চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৪ মার্চ ২০১৬। ১০ চৈত্র ১৪২২। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২২-সূরা : হাজ্জ

৭৮ আয়াত, ১০ রুকু, মাদানী

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৭৮। এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে যেভাবে জিহাদ করা উচিত। তিনি তোমাদিগকে মনোনীত করিয়াছেন। তিনি দীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠোরতা আরোপ করেন নাই। ইহা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের মিল্লাত। তিনি পূর্বে তোমাদের নামকরণ করিয়াছেন ‘মুসলিম’ এবং এই কিতাবে ও ; যাহাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী স্বরূপ হয় এবং তোমরা স্বাক্ষী স্বরূপ হও মানব জাতির জন্য। সুতরাং তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত দাও এবং আল্লাহকে অবলম্বন কর; তিনিই তোমাদের অভিভাবক কত উত্তম অভিভাবক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী তিনি।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


অন্যকে বারবার ক্ষমা করো, কিন্তু নিজেকে কখনই ক্ষমা করো না।      

-সাইরাস।


যে ধনী বিখ্যাত হবার জন্য দান করে, সে প্রথমে দোজখে প্রবেশ করবে।      

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে কমেছে ধান, বাড়ছে আলু ও ভুট্টার চাষ
কৃষিকণ্ঠ রিপোর্ট
২৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরে এবার বোরো ধানের রোপণ কম হয়েছে। গত বছর জেলায় ৬৩ হাজার ৬শ' ৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এ বছর বোরো চাষ হয়েছে ৬২ হাজার ৬ শ' হেক্টর জমিতে। কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকেছে। এ বছর ধানের অবর্তমানে কৃষকরা আলু ও ভুট্টার চাষ বেশি করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।



হরেক রকমের ফসলের জনপদ হিসাবে পরিচিতি চাঁদপুর জেলা। এ জেলায় রয়েছে ৮ টি উপজেলা। প্রতিটি উপজেলায় নানা রকম ফসল ফলাতে ব্যস্ত কৃষকরা। তবে এবছর প্রতিটি উপজেলায় তুলনামূলকভাবে ধান চাষ হয়েছে কম। জেলার কচুয়া উপজেলায় ১২ হাজার ১ শ' ৩০ হেক্টর, হাজীগঞ্জে ১০ হজার ৪৫ হেক্টর, ফরিদগঞ্জে ১০ হাজার ১ শত হেক্টর, মতলব উত্তরে ৯ হাজার ২শ' ৬৫ হেক্টর, চাঁদপুর সদরে ৫ হাজার ৭ শ' ৬০ হেক্টর, মতলব দক্ষিণে ৫ হাজার ৩ শ' ৩০ হেক্টর, শাহারাস্তিতে ৯ হাজার ৩ শত হেক্টর, হাইমচরে ৬ শত ৯০ হেক্টর, জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। চৈত্র মাঝামাঝি হঠাৎ বর্ষণের কারণে ধান ক্ষেতের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এজন্য কৃষকরা রয়েছে দুঃচিন্তায়।



সরজমিনে দেখা গেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সব স্থানেই বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর চাষ কম হয়েছে। সব জায়গায় কম বেশি ধানের চাষ হলেও কচুয়া ও হাজীগঞ্জে বেশি হয়েছে চাষ। মৌসুম শুরুর আগেই সরকারি উদ্যেগে বোরো চাষের সব ধরনের উপকরণ সরবরাহ ছিল পর্যাপ্ত পরিমাণ। সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরদারির কারণে কৃষকের বোরো চাষে বেগ পেতে হয়নি। পানি সরবরাহ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আগের তুলনায় ভালো থাকায় সব স্থানেই সমানতালে বেড়ে উঠেছে বোরো ধানের গাছ। ধান ক্ষেতের পরিচর্যার কাজ শেষ প্রতিটি মাঠেই এখন ধানের শীষ বের হয়েছে। বৈশাখের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত কৃষক নতুন ধান ঘরে তুলতে শুরু করবে। প্রকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে ভালো ফলন হবে বলে ধারণা করছেন কৃষকরা।



চাঁদপুরে এ বছর ১২ হাজার ৬ শ' ১৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন। কচুয়া উপজেলায় আলু চাষ বেশি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ভুট্টা চাষ ২ হাজার হেক্টর জমিতে বেশি হয়েছে। মতলব উত্তরে ভুট্টা চাষ ১৬০০ হেক্টর হয়েছে।



চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মৌসুমে ৬২ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। সে মতে ২ লাখ ১ হাজার ৯০ শত ১০ মেট্রিক টন ধানের ফলন হবে বলে আশা করেন। এখন পর্যন্ত সব মাঠেই বোরো ধানের অবস্থা ভালো আছে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২১৯৪৮৬
পুরোন সংখ্যা