চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০১৬। ১৩ বৈশাখ ১৪২৩। ১৮ রজব ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৩-সূরা মূ’মিনূন

১১৮ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৩। কিন্তু তাহারা নিজেদের মধ্যে তাহাদের দীনকে বহুধা বিভক্ত করিয়াছে। প্রত্যেক দলই তাহাদের নিকট যাহা আছে তাহা লইয়াা আনন্দিত।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


ভন্ডদের অন্যতম আশ্রয় ধর্ম।

-বেন জনসন।


বিদ্যান্বেষণের জন্যে যদি সুদূর চীনেও যেতে হয় তবে সেখানে যাও।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
বোরো ধান নিয়ে কৃষক-কৃষাণিরা ব্যস্ত সময় পার করছে
কৃষিকণ্ঠ প্রতিবেদক
২৬ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এখন বৈশাখ মাস। আর গ্রীষ্মের তাপদাহে ভ্যাপসা গরমের মাঝে বোরো ধান কর্তনে ও মাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাঠে কৃষক-কৃষাণিরা। আশানুরূপ বৃষ্টিপাত না হলেও ঝাপটা হাওয়া এলোমেলো করে দিয়েছে মাঠে-মাঠে পেকে থাকা ধান ক্ষেত। ঝাপটা হাওয়ায় অনেক কৃষকের স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিচ্ছে। মাঠে পাকা ধান ঝরে গিয়ে কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। ভারি আবহাওয়ার সাথে যুদ্ধ করে সোনালী ফসল ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখে কৃষক। চাঁদপুর হরেক রকমের ফসলের জনপদ হিসাবে পরিচিতি। এ জেলায় রয়েছে ৮টি উপজেলা। প্রতিটি উপজেলায় নানা রকম ফসল ফলাতে ব্যস্ত কৃষকরা। তবে এবছর প্রতিটি উপজেলায় তুলনামূলকভাবে ধান চাষ হয়েছে কম। জেলার কচুয়া উপজেলায় ১২ হাজার ১ শ' ৩০ হেক্টর, হাজীগঞ্জে ১০ হজার ৪৫ হেক্টর, ফরিদগঞ্জে ১০ হাজার ১ শত হেক্টর, মতলব উত্তরে ৯ হাজার ২শ' ৬৫ হেক্টর, চাঁদপুর সদরে ৫ হাজার ৭ শ' ৬০ হেক্টর, মতলব দক্ষিণে ৫ হাজার ৩ শ' ৩০ হেক্টর, শাহরাস্তিতে ৯ হাজার ৩ শত হেক্টর, হাইমচরে ৬ শত ৯০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। চৈত্রের শেষে হঠাৎ বর্ষণের কারণে ধান ক্ষেতের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এজন্য কৃষকরা রয়েছে দুশ্চিন্তায়।



সরজমিনে দেখা গেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সব স্থানেই বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর চাষ কম হয়েছে। সব জায়গায় কম বেশি ধানের চাষ হলেও কচুয়া ও হাজীগঞ্জে বেশি হয়েছে চাষ। মৌসুম শুরুর আগেই সরকারি উদ্যোগে বোরো চাষের সব ধরনের উপকরণ সরবরাহ ছিল পর্যাপ্ত পরিমাণ। সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরদারির কারণে কৃষকের বোরো চাষে বেগ পেতে হয়নি। পানি সরবরাহ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আগের তুলনায় ভালো থাকায় সব স্থানেই সমানতালে বেড়ে উঠেছে বোরো ধানের গাছ। প্রতিটি মাঠেই এখন ধান কাটতে শুরু করেছে কৃষক কৃষাণীরা। বৈশাখের প্রথম সময় থেকে শুরু করে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত কৃষক নতুন ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে ভালো ফলন হবে বলে ধারণা করছেন কৃষকরা।



চাঁদপুরে এ বছর ১২ হাজার ৬ শ' ১৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন। কচুয়া উপজেলায় আলু চাষ বেশি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ভুট্টা চাষ ২ হাজার হেক্টর জমিতে বেশি হয়েছে। মতলব উত্তরে ভুট্টা চাষ ১৬০০ হেক্টর হয়েছে। চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্পাসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মমর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মৌসুমে ৬২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। সে মতে ২ লাখ ১ হাজার ৯০ শত ১০ মেট্রিক টন ধানের ফলন হবে বলে আশা করেন। এখন পর্যন্ত সব মাঠেই বোরো ধানের অবস্থা ভালো আছে। মাঠে-মাঠে এখন কৃষকরা ধান কাটা ও মাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৪৪৫৮
পুরোন সংখ্যা