চাঁদপুর, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ । ৫ আশ্বিন ১৪২২ । ৫ জিলহজ ১৪৩৬
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে আরো ১২ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৫৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২০-সূরা : তা-হা

১৩৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহ্র নামে শুরু করছি।



১১৫। আমি তো ইতিপূর্বে আদমের প্রতি নির্দেশ দান করিয়াছিলাম, কিন্তু সে ভুলিয়া গিয়াছিল; আমি তাহাকে সংকল্পে দৃঢ় পাই না।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কোনো কবি তার কবিতার ভুবনে দরিদ্র রয় না।

-- ইমারসন।


দাতার হাত ভিক্ষুকের হাত অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী ও তৃপ্ত হতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বন ও তৃপ্তি দান করেন।

               --- হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
কৃষিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে
কৃষিকণ্ঠ রিপোর্ট
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কৃষিতে নারীর অংশগ্রহণ যত বাড়ছে, পরিবার ও শিশুদের পুষ্টি পরিস্থিতির তত উন্নতি হচ্ছে। নারীর ক্ষমতা ও কৃষিতে তাঁদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায় এই সাফল্য এসেছে। ইফপ্রির গবেষণায় দেশের সাতটি বিভাগের নারীর ক্ষমতায়নের একটি সূচক তৈরি করা হয়। মূলত পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে ওই ক্ষমতায়নকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো সম্পত্তিতে নারীর অধিকার পরিবারের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতা আর্থিক উপার্জনের ক্ষমতা, ঋণ নেয়ার ক্ষমতা ও সমাজে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা। দেখা গেছে, বরিশাল আর্থিকভাবে দেশের অন্যতম পিছিয়ে পড়া এলাকা হলেও ওই বিভাগের ৩০ শতাংশ নারীর ক্ষমতায়ন ঘটেছে। অথচ সারা দেশে গড় এই হার ২৩ শতাংশ। ওই জরিপে দেখা গেছে, দেশের আর্থিকভাবে অন্যতম সচ্ছল এলাকা সিলেটে নারীর ক্ষমতায়ন মাত্র ১১ শতাংশ। আর চট্রগ্রামে ১২ শতাংশ। অথচ আর্থিকভাবে আরেকটি পিছিয়ে পড়া এলাকা খুলনা ও রাজশাহীর নারীরা যথাক্রমে ২৭ ও ২৮ শতাংশ ক্ষমতায়িত। ঢাকা সবচেয়ে সচ্ছল এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এলাকার গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়নের হার ২৭ শতাংশ। ইফপ্রির জরিপটিতে দেখা গেছে, দেশের ৯০ শতাংশ বাড়িতে মুরগি পালন নিয়ন্ত্রণ করেন নারীরা। ছাগল ও গরু পালনে নারীদের নিয়ন্ত্রণ ৪৫ শতাংশ। কুমড়া ও লাউচাষিদের ৪২ শতাংশ ও টমেটোচাষিদের ৩৮ শতাংশ নারী। ধান কাটা ও রোপণের ক্ষেত্রে নারীদের তেমন অংশগ্রহণ না থাকলেও ধান কাটার পরের ধাপের বেশির ভাগ কাজই নারী করে থাকেন। জরিপ অনুযায়ী ধান মড়াই, শুকনো, সংগ্রহ ও বীজ সংরক্ষণের ৫৮-৭১ শতাংশই নারীর ওপর নির্ভরশীল।



ইফপ্রিব 'পুষ্টি ও কৃষিতে নারী' শীর্ষক আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা তাঁদের আয়ের ৭০ থেকে ৯০ শতাংশই ব্যয় করছেন পরিবারের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায়। আর পুরুষদের এক্ষেত্রে ব্যয় মোট আয়ের ৫০-৬০ শতাংশ।



ইফপ্রির ২০১১-১২ সালের জরিপে দেখা গিয়েছিল, দেশের যেসব এলাকায় নারীর ক্ষমতায়ন বেশি হয়েছে যেসব এলাকায় অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের সংখ্যা কম। অর্থাৎ ওই সব এলাকার ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা বেশি পুষ্টি কর খাবার পায় এবং তারা কম খর্বাকৃতির। যেসব পরিবারে নারীরা ক্ষমতাবান, সেসব পরিবারের শিশুরা গড়ের চেয়ে খাবারে দুটি পদ বেশি পায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে দেশের গ্রামীণ পরিবারগুলো সারা দিনে ১২টির মতো উপকরণ খায়। যেমন, চাল, ডাল, সবজি, লবন, তেল, মসলা ইত্যাদি।



এ ব্যাপারে ইফপ্রি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার আহমেদ এ প্রিতিনিধিকে বলেন '২০১১-১২ সালের খানা জরিপের সঙ্গে আমরা আমাদের ২০১৫ সালের চলমান জরিপের একটি তুলনা করে দেখেছি যে আগের চেয়ে কৃষিতে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে। এতে শিশুদের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।



অর্থনীতিবিদ মাহবুব হোসেন এবং ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক আবদুল কায়েস ১২ বছর ধরে করা তাঁদের এক গবেষণায় এই সিদ্ধান্ত পৌছেছেন যে, গত এক যুগে বাংলাদেশের 'কৃষির নারীকরণ' হয়েছে। রাষ্ট পরিচালনার মতোই দেশের কৃষি খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এখন নারীরা। তাঁদের এই নেতৃত্বের কারণেই দেশের পরিবার ও শিশুদের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে গবেষকরা দাবি করেন।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৬৬৪
পুরোন সংখ্যা