চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০১৫ । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২২ । ১৩ সফর ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২১-সূরা : আম্বিয়া


১১২ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাাহ্র নামে শুরু করছি।


 


৫০/ ইহা কল্যাণময় উপদেশ; আমি ইহা অবর্তীর্ণ করিয়াছি। তবুও কি তোমরা ইহাকে অস্বীকার কর?


৫১/ আমি তো ইহার পূর্বে ইব্রাহীমকে সৎপথের জ্ঞান দিয়াছিলাম এবং আমি তাহার সম্বন্ধে ছিলাম সম্যক পরিজ্ঞাত। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


মৃত্যুটা জন্মানোর মতোই স্বাভাবিক। 


- বেকন।


যার রসনা ও হস্তদয় হইতে কোন মুসলমানের কোন প্রকার অনিষ্ট না হয়, সেই প্রকৃত মুসলমান এবং যে আল্লাহর নিষিদ্ধ কার্য হইতে পলায়ন করে সেই প্রকৃত মুহাজিজর। 


- (হযরত মুহাম্মদ (সঃ))


 

ফটো গ্যালারি
হাঁপানিয়ার উৎপাদিত লাউ চাঁদপুরের হাট-বাজারে
কৃষিকণ্ঠ রিপোর্ট
২৬ নভেম্বর, ২০১৫ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভৌগলিক ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ চাঁদপুরের জনপদ। চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নে হরেকরকম মৌসুমী সবজির নিয়মিত উৎপাদনে শীর্ষস্থান দখল করে আছে হাঁপানিয়া গ্রাম। আর এই ধারাবাহিকতায় এবারও শীতের মৌসুমী সবজি উৎপাদনে এগিয়ে আছে। এ গ্রামের উৎপাদিত লাউ চাঁদপুরের হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাইকাররা ট্রাক বোঝাই লাউ হাট-বাজারে নিয়ে বিক্রি করছে। এ বছর প্রায় ২০ লাখ টাকার লাউ বিক্রি হয়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন।



মূলত দেশের সর্বত্রই লাউ অত্যন্ত জনপ্রিয়। পারিবারিক বাগানের জন্য লাউ একটি প্রধান সবজি। লাউ গাছের পাতা, ডগা ও ফল সবই সরজি হিসেবে খাওয়া যায়। সে সুবাদেই আমাদের গ্রামে লাউ চাষ বেশি হয়। কথাগুলো বললেন মোহাম্মদ উল্লাহ পাটওয়ারী, ছিদ্দিকুর রহমান, ছাত্তার গাজী ও আরশাদ উল্লাহ মিয়াজী। বলেন আমরা কৃষি কাজ করতাম এখন আর করি না। কারণ হিসেবে জানতে চাইলে তারা জানান আগের মতো পরিশ্রম করতে পারিনা। এখন বয়সের কারণেই অনেকটা কৃষি কাজ থেকে ফিরে এসেছি।



আগাম সবজি লাউ চাষ নিয়ে কথা হয় কৃষক মোস্তফা মৃধা, বিল্লাল খাঁ ও জসিম উদ্দিন খানের সাথে। লাউ আগাম চাষের জন্য ভাদ্র-আশ্বিন মাসে বীজ বপন করার উপযুক্ত সময়। তবে আমরা আগাম চাষের জন্য জৈষ্ঠ্য মাস থেকে প্রস্তুতি শুরু করি। কেননা আমাদের এলাকা নিচু। যার দরুণ বন্যার ও বর্ষার পানি দেরিতে নিষ্কাশন হয়। এজন্যে আমরা যারা আগাম লাউ চাষ করি, তারা জৈষ্ঠ্য মাস থেকে মাটির ভূড়া তৈরি করে রাখি। সে জন্যই আমাদের এলাকার লাউ চাষটা আগাম করা সম্ভব। তবে কার্তিক মাসের বন্যায় আমাদের বেশি ক্ষতি হয়। তখন পানি বাড়লে আমাদের ফসলের ক্ষতি বেশি হয়। বিল্লাল খাঁ জানায়, আমাদের মধ্য হাঁপানিয়ার বিলের পানি শুধুমাত্র একটি খালের মাধ্যমে নিষ্কাশন হতো। এখন আর হয় না। কারণ জানতে চাইলে সে বলে পোস্ট মাস্টার মৃত কলমত্মর খাঁ বাড়ি সংলগ্ন কালভার্টের সামনে বাড়ি করায় বর্ষার জমে থাকা পানি আর বের হয় না। ফলে আমাদের কৃষি জমিগুলো জলাবদ্ধতায় থাকে। এ ব্যাপারে আমরা চেয়ারম্যান মেম্বারদের জানিয়েছি, কোনো লাভ হয়নি। লাউ ক্রেতা ও বেপারী ইউসুফ মুন্সি ও কামাল খান জানান, আশ্বিন-কার্তিক মাসে লাউ কিনেছি ৫৫-৬০ টাকা করে। এখন লাউ কিনি ২৫-৩০ টাকা করে। আমরা জমির মালিক থেকে ক্রয় করে চাঁদপুর জেলার কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। বাজার ব্যবসায়ীরা যার যার নিজ নিজ গাড়ি নিয়ে এসে সবজি নিয়ে যায়। এ জন্য এলাকার কৃষকদের কোনো রকম বেগ পোহাতে হয় না। সেলিম জানান, আমরা স্থানীয় বেপারীরা ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর পালবাজার, ওয়্যারলেছ, বাবুরহাট, হাজীগঞ্জ, মতলব, রামগঞ্জ, রায়পুর ও সোনাপুর আড়ৎদারদের কাছে বিক্রি করি। এ বছর আমরা বিভিন্ন কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার লাউ কিনেছি।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫২৮১৪৭
পুরোন সংখ্যা