চাঁদপুর, রবিবার ২৪ মে ২০১৫ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২২ | ৫ শাবান ১৪৩৬
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

১৯-সূরা : র্মাইয়াম

৯৮ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহ্র নামে শুরু করছি।



৬৫। তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও তাহাদের অন্তবর্তী যাহা কিছু, তাহার প্রতিপালক। সুতরাং তাঁহারই ‘ইবাদত কর এবং তাঁহার ‘ইবাদতে ধৈর্যশীল থাক। তুমি কি তাঁহার সমগুণ সম্পন্ন কাহাকেও জান?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


একটি মহৎ আত্মা সমুদ্রে ভাসমান জাহাজের মতো।

-ফ্লেচার।


নিরপেক্ষ লোকের দোয়া সহজে কবুল হয়।

  - হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরের ২ হাজার ৩শ' ৩৮ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ
মাঠে মাঠে কৃষক ও কৃষাণীরা মরিচের ফলন তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে
কৃষি কণ্ঠ রিপোর্ট
২৪ মে, ২০১৫ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মরিচ একটি নিত্য প্রয়োজনীয় মসলা ফসল। কাঁচা ও পাকা অবস্থায় খাওয়া হয়। প্রায় সব ধরনের তরকারি, আচার ও নানা রকমের খাবারকে সুস্বাদু ও মুখরোচক করতে মরিচের ব্যবহার অত্যাবশ্যক। কাঁচা মরিচে ভিটামিন এ ও সি বিদ্যমান। আমাদের দেশে ঝাল ও মিঠা দু' ধরনের মরিচ পাওয়া যায়। এ দেশে ঝাল মরিচের কদর বেশি। পারিবারিক চাহিদা মেটাতে অনেকেই বাড়ির আঙ্গিনায় আবার কেউ বা ফসলি জমিতে মরিচের চাষ করে। এছাড়া সারা বছরই মরিচ চাষ করা যায়। তবে শীতকালে চাষ বেশি হয়। শীতকালীন ফসলের জন্য ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের জন্য চৈত্র-বৈশাখ মাসে বীজ বপন বেশি হয়। চারা লাগানোর দেড় মাস পর হতে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করা যায়। ভাল শুকনা মরিচ পেতে হলে ফলন সামান্য রং ধরলে তুলতে হয়।

চাঁদপুরের রবি মৌসুমে লাগানো মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। অধিক ফলন ও ভালো দাম পেয়ে মরিচ চাষীদের মনে খুশির জোয়ার বইছে। গত সোমবার হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের পীর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওঃ মোঃ শহিদুল্লাহ পাটওয়ারীর সাথে কথা হয় চাঁদপুর কণ্ঠের এ প্রতিনিধির। তিনি জানান, এ বছর রবি মৌসুমে ৩০ শতাংশ জমিতে মরিচের চারা রোপণ করেছেন। পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চারা রোপণ করে এ পর্যন্ত ৩ বার পাকা লাল মরিচ তুলেছেন।

চাঁদপর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী গ্রামের ডগার বিলে মরিচের ভালো ফলন হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে জি.এম. ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের দু'শিক্ষার্থীর গ্রীষ্মের ছুটিতে বন্ধ স্কুল। তাই তারা ভাই-বোন বাড়ির পাশের নিজ জমিতে বাবা-মায়ের সাথে মরিচ তুলছেন।

কৃষকরা জানান, কয়েকদিন আগে ৩৫শ' টাকা করে ২মণ শুকনা মরিচ বিক্রি করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে সাধারণ ১৫-১৬ মণ মরিচ পাওয়া যায়। সে অনুপাতে এ বছর অন্য ফসলের লোকসানে মরিচে কিছুটা পূরণ হবে বলে আশা করা যায়। তারা বলেন শুকনা মরিচের দাম ৩৫শ' টাকা থেকে ৪ হাজার টাকায় পেঁৗছলে আমরা কৃষকরা লাভবান হবো।

চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান জানান, রবি মৌসুমে চাঁদপুরে ২ হাজার ৩ শত' ৩৮ হেক্টর জমিতে মরিচ বাছ হয়েছে। সে মতে উৎপাদন হয়েছে ৩ হাজার ২ শত' ৭৮ মেট্রিক টন। প্রতি হেক্টর জমিতে ১ দশমিক ২৪ মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদন হয়। ইতিমধ্যে কৃষক ও কৃষাণীরা লাল মরিচ উত্তোলন এবং মরিচ শুকাতে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা যায়।

খবরটি সর্বমোট 8 বার পড়া হয়েছে
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৪২৩১৪
পুরোন সংখ্যা