চাঁদপুর, বুধবার ২৭ জানুয়ারি ২০১৬। ১৪ মাঘ ১৪২২। ১৬ রবিউস সানি ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগ নেতা নিবিড় আহমেদের পিতা করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২২-সূরা হাজ্জ 


৭৮ আয়াত, ১০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৮। তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ্কে সিজ্দা করে যাহা কিছু আছে আকাশম-লীতে ও পৃথিবীতে, সূর্য, চন্দ্র নক্ষত্রম-লী, পর্বতরাজি, বৃক্ষলতা জীবজন্তু এবং সিজদা করে মানুষের মধ্যে অনেকে? আবার অনেকের প্রতি অবধারিত হইয়াছে শাস্তি। আল্লাহ্ যাহাকে হেয় করেন তাহার সম্মানদাতা কেহই নাই; আল্লাহ্ যাহা ইচ্ছা তাহা করেন। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


পরিশ্রমী লোকের ঘুম শান্তিপূর্ণ হয়।                     


                           -জর্জ হাবার্ট।       


যে লোক কম কথা বলে চুপ করে থাকে সে অনেক বিপদ আপদ থেকে বেঁচে যায়।             -হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


 

ফটো গ্যালারি
শীত উপেক্ষা করে মাঠে ব্যস্ত কৃষক
কৃষিকণ্ঠ রিপোর্ট
২৭ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভৌগলিক ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ চাঁদপুরের জনপদ। এ জেলায় ৮টি উপজেলা। তার মধ্যে হরেক রকম মৌসুমী সবজির নিয়মিত উৎপাদনে শীর্ষস্থান দখল করেছে মতলব উত্তর। আলু চাষে বেশি এগিয়ে আছে কচুয়া উপজেলা। ধান চাষে ফরিদগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা। এছাড়া অন্য উপজেলাগুলোতে মোটামুটি সবধরনের চাষাবাদ হয়।



কৃষকরা ঋতু বৈচিত্র্যের শীতকালের সময় পার করছেন বোরো ধান চাষে। প্রচ- শীত উপেক্ষা করে চাঁদপুরের কৃষককে এখন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বোরো ও আলু জমিতে ব্যস্ত থাকাতে দেখা গেছে। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৯০ হাজার ৩শ' ২২ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকারের ফসল চাষ করা হয়েছে। সরজমিনে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলায় দেখা যায় কৃষকদের কেউ বীজ তলা থেকে চারা তুলছেন, অনেকে চারা রোপণ করেছেন। কেউবা আলু ক্ষেতে পানি দিচ্ছেন। প্রচ- শীত ও সূর্যের দেখা মিলছেনা, তারপরও কৃষকরা থেমে নেই। ক্ষেত প্রস্তুত করার লক্ষ্যে জমিতে সেচ ও হাল চাষের কাজেও ব্যস্ত দেখা গেছে কৃষদের। যার ফলে কৃষকরা কাল বৈশাখীর ভয়াল থাবা থেকে তাদের কষ্টার্জিত ফসল আগে ভাগে কেটে ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন। চাঁদপুরের বিভিন্ন গ্রামে চলছে বোরো ধানের চারা রোপণের মহোৎসব। তবে কৃষকরা চিন্তিত। পানি সঙ্কটের জন্য। খালের পানি শেষ হয়ে গেলে কোনো বিকল্প পানির ব্যবস্থা নেই। তাই তাদের দাবি ভরাট হওয়া খাল ও বিল খননের ব্যবস্থা করা। অবৈধভাবে দখল হওয়া এবং কোথাও পলি জমে ভরাট হওয়া খাল বিল খনন করা হলে পানি সারা বছর থাকবে। এতে পানির কোনো সমস্যা হবে না।



হাজীগঞ্জের মেনাপুর গ্রামের কৃষক এবাদুল্লাহ পাটওয়ারী বলেন, জমি প্রস্তুত। চারা উত্তোলন করছি জমিতে রোপণের জন্য। বোরো ফসলটি ভালো হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারবো। তাই যত্ন সহকারে জমি তৈরি করেছি। তবে তিনি স্যার ও পানি নিয়ে ভাবনায় রয়েছেন।



চাঁদপুরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আঃ মান্নান বলেন, এ বছর চলতি মৌসুমে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৩শ' ২২ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ধান, সরিষা ও আলুসহ বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৪৭৬৪
পুরোন সংখ্যা