চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৪ মার্চ ২০১৬। ১০ চৈত্র ১৪২২। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগ নেতা নিবিড় আহমেদের পিতা করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২২-সূরা : হাজ্জ

৭৮ আয়াত, ১০ রুকু, মাদানী

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৭৮। এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে যেভাবে জিহাদ করা উচিত। তিনি তোমাদিগকে মনোনীত করিয়াছেন। তিনি দীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠোরতা আরোপ করেন নাই। ইহা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের মিল্লাত। তিনি পূর্বে তোমাদের নামকরণ করিয়াছেন ‘মুসলিম’ এবং এই কিতাবে ও ; যাহাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী স্বরূপ হয় এবং তোমরা স্বাক্ষী স্বরূপ হও মানব জাতির জন্য। সুতরাং তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে অবলম্বন কর; তিনিই তোমাদের অভিভাবক কত উত্তম অভিভাবক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী তিনি।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


অন্যকে বারবার ক্ষমা করো, কিন্তু নিজেকে কখনই ক্ষমা করো না।      

-সাইরাস।


যে ধনী বিখ্যাত হবার জন্য দান করে, সে প্রথমে দোজখে প্রবেশ করবে।      

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
ডায়াবেটিস রোগীর সবজি বাগান
সংবাদদাতা
২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর শহরের পৌর ১২নং ওয়ার্ডের হাজী মহাসিন রোডস্থ ছৈয়াল বাড়ি রোডে আব্দুর রশিদ মজুমদারের ৫ তলা বাড়ি। তিনি একজন ডায়াবেটিস রোগী। অসুস্থতার মাঝে ৬৯ বছর বয়সেও নিয়মিত কাজ করছেন তাঁর সবজি বাগানে। ইতোমধ্যে তার সবজি বাগানে বাহারি রকম ফল-ফলদ গাছে ভরে গেছে। প্রতিদিন তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম নিজ প্রয়োজনে রান্না করতে বাগান থেকে সবজি তুলে নিচ্ছেন।

সবজি বাগান সম্পর্কে জানতে কথা হয় মজুমদার ভিলার মালিক আব্দুর রশিদ মজুমদারের সাথে। তিনি জানান, ডায়াবেটিস আমাকে অসুস্থ রাখলেও আমার মন কিন্তু সুস্থ। ডাক্তার আমাকে প্রতিদিন হাঁটতে বলেছে। আর নিয়মিত হাঁটলে বা কায়িক প্ররিশ্রম করলে শরীর ভালো থাকবে। কিন্ত আমি সকালে হাঁটি আর বাকি সময় আমার সবজি বাগানে কাজ করি। বৃদ্ধ বয়সে এখনো এতো কাজ করেন জানতে চাইলে তিনি জানান, প্ররিশ্রম মানুষকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা এনে দেয়। আমার অবসর জীবন ভালো লাগে না। তাই নিজ বাড়ির ছাদের উপর নানা রকমের ফল ও সবজি বাগান করেছি। আর এসবের দেখাশোনা অমি নিজেই করি। আমার বাগানে সবজির মধ্যে বর্তমানে রয়েছে টমেটো, কালো বেগুন, ঢেঁড়স, ঝিঙ্গা, বরবটি, ধুনধুল চালকুমড়া, করল্লা, পুদিনা ও কাঁচা মরিচ। ফল গাছ হলো আম, পেয়ারা, মন্ডফল ও পেঁপে গাছ। আব্দুর রশিদ মজুমদার হাস্য উজ্জ্বলভাবে বলেন, এটা আমার পরিকল্পিত বাগান। প্রতিদিন বাগানে কাজ করি। নিজের অনেক ভালো লাগে। তবে আমার স্ত্রী আমার প্রতি নাখোশ, কারণ জানতে চাইতে তিনি জানান গত ১ বছর হলো আমাদের বাড়ির ছাদের উপর এ সবজি বাগান করেছি, বাগান প্রস্তুত করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি, গোবর, বাঁশঝাড়সহ বিভিন্ন জিনিস ছাদে উঠাতাম তখন সে বিরক্তবোধ করতো। অবশ্য এখন গাছে ফলন ধরেছে, কিন্ত সে তাঁর নিজ হাতেই এখন রান্নার জন্যে সবজি তুলে আনে। আরেকদিকে তার ধারনা ছাদের উপর বেশি লোডিং হলে ভূমিকম্পে সমস্যা হবে। এছাড়া আমার ২ ছেলে ২ মেয়ে তারাও চাচ্ছেনা আমি কাজ করি, কিন্ত আমি যখন পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকুরি করতাম তখনও নিজ প্রয়োজনে কৃষি কাজ করতাম। এখন আমি নিয়মিত কাজ করি, আমার কাছে ভালো লাগে। বিশেষ করে বাজারের শাক-সবজিগুলোতে বিষাক্ত বালাইনাশক প্রয়োগ করে থাকে। কিন্ত আমার নিজের উৎপাদিত সবজিগুলো বিষমুক্ত। এখন থেকে পরিবারের সবাই টাটকা শাক-সবজি খাই। আব্দুর রশিদ মজুমদারের নিজ বাড়ি চট্রগ্রামের হাটহাজারীর ধালই গ্রামে। তিনি মরহুম নূর বকা্র মিয়ার ১ম সন্তান। পড়া-লেখা শেষ করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ইসপ্রিরিড বোর্ডের মেকানিক্যাল ও চালক পদে ১৯৬৫ সালে যোগদান করেন। চাকুরির সুবাদে চাঁদপুরে আসা। সে থেকেই এখনো চাঁদপুরে । ২০০৩ সালে চাকুরি থেকে অবসর নেন। তার জেষ্ঠ্যপুত্র ফারুকুল ইসলাম ইনকামিং ট্যাস্ক এর যুগ্ম কমিশনার হিসেবে কর্মরত ও কনিষ্ঠ পুত্র মোঃ মামুনুর রশিদ একাউন্টিং অফিসার হিসাবে বি-প্রিমিয়ার ব্যাংকে কর্মরত আছেন। আমি আসলে যে রকম পরিশ্রম করিছি আল্লাহ আমাকে সে রকম দিয়েছে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫১৩৮৫
পুরোন সংখ্যা