময় দেহের তাপমাত্রা কমাতে এই ফলের জুস খুবই কার্যকার। এই ফল পেটের সমস্য দূর করে, বমি নিবারণ করে এবং হজম করতে সাহায্য করে। ত্বকের সমস্যায়ও এই ফল কার্যকর।

প্রস্রাবের সমস্যা হলে এই ফলের রস উপকারী ভূমিকা পালন করে এবং দেহে পানির সাম্যতা ঠিক রাখে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২১৭১২০
পুরোন সংখ্যা