চাঁদপুর, রবিবার ২৩ আগস্ট ২০১৫ | ৮ ভাদ্র ১৪২২ | ৭ জিলকদ ১৪৩৬
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৩৪। এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করিত না,


৩৫। অতএব এইদিন সেথায় তাহার কোন সুহৃদ থাকিবে না,


৩৬। এবং কোন খাদ্য থাকিবে না ক্ষত নিঃসৃত স্রাব ব্যতীত,


 


 


 


assets/data_files/web

অতিরিক্ত চাহিদাই মানুষের পতনকে ডেকে আনে।


-জন অলকৃট।


 


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পুষ্টিতে ভরপুর কাঁঠাল
আফতাব চৌধুরী
২৩ আগস্ট, ২০১৫ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

কাঁঠাল সুস্বাদু, মিষ্টি, বিরাট আকৃতির গ্রীষ্মকালীন ফল। কাঁঠাল পাকা ও কাঁচা খাওয়া যায়। কাঁচা কাঁঠালের তরকারিকে এঁচোড় বলে। এঁচোড় খেলে খাওয়ার রুচি বাড়ে। পাকা কাঁঠালের বীজ বা বিচি পুড়িয়ে বা তরকারি করে খাওয়া যায়। পেটের সমস্যা দূর হয়। এর বীজ পুড়িয়ে খেলে আমাশয় বা পাতলা পায়খানা দ্রুত সেরে যায়। তবে বেশি খেলে পেটে ব্যথা হতে পারে। মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং শিশুর বেড়ে উঠার জন্য ভিটামিন এ ও সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ইত্যাদি সবই আছে এই ফলে। গর্ভবতীদের জন্যও কাঁঠাল উপকারী। কাঁঠাল খেলে গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়। মা স্তন্যদানের পরিমাণমতো পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বাড়ে। পাঁচ মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমতো কাঁঠালের রস খাওয়ালে বাচ্চার ক্ষুধা নিবারণ হয়। পূরণ হয় তার স্বাভাবিক পুষ্টির চাহিদাও। ভিটামিন সি ও এ থাকায় কাঁঠাল চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী। ভিটামিন এ চোখের পুষ্টি জোগায়, অন্ধত্বজনিত সমস্যা দূর করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে ক্ষতিকারক রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে না। ক্ষত ও দেহের কাঁটাছেড়া দ্রুত শুকায় ভিটামিন সি। প্রখর রোদের জন্য গরমে যে সর্দি, কাশি, হাঁচি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয় তা দূর করে ভিটামিন সি। কাঁঠালের বিটা ক্যারোটিন, লুটেইন, অ্যান্টি-অঙ্েিডন্ট ক্ল্যাভিনয়েড নামের উপাদান, স্তন, প্রোস্টেট, পাকস্থলি ও ফুসফুসের ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করে। এটি অাঁশ জাতীয় ফল বিধায় তা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, রক্ত পরিষ্কার রাখে এবং হৃদপিণ্ডের শিরা-উপশিরার দেয়ালে ক্ষতিকর চর্বি জমাতে বাধার সৃষ্টি করে। এর পটাশিয়াম দেহের কোষগুলোর বৃদ্ধি বা বর্ধনে সাহায্য করে। শরীরে রক্ত তৈরি করে এর আয়রন বা লৌহ। বেরিবেরি রোগ, পেটের সমস্যা দূর করে ভিটামিন বি কমপ্লেঙ্। এর ক্যালসিয়াম দেহের হাড় ও দাঁতের পুষ্টি জোগায়। শরীরে ইনসুলিন হরমোনের সরবরাহ নিশ্চিত করে এর জিংক। আর দেহের অম্ন ও ক্ষারের সাম্যাবস্থা বজায় রাখে ম্যাগনেশিয়াম ও সোডিয়াম। ডায়াবেটিসের রোগীরাও কাঁঠাল পরিমাণমতো খেতে পারেন।

লেখক পরিচিতি : আফতাব চৌধুরী, সাংবাদিক কলামিস্ট।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮৫২৯০
পুরোন সংখ্যা