চাঁদপুর, রবিবার ২৪ মে ২০১৫ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২২ | ৫ শাবান ১৪৩৬
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

১৯-সূরা : র্মাইয়াম

৯৮ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহ্র নামে শুরু করছি।



৬৫। তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও তাহাদের অন্তবর্তী যাহা কিছু, তাহার প্রতিপালক। সুতরাং তাঁহারই ‘ইবাদত কর এবং তাঁহার ‘ইবাদতে ধৈর্যশীল থাক। তুমি কি তাঁহার সমগুণ সম্পন্ন কাহাকেও জান?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


একটি মহৎ আত্মা সমুদ্রে ভাসমান জাহাজের মতো।

-ফ্লেচার।


নিরপেক্ষ লোকের দোয়া সহজে কবুল হয়।

  - হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
বেল ফলের চাষ
মাহমুদা আক্তার মিম
২৪ মে, ২০১৫ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বেল বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় ফল। বাংলাদেশ-ভারত বেলের আদি উৎপত্তি স্থান বলে ধরা হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সব দেশেই এটি হতে দেখা যায়। তবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে বেল ভালো জন্মে। ইংরেজিতে একে ইধবষ বা ইবৎমধষ য়ঁরৎপব বলা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম অপমষব গধৎসবরড়ং সংস্কৃত নাম বিল্ব থেকে বেলের বাংলা নামের সৃষ্টি। উদ্ভিদ বিজ্ঞানে বেল জঁঃধপবধপ পরিবারের অন্তর্গত। এ হিসেবে বেল বিভিন্ন লেবু, কথবেল ইত্যাদি গোষ্ঠিভুক্ত। বেল মূল্যবান ভেষজ গুণসম্পন্ন অতি উপকারী ফল। এ জন্য বহুকাল ধরে এ ফলটি এ দেশের ধনী গরিবের স্বাস্থ্য রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। কতগুলো আকর্ষণীয় ও উপকারী গুণের জন্য এ দেশের বিভিন্ন শাস্ত্রে, গ্রন্থে ও অঞ্চলে বেল ফলের অনেকগুলো নাম রয়েছে। বহু ফলের বহু গুণ এ ফলে সঞ্চিত রয়েছে বলে একে 'মহাফল' নামে অভিহিত করা হয়। এ উপকারী ফল মানুষের বিবিধ রোগ দূর করে, এ জন্য এটি 'সত্য ফল' আখ্যাও লাভ করেছে। এমনি আরো নানা গুণাবলির জন্য এটি লক্ষী ফল, সুফল, গন্ধফল, শ্রীফল প্রভৃতি নামে পরিচিত হয়ে থাকে। বেলফল সাধারণত গোলাকার। কতকগুলো লম্বা-গোলাকার এবং কিছু ফল তলার দিকটা সূচলো এবং খাজ কাটা। কাঁচা ফলের রক্ত ম্লান-ধূসর, পাকা ফল হলুদা সুবজ। কোন জাতের ফলের খোসা পাতলা, কোনটা আবার মোটা। শাঁস কমলা-হলুদ, সুমিষ্ট, নরম ও অাঁশযুক্ত। ফলে ১০-১৫টি অর্ধ চন্দ্রাকার বীজ হয়ে থাকে এবং থলের ভেতর পরিবেশিত অবস্থায় বীজের অবস্থান। কিছু কিছু ফল বেশ বড়, কিছু ছোট ও কিছু মাঝারি। জাতের তারতম্য ভেদে ফল ৪০০ গ্রাম থেকে ৩ কেজি ওজন পর্যন্ত হতে পারে। বেল পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল। এর শাঁসে ৫৬ থেকে ৭৭ ভাগ পানি রয়েছে। তাছাড়াও আছে ২.৬্ব প্রোটিন, ০.৩৯% স্নেহ, ১.৭% খনিজ পদার্থ, ৩১.৮% শ্বেতসার। প্রতি ১০০ গ্রামে ৫৫ মাইঃ গ্রাম ক্যারোটিন, ০.১৩ মিঃ গ্রাম থায়ামিন, ১.১৯ মিঃ গ্রাম রাইবোফ্লেবিন, ১.১ মিঃ গ্রাম নায়াসিন, ৮ মিঃ গ্রাম ভিটামিন সি, ৩৫ মিঃ গ্রাম ক্যালসিয়াম ও ০.৬ মিঃ গ্রাম লৌহ থাকে। শরীরের পুষ্টিসাধন এবং শরীরকে নানাবিধ রোগের হাত থেকে রক্ষার জন্য এসব পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তা অপিরিসীম। বেল বিভিন্নভাবে ব্যবহার হয়। টাটকা অবস্থায়ও শরবত আকারে বেল খাওয়া হয়। কাঁচা বেলের মোরব্বা আকারে বেল খাওয়া হয়। কাঁচা বেলের মোরব্বা ও জেলি অতি সুস্বাদু। বেলের পাউডার ও দানা এবং পোড়া দিয়েও খাওয়া হয়। বেলে সেলুলোজ, হেমি অলুলোজ এবং পেকটিন জাতীয় শর্করা বেশি থাকায় ভালো জ্যাম ও জেলি প্রস্তুতের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। পেটের পীড়ায়, আমাশয় ও কোষ্ঠবদ্ধতায় বেল ও বেলের শরবত অত্যন্ত উপকারী। বেলের সাথে ঘোল বা তেতুল গোলা পানি, চিনি, এলাচি ইত্যাদি মিশিয়ে অতি তৃপ্তিকর পানীয় প্রস্তুত করা হয়। কাঁচা বা আধাপাকা বেলের ক্বাথ অথবা উত্তমরূপে আগুনে পোড়া বেল অগি্নবর্ধক এবং পেটের অতি সার (দাস্ত রোগে) ও আমাশয়ে অধিক কার্যকরী। অবশ্য কেউ কেউ বলেন, পাকা বেল খুব বেশি খেলে মলের সাথে অভ্যন্তরীণ পুষ্টি সামগ্রীর অপচয়ের কিছু সম্ভাবনা থাকে। অনেকে শ্বাসকষ্ট রোগে বেল পাতার ক্বাথ সেবনের পরামর্শ দেন। বেল গাছের মূলের চাল শুক্রতারল্য ও হৃদরোগে উপকারী বলে জানা গেছে। বেল পাতার রস পানিতে মিশিয়ে শরীর মুছলে ঘামে দুর্গন্ধ হয় না। বেলের বীজের সাথে যে আঠা থাকে তা ভালো সংযোজন দ্রব্য হিসেবে সহজেই ব্যবহার করা যায়। বেলের কাঠ দৃঢ় কোষযুক্ত ও শক্ত। এর কাঠ গৃস্থালির নানা রকম হাতিয়ার যেমন ছোটখাট কৃষি যন্ত্রপাতি, ঘানি, চাকা, মাড়াই কল ইত্যাদি তৈরি করা যায়। বেলের কাঠ দিয়ে দেশি ঢাক ও ঢোলকের খোল তৈরি করা যায়। এ ছাড়া বেল কাঠ উৎকৃষ্ট জ্বালানি। বহুগুণের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও দেশে বেল গাছ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেই। বরং দিন দিন এ গাছ বিলুপ্তির পথে অগ্রসর হচ্ছে। মনে রাখা দরকার যে, বৃক্ষ ও পরিবেশ মানব জীবনের অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই আমাদের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে এবং নানা রকম রোগের চিকিৎসার জন্য ষার যতটুকু জায়গা আছে সেখানেই সুপরিকল্পিতভাবে ঔষধি গুণসম্পন্ন বেল গাছ রোপন ও সংরক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।



চাষাবাদ প্রণালি



উপযোগী জমি ও মাটি : বেল কষ্ট সহিষ্ণু গাছ এবং যে কোনো রকম মাটিতে জন্মাতে পারে। তবে সুনিষ্কাশিত মাটিতে ভালো হয়। পূর্ণ রৌদ্রমুক্ত স্থানে বেলের চাষ করা উচিত।



জাত নির্বাচন : বাংলাদেশের বেলের কোন অনুমোদিত জাত নেই। দেশের সর্বত্র অসংখ্য জাতের বেল দেখা যায়। যে জাতের ফলের শাঁস মোলায়েম, সগুন্ধীও কম অাঁশময় এবং ফলে বীজ ফলের সংখ্যা কম তাই উৎকৃষ্ট বলে বিবেচিত হয়।



বংশ বিস্তার : সাধারণত বীজ থেকেই বেলের চারা পাওয়া যায়। পর পরাগায়িত বলে বীজের গাছে মাতা গাছের বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকে না। এজন্য গুটি কলম অথবা কুঁড়ি সংযোজন পদ্ধতিতে মাধ্যমে উৎকৃষ্ট জাতের চারা উৎপাদন করতে হবে। বেল গাছের গোড়ার চারপাশের শিকড় থেকে অসংখ্য ফেকড়ী বের হয়, এগুলো মাটিসহ সাবধানে তুলে আনলেই নুতন চারা তৈরি হবে।



চারা রোপণের সময় : মধ্য আষাঢ় থেকে মধ্য শ্রাবণ মাস চারা রোপণ করার উপযুক্ত সময়।



গর্ত তৈরি সার প্রয়োগ ও চারা রোপণ : বাগান আকারে বেলের চাষ করতে হলে ১০ মিটার দূরত্বে চারা রোপন করা উচিত। নির্ধারিত দূরত্বে ৫০ সেঃ মিঃ চওড়া ও ৫০ সেঃ মিঃ গভীর গর্ত করে প্রতি গর্ভে ১০ কেজি পচা গোবর বা আবর্জনা পচা সার, ২৫০ গ্রাম টিএসপি ও ১৫০ গ্রাম এমওপি সার ভালোভাবে মিশিয়ে গর্তটি পুনরায় ভরাট করতে হবে। সার মিশানো মাটি দিয়ে গর্ত ভরাট করে ৮-১০ দিন পর প্রতি গর্তে একটি করে চারা রোপণ করতে হবে। চারা লাগানোর পর বর্ষা না হলে চারার গোড়ায় পানি সেচ দিয়ে গর্তের মাটি ভালো করে ভিজিয়ে দিতে হয়।



পরবর্তী পরিচর্যা : ঝড় বা বাতাসে চারা হেলে বা পড়ে না যায়, সেজন্য গোড়া থেকে ১০-১৫ সেঃ মিঃ দূরে একটি শক্ত কাঠি পুঁতে তার সাথে চারা বেঁধে দিতে হবে। কোন কারণে যদি চারা নষ্ট হয় কিংবা মারা যায়, যত দ্রুত সম্ভব সেস্থানে নূতন করে চারা লাগিয়ে পূরণ করে দিতে হবে। চারার গোড়ায় যেনো কোন আগাছা না জন্মে সেদিকে খেয়াল রেখে নিয়মিত নিড়ানি দিতে হয়। চারা অবস্থায় ১-২ মিটারের মধ্য গজানো ডালপালা ছেঁটে দিলে কাঠামো ঠিক থাকে।



সার ব্যবহার : চারা রোপণের পরবর্তী বছর থেকে গাছ প্রতি ১৫-২০ কেজি পচা গোবর না আবর্জনা পচা সার ব্যবহার করতে হবে। সারের অভাবে অনেক সময় কচি বেল ঝরে পড়ে। তাই ফলন্ত গাছে কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে কিছু ইউরিয়া, টিএসপি ও এসওপি সার গোড়ার মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।



পানি সেচ : ফাল্গুন চৈত্র মাসে ফুল ও ফল ধরে। এ সময় থেকে বর্ষায় আগ পর্যন্ত ১০-১৫ দিন পরপর সেচ দেয়া ভারো। বড় গাছে সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না বললেই চলে।



পোকামাকড় ও রোগ বালাই দমন : বেল গাছে সচরাচর যে পোকা দেখা যায় তা হলো মাইচ। এদের আক্রমণে পাতার উপর চকচকে দাগ দেখা যায়, পাতা কুঁকড়ে বা মুড়িয়ে যায়। অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করে এ পোকা দমন করতে হবে। এ ছাড়া বেল গাছে তেমন মারাত্মক কোন রোগ ও পোকা দেখা যায় না।



ফল সংগ্রহ : বীজের গাছে ফল আসতে ৬-৭ বছর সময় লাগে। আর কলমের গাছে ৫-৬ বছরের মধ্যে ফল আসে। গাছের বয়স ১০ বছর না হলে ভালো ফলন হয় না। ফুল ধরার সময় থেকে ফল পাকতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। মার্চ-এপ্রিল মাসে ফুল আসে এবং পরের বছর ফেব্রুয়ারি-এপ্রিলে ফল পাকে। আগাম জাতের ফল ডিসেম্বর-জানুয়ারিতেও পাকে। আবার কোন কোন ফল জুন-জুলাই মাসেও দেখা যায়। মাটিতে পড়ে ফেটে গেলে শাঁসে দ্রুত পচন ধরে। তাই সম্পূর্ণ পাকার পর মাটিতে না ফেলে একটি করে বোঁটাসহ ফল সংগ্রহ করা উচিত।



ফলন : পূর্ণ বয়স্ক একটি গাছ থেকে বছরে ১৫০-২০০টি বেল পাওয়া যেতে পারে।



লেখক পরিচিতি : ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী।



 



জ্যৈষ্ঠ মাসে রসালো ফলে বাজার ভরপুর



 



নিজস্ব সংবাদদাতা



আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম, জামরুল, তালের শাঁসের মন মাতানো সৌরবে জ্যৈষ্ঠ মাসে রসালো ফলে বাজার ভরপুর হয়েছে। এ মাসে রসালো ফলের সমারোহ থাকে বলে সবচে' বেশি পরিচিতি লাভ করেছে মধুমাস হিসেবে। অন্যান্য বাংলা মাসের মতো জ্যৈষ্ঠের নামকরণ হয়েছে তারার নামে। নক্ষত্র জ্যৈষ্ঠ থেকে জ্যৈষ্ঠ। সাতাশ তারার মাঝে এর অবস্থান আঠারতম। মৃদু আর মাঝারী তাপ প্রবাহে জীবন যখন অতিষ্ঠ। তখন আল্লাহর অসীম কুদরতে রসালো শাসালো ফলে বাজার ভরপুর। খরতাপের তৃষ্ণা মেটাতে এ যেনো আল্লাহর অসীম দান। এ সময় সর্বত্র দেখা মেলে তরমুজ, বাঙ্গি, আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম, জামরুল, আনারসের মতো রসালো শাসালো ফলের। তৃষ্ণা আর রসনা মেটাতে আগেই আসে তরমুজ। এরপর বাঙ্গি আর বেল। মধুমাস যাত্রা শুরু করলো ক্ষণিকের অতিথি গোলাপী সবুজ আভার টসটসে লিচু নিয়ে। এখন বাজারে এসেছে দেশী জাতের মোটা বিঁচির টক মিষ্ট স্বাদের লিচু। বাজারে পাকা আসতে শুরু করেছে। প্রায়শই ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। আর এতে ঝড়ে পড়ছে আম। ঝরে পড়া আমে বাজার ভরা। চলছে নানা রকম আচার তৈরিসহ ছোট মাছের চচ্চরি কিংবা মশুরের আম ডাল। যার স্বাদেই আলাদা। সারা বছর আমের স্বাদ নেবার জন্য কাঁচা আম কেটে রোদ্রে শুকিয়ে বানানো হচ্ছে আমচুর। অসময়ে বিভিন্ন তরকারীর সাথে মিশিয়ে খাবার জন্য। আবহাওয়া অনুকুল থাকা আর আমের 'অনইয়ার হাওয়ায় গাছে গাছে এসেছিলো প্রচুর মুকুল।' এরপর গুটি থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ডগায় ডগায় আমের ঠাস বুনন গুটি জানান দেয় বাম্পার আবাদের। যত্ন আত্তিতে গুটি বেড়ে রূপ নেয় আমে। থোকায় থোকায় দুলতে দুলতে পূর্ণতার দিকে এগুতে থাকে। স্বপ্ন বাড়ে বাগান মালিক থেকে আম রসিকদের বিধিবাম বৈশাখের শুরু থেকে ঝড়ো হাওয়া হামলে পড়ছে বাগানগুলোর উপর। ঝরে গেছে প্রচুর আম। উপড়েছে আমের গাছ। ভাল ফলনের যা আছে তাতে মন্দ কি। সবার ভাবনা বৈশাখতো তার নাচন দেখিয়ে বিধায় নিল। এখন যেনো আর ঝড় না হয়। বৃষ্টি হলে ক্ষতি নেই। বৈশাখী ঝড়ে আম লিচু ঝরে পড়লেও সাথের বৃষ্টি বেশ উপকার বয়ে এনেছে। বিগত বছরগুলো তুলনায় এবার বৃষ্টি ভাল হয়েছে। এতে করে আম হয়েছে রসালো আর আকৃতিতেও বড়। আম বাগান থেকে আড়তে আর অস্থায়ী বাজারগুলোয় ব্যস্ততা বাড়ছে।



মধুমাসে বাহারি রকম নানা ফল কিনতে খরিদদাররা ফলের দোকানে ভিড় জমাতে দেখা গেছে। এতে দোকানদারের বেচা-বিক্রি ভালই হচ্ছে।



 


খবরটি সর্বমোট 24 বার পড়া হয়েছে
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮২৭৩২
পুরোন সংখ্যা